আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান
ছবি সংগৃহীত।

পাক-আফগান সীমান্তের ডুরান্ড লাইনে পাকিস্তানের সেনাচৌকিতে হামলার পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ সেই যুদ্ধেরই অংশ।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহম্মদ আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই ঘোষণা দিয়েছেন। এক্সবার্তায় তিনি বলেছেন, “আমাদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। এখন আপনাদের সঙ্গে আমাদের কেবল যুদ্ধ হবে...পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সাগর থেকে ভেসে আসেনি। আমরা আপনাদের প্রতিবেশী: আপনাদের মতিগতি আমরা খুব ভালোভাবে জানি।”

খাজা আসিফ এক্সে এই বার্তা পোস্ট করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল এবং পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশে আফগান সামরিক বাহিনীর স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী।
আজ শুক্রবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের বিদেশি সংবাদমাধ্যম বিষয়ক মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি বলেছেন, রাত ৩ টা ৪৫ মিনিট থেকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করেছে পিএএফ এবং স্থলবাহিনী বা আর্মি। অভিযানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই রাজধানী কাবুল এবং পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশের বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনাকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

পাশাপাশি কাবুল, পাকতিয়া এবং কান্দাহারের ২৭টি সেনাচৌকি ধ্বংস এবং ৯টি চৌকি দখল করেছে পাকিস্তানের আর্মি।

এক্সবার্তায় মোশাররফ জাইদি জানিয়েছন, পিএএফের বোমাবর্ষণে ইতোমধ্যে আফগান সেনাবাহিনীর দু’টি সেনা হেডকোয়ার্টার, ৩টি ব্রিজ হেডকোয়ার্টার, দু’টি গোলাবারুদের ডিপো, একটি লজিস্টিক ঘাঁটি, ৩টি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টার, ২টি সেক্টর হেডকোয়ার্টার, ৮০টিরও বেশি ট্যাংক এবং বিপুল সংখ্যক আর্টিলারি বন্দুক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে।

গত ২১ ফেব্রুয়ারি শনিবার আফগানিস্তানের নানগারহার এবং পাকতিয়া প্রদেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় ব্যাপক বোমাবর্ষণ করেছিল পাকিস্তানের বিমান বাহিনী। এতে নিহত হয়েছিলেন ৮০ জনেরও বেশি মানুষ। সংক্ষিপ্ত সেই অভিযানের পর পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর আন্তঃসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর) থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, পাকিস্তানের তালেবানপন্থি নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে এ অভিযান চালানো হয়েছিল এবং যারা নিহত হয়েছে— তারা সবাই টিটিপির যোদ্ধা।

তবে আফগানিস্তানে ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার পাল্টা দাবি করেছিল, জঙ্গিঘাঁটি নয়, লোকালয়ে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী। তার পরেই তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিল, “এর বদলা আমরা নেবো।”

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার আফগান সীমান্তবর্তী ডুরান্ড লাইনে অবস্থিত পাক সেনাচৌকিগুলো লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজন সেনাকে হত্যা এবং কয়েকজন সেনাকে অপহরণ করে আফগান সেনারা। তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লা মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় বলেন, “আমাদের সেনারা নাইট ভিশন এবং লেজার নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। এবার তাদের (পাকিস্তানি সেনাবাহিনী) আমরা নরকে পাঠাব।”

সীমান্ত এলকায় হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করেছে পাকিস্তান।

সূত্র : ডন, এনডিটিভি
 




বাংলাদেশে ভ্রমণে ‘উচ্চমাত্রার সতর্কতা’ কানাডার

বাংলাদেশে ভ্রমণে ‘উচ্চমাত্রার সতর্কতা’ কানাডার
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ করেছে কানাডা সরকার। নতুন সতর্কবার্তায় বাংলাদেশকে এখনও ‘উচ্চমাত্রার সতর্কতা অবলম্বন’ পর্যায়ে রেখেছে দেশটি। তবে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষেত্রে আরও কঠোর অবস্থান নিয়ে সেখানে ‘সব ধরনের ভ্রমণ এড়িয়ে চলা’ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কানাডা সরকারের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে গত সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত হালনাগাদ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিচারিক কার্যক্রম ও রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যেকোনও সময় বিক্ষোভ, সংঘর্ষ ও জনঅস্থিরতা তৈরি হতে পারে। এসব পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে যান চলাচল ব্যাহত হওয়া, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং সহিংসতার মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলেও সতর্ক করেছে কানাডা সরকার।

এ কারণে বাংলাদেশে অবস্থানরত বা সফররত কানাডীয় নাগরিকদের বড় ধরনের জমায়েত ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার পাশাপাশি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে সতর্কবার্তায় আরও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতা, অপহরণ ও সংঘর্ষের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে সব ধরনের ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে কানাডা সরকার।

বাংলাদেশ নিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বরে দুই দফা ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছিল কানাডা সরকার। সর্বশেষ হালনাগাদের মাধ্যমে সেই সতর্কতা বহাল রাখা হয়েছে।




কলম্বিয়ায় ভূমিকম্প : মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫০

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্প : মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫০
ছবি সংগৃহীত।

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ায় গত কাল মঙ্গলবার ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর বিভিন্ন ভবনের ধ্বংস্তূপ থেকে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ২৫০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ ধ্বংস্তূপের তলায় এখনও বহু মানুষ চাপা পড়ে আছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। তবে অপর একটি সূত্রে জানা গেছে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত) মোট ২৫৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে। নিহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি পশ্চিমাঞ্চলীয় পার্বত্য শহর পেরেইরাতে— ১০১ জন। তার পরে দ্বিতীয় স্থানে আছে দেশটির অন্যতম বৃহৎ শহর কালি।

গত কাল সোমবার কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী বোগোটা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমারে, ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ২১টি আফটারশক অনুভূত হয়েছে বলেও বলা হয়েছে ইউএসজিএসের বিবৃতিতে।

গত শুক্রবার কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট অ্যাবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েল্লা শপথ নিয়েছেন। তার শপথ গ্রহণের মাত্র তিন দিনের মাথায় হলো এ ভূমিকম্প। প্রেসিডেন্ট অ্যাবেলার্দো অবশ্য ইতোমধ্যে ভূমিকম্পে সবচেয়ে বিধ্বস্ত চোকো প্রদেশ সফর করেছেন। ভূমিকম্প দুর্গতদের জন্য ১ হাজার ৮০ কোটি ডলারেরও বেশি সহায়তা বাজেটও ঘোষণা করেছেন তিনি।

কলম্বিয়া কফি উৎপাদনের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম কফি উৎপাদনকারী দেশ। ভূমিকম্পের পর  উদ্ধারকাজে সরকারি দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি দেশটির কফি উৎপাদনকারীদের জাতীয় সংস্থা ন্যাশনাল কফি ফেডারেশনের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীও এগিয়ে এসেছে।

রোসা গঞ্জালেস নামের এক নারী রয়টার্সকে জানান, তিনি তার স্বামী ও ১০ মাসের শিশুসন্তানসহ পেরেইরা শহরে ঘুরতে গিয়েছিলেন। ভূমিকম্পে নিতান্তই সৌভাগ্যের কারণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি।

“আমরা যে গেস্ট হাউসে ছিলাম, সোমবার সকালে হঠাৎ গোটা গেস্ট হাউস দুলতে শুরু করল এবং আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেখান থেকে বের হয়ে আসি। আমরা গেস্ট হাউস থেকে বের হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে সেটি ধসে পড়ে।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনফ্লুয়েন্সার জোসে গাল্লেগো ভূমিকম্পের সময় পেরেইরা ছিলেন এবং এ ঘটনার লাইভ ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন। রয়টার্সকে তিনি বলেন, “লাইভ ভিডিওর জন্য আমি পায়ে হেঁটে পেরেইরা শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে গিয়েছি। আমি দেখেছি যে বহু মানুষ আহত হয়েছে, তাদের শরীর থেকে রক্ত ঝরছে, তারা ব্যাথায়-আতঙ্কে আর্তনাদ করছে এবং পরিবারের সদস্যদের খুঁজছে।”  

ভূমিকম্পে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে যাওয়ায় হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে দিন-রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন।

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত অপর শহর কালিতে গিয়ে দেখা গেছে, বাড়িঘর ভেঙে পড়ায় বাস্তুহারা হওয়া অনেকেই সড়কে থাকছেন, রান্না করছেন এবং ধ্বংসস্তূপে মূল্যবান জিনিসপত্রের সন্ধান করছেন।

কলম্বিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম এ শহর প্রশাসনের স্বাস্থ্য সচিব গেরমান এস্কোবার জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের শহরের প্রধান মর্গ লাশে পূর্ণ হয়ে গেছে।




মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, হাজার হাজার ভিসা বাতিল

মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, হাজার হাজার ভিসা বাতিল
ছবি সংগৃহীত।

হাজার হাজার ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ব্যাপকভাবে অভিবাসন দমন অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আওতায় হাজার হাজার মানুষের ভ্রমণ ও অভিবাসন সুবিধা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় এক লাখ ৭৫ হাজার ভিসা বাতিলের কথা জানিয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিসা লঙ্ঘন, জালিয়াতি, সহিংসতার আহ্বান এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অন্যান্য হুমকির পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সংঘর্ষের কারণেই বেশিরভাগ ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যাপকহারে ভিসা বাতিল গত বছর ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর শুরু হওয়া অভিবাসন দমন অভিযানেরই প্রতিফলন। এর মাধ্যমে বৈধ ভিসাধারীসহ নজিরবিহীন সংখ্যক মানুষকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ধারাবাহিক যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের ফলস্বরূপ এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো, ভিসাধারীরা যাতে তাঁদের ভিসার শর্তাবলি মেনে চলেন এবং আমেরিকানদের বিপদে ফেলেন না, সেটি নিশ্চিত করা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলা, মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ ভিসা বাতিলের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল।

এতে আরও বলা হয়েছে, উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত একটি মার্কিন দূতাবাস ‘বার্থ ট্যুরিজমের’ জন্য ১০০ জনেরও বেশি দম্পতির ভিসা বাতিল করেছে। তারা মূলত সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন, যাতে তাঁদের সন্তানরা মার্কিন নাগরিকত্ব পায়।

মন্ত্রণালয় বলেছে, মার্কিন নিরাপত্তা বা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এমন বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত ও তদন্ত অব্যাহত রাখবে ট্রাম্প প্রশাসন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, মার্কিন ভিসা একটি বিশেষ সুবিধা, কোনো অধিকার নয়। যারা এই সুবিধার অপব্যবহার করবে, তাদের ভিসা বাতিল করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে গত জানুয়ারিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তারা এক লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে। ওই সময় এটি একটি রেকর্ড ছিল।

সূত্র : আল জাজিরা