আলীকদমে বন্যাদুর্গত পরিবারের পাশে মরহুম আলহাজ্ব খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন

আলীকদমে বন্যাদুর্গত পরিবারের পাশে মরহুম আলহাজ্ব খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন

আলীকদমে বন্যাদুর্গত পরিবারের পাশে মরহুম আলহাজ্ব খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন
ছবি সংগৃহীত।

​সাম্প্রতিক টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে মরহুম আলহাজ্ব খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও জরুরি ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

​সম্প্রতি আয়োজিত এ মানবিক কর্মসূচিতে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায়, নিম্নআয়ের ও কর্মহীন হয়ে পড়া পরিবারের হাতে চাল, ডাল, সয়াবিন তেল, আলু, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।শুক্রবার (১৭জুলাই)সকাল থেকে ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা সুশৃঙ্খলভাবে উপকারভোগীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সমাজসেবক ও ফাউন্ডেশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

​এলাকাবাসীর মতে, আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবং মরহুম আলহাজ্ব খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত ও ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায়, দরিদ্র ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। বন্যা, শীত, অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্যোগে খাদ্য সহায়তা, আর্থিক সহযোগিতা এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

​ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ মিয়া বলেন, “সাম্প্রতিক বন্যায় আলীকদমের বহু পরিবার বসতঘর, ফসল ও জীবিকার উৎস হারিয়ে চরম দুর্যোগে পড়েছে। তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করার লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ। মরহুম আলহাজ্ব খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান আজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তাঁর আদর্শ ও মানবসেবার চেতনাকে ধারণ করেই আমরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।”

​তিনি আরও বলেন, “মানবিক সংকট মোকাবিলায় শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, সমাজের সকল বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমানো সম্ভব। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগে আলীকদমের মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”

​ত্রাণসামগ্রী পেয়ে উপকারভোগীরা ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, বন্যার কারণে অনেক পরিবার এখনও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি। এমন সময়ে খাদ্যসামগ্রীর এই সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।
​ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কল্যাণ এবং সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রমও ভবিষ্যতে ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।

​স্থানীয় সচেতন মহল এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সরকারি সহায়তার পাশাপাশি ব্যক্তি ও সামাজিক উদ্যোগে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা সমাজের অন্যান্য বিত্তবান ব্যক্তি ও সংগঠনকেও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।