এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন

এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার
ছবি সংগৃহীত।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ সেমিনারে এআই বিষয়ক বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ১০০১ বিজনেস ক্লাবের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং নিউ এরা সফটওয়্যারস-এর সিওও সৈয়দ আশরাফ-উস-সালেহীন।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবসা পরিচালনা, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা (এইচআরএম) এবং কর্মসংস্থানের ধরণে ব্যাপক পরিবর্তন আনছে। তিনি দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারে এআই-এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অ্যাডজাঙ্কট প্রফেসর ড. মো. ওয়াহিদুল হক।

তিনি বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষার্থীদের নতুন দক্ষতা অর্জন এবং মানসিক প্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরি।
সেমিনারে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তি, কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ এবং দক্ষতা উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বাস্তবধর্মী ধারণা লাভ করেন।

বক্তারা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও সচেতনতার ওপর জোর দেন।

সেমিনারের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ফ্যাকাল্টির চেয়ারম্যান তাওসীফ আহমেদ।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার রাজিদুল হক, সহকারী পরিচালক (পিআর অ্যান্ড মিডিয়া) ইমাম খাইর, সহকারী রেজিস্ট্রার সেলিম জাহাঙ্গীর, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ফ্যাকাল্টির সহকারী অধ্যাপক আদিতা বড়ুয়া, প্রভাষক ফারাহ সিদ্দিক, মাসুম বিল্লাহসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক সেমিনারে অংশগ্রহণের ফলে শিক্ষার্থীরা অজানা অনেক তথ্য জানতে পেরেছে। সমৃদ্ধ হয়েছে তাদের জ্ঞানের জগত। এজন্য আয়োজক, আলোচক ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট অংশগ্রহণকারীরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।