এলপিজির সংকট কাটাতে বিপিসির তোড়জোড়, ৭ দেশের ৯ প্রতিষ্ঠানকে চিঠি
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন

এলপিজির সংকট কাটাতে বিপিসির তোড়জোড়, ৭ দেশের ৯ প্রতিষ্ঠানকে চিঠি

এলপিজির সংকট কাটাতে বিপিসির তোড়জোড়, ৭ দেশের ৯ প্রতিষ্ঠানকে চিঠি
ছবি সংগৃহীত।

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) তীব্র সংকট ও বাজার অস্থিতিশীলতার মধ্যে আমদানির তোড়জোড় শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আমদানির উৎস নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে সাতটি দেশের ৯টি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ২১ জানুয়ারি বিপিসির ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য ও অপারেশন) মণিলাল দাশ স্বাক্ষরিত এই চিঠি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হয়।

সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় রয়েছে সিঙ্গাপুরের পেট্রোচায়না ও পিটিটি ইন্টারন্যাশনাল, মালয়েশিয়ার পিটিএলসিএল, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি-জাপিন, কুয়েতের কেপিসি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইনোক, থাইল্যান্ডের ওকিউ ট্রেডিং এবং ভারতের ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন (আইওসিএল)।

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি) এসব এলপিজি আমদানি করা হবে। প্রাথমিকভাবে আমদানির উৎস নিশ্চিত হওয়ার পর আগ্রহীদের কাছ থেকে কোটেশন চাওয়া হবে। আমদানিকৃত এই গ্যাস বেসরকারি এলপিজি অপারেটরদের মাধ্যমে সরবরাহ করা হবে। তবে বিপিসি সরাসরি বোতলজাতকরণ কার্যক্রমে অংশ নেবে না।

বিপিসির ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক মণিলাল দাশ জানান, এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে ভোক্তা পর্যায়ে দাম যেন সাশ্রয়ী হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “কোটেশন নেওয়ার পর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে আলাপ করে দর নির্ধারণ করা হবে।”

বিপিসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুই ধরনের পার্সেলে এই গ্যাস আমদানি করা হবে। প্রথম ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের রিসিভিং টার্মিনালে ৫-১০ হাজার মেট্রিক টনের পার্সেল খালাস করা হবে। দ্বিতীয় বিকল্পে প্রতি মাসে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস লাইটারেজ জাহাজের মাধ্যমে খালাস করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, লোহিত সাগরে অস্থিরতা এবং ঋণপত্র (এলসি) জটিলতায় গত ডিসেম্বর থেকে দেশে এলপিজির তীব্র সরবরাহ ঘাটতি দেখা দেয়। এর সুযোগে সিন্ডিকেট কারসাজির মাধ্যমে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত দরের চেয়ে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি আদায়ের অভিযোগ ওঠে। এই অরাজকতা নিয়ন্ত্রণে গত ২০ জানুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বিপিসিকে তিন শর্তে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেয়।




চাকরি যাচ্ছে বিপ্লব কুমারসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার, শিগগিরই প্রজ্ঞাপন

চাকরি যাচ্ছে বিপ্লব কুমারসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার, শিগগিরই প্রজ্ঞাপন
ছবি সংগৃহীত।

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বরখাস্ত হতে যাওয়া পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা হলেন— বিপ্লব কুমার সরকার, মো. গোলাম রুহানী, সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রাজন কুমার দাস ও মো. ইকবাল হোসাইন।

সংশ্লিষ্ট নথির তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ কর্মকর্তার মধ্যে ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার সাময়িক বরখাস্ত হয়ে বরিশালে রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত রয়েছেন। মো. গোলাম রুহানী (সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই) বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত ও পলাতক। সুদীপ কুমার চক্রবর্তী সাময়িক বরখাস্ত হয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত রয়েছেন। রাজন কুমার দাস সাময়িক বরখাস্ত ও পলাতক। মো. ইকবাল হোসাইন সাময়িক বরখাস্ত হয়ে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত রয়েছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকা এবং পলায়নের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার গুরুদণ্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।




২৭ আগস্ট বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

২৭ আগস্ট বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন
ছবি সংগৃহীত।

আগামী ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-১-এর পরিচালক মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি আগামী ২৭ আগস্ট বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন। এটি চলতি সংসদের তৃতীয় অধিবেশন হতে যাচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রপতি বলেছেন, "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আমি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, হাফিজ উদ্দিন আহমদ ২৭ আগস্ট বিকেল ৩টায় ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় (২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩য়) অধিবেশন আহ্বান করছি।’’




অতীতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা

অতীতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা
ছবি সংগৃহীত।

অতীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও একটি নির্দিষ্ট সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নে জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া ব্রিফিং এবং সরকারের প্রকাশ্য বক্তব্য থেকে বাংলাদেশ বিষয়টি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে ভারতের কাছে উপস্থাপন করেছে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের দিক থেকে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন তথ্য উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তার বক্তব্যের পর বাংলাদেশের দেওয়া বিবৃতিতেও বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছিল।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে ওই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই– এমন বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও বাংলাদেশের দৃষ্টিতে বিষয়টির সঙ্গে ভারতের কোনো না কোনো পর্যায়ের সংশ্লিষ্টতা বা সমর্থনের প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সরকারের সঙ্গে নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে হওয়া উচিত। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক নতুনভাবে বিন্যাস বা ‘রিঅ্যালাইনমেন্ট’-এর প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা।