চকরিয়ায় জলবায়ু ন্যায্যতা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবাপ্রাপ্তি বৃদ্ধিতে মতবিনিময়
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন

চকরিয়ায় জলবায়ু ন্যায্যতা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবাপ্রাপ্তি বৃদ্ধিতে মতবিনিময়

চকরিয়ায় জলবায়ু ন্যায্যতা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবাপ্রাপ্তি বৃদ্ধিতে মতবিনিময়
ছবি সংগৃহীত।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সরকারি সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত এবং উপকূলীয় ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধারে চকরিয়ায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় চকরিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে 'ব্লু-ইকোনমি অ্যান্ড ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস' (BID4CJ) প্রকল্পের আওতায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অস্ট্রেলিয়ান এইড ও অক্সফামের সহযোগিতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’ (বিটিএস) এই সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহীন দেলোয়ার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব আদর্শ গ্রাম গড়ে তোলা এবং ইউনিয়ন পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটিগুলোকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় বক্তারা উপকূলীয় ইকোসিস্টেম ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা জানান, এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় সরকারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য একটি টেকসই সেবাপ্রাপ্তির পথ সুগম করা। একইসঙ্গে সরকারি দপ্তর, এনজিও এবং সিভিল সোসাইটির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন মডেল তৈরি করা।

ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান টিটুর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল আমিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানাজ ফেরদৌসী এবং অক্সফাম ইন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর সৈয়দা মাকসুদা জাহান।

অনুষ্ঠানে প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উপস্থাপন করেন বিটিএস প্রজেক্ট ম্যানেজার মিরাজ উদ্দীন তালুকদার এবং স্বাগত বক্তব্য দেন প্রজেক্ট অফিসার মিফতা বিনতে ইউসুফ। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, উন্নয়নকর্মী ও স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।