চিহ্নিত ছিনতাইকারীসহ দাগী অপরাধীচক্রকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

চিহ্নিত ছিনতাইকারীসহ দাগী অপরাধীচক্রকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ

চিহ্নিত ছিনতাইকারীসহ দাগী অপরাধীচক্রকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ
ছবি সংগৃহীত।

মাদক, মানবপাচার, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা পুলিশের আয়োজনে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান।

প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, পুলিশী সেবা নিয়ে জনগণের অভিযোগের কমতি নেই। সব দোষ যেন পুলিশের। এরপরও যে কোন মানুষের প্রয়োজনে আগে পুলিশ গিয়ে দাঁড়ায়।

এসপি বলেন, পুলিশ সদস্যদের কোন অফিস টাইম বলতে নাই। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উৎসব, অনুষ্ঠান, বিনোদন আয়োজনে সঙ্গ দেওয়া সম্ভব হয়না।

তিনি বলেন, কক্সবাজারে যে পরিমাণ জনবল দরকার তা না থাকা সত্বেও নিরলস কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। যে কারণে গেল ৩ মাসে চিহ্নিত ছিনতাইকারীসহ দাগী অপরাধীচক্রকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক (পিআর এন্ড মিডিয়া) ইমাম খাইর এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার বলেন, অবহেলায় বেড়ে উঠা সন্তান আগামী দিনের বড় সন্ত্রাসী। তাই সন্তানদের আচরণ, বিচরণ সম্পর্কে খোঁজখবর রাখতে হবে।

নিজের কর্ম জীবন সম্পর্কে দৃঢ় প্রত্যয় ও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ শব্দ শুনলে অনেকের কাছে খারাপ মনে হয়। সব পুলিশ খারাপ না। ৮০ শতাংশ পুলিশ সদস্য ভালো। তারা ঘুষ খায় না।
পুলিশের চাকুরীজীবনে আমি এক পয়সাও ঘুষ খাইনি। নৈতিক শক্তি ও মনোবল থাকলে সৎভাবে চাকুরী করা সম্ভব।

মোবাইলে একান্ত ব্যক্তিগত ছবি সংরক্ষণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার থেকে শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার আহবান জানান পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান।

যার পেটে মাদকের টাকা ঢুকবে তার সন্তান অথবা প্রিয়জনের যে কাউকে আঘাত করবে, এমন মন্তব্য পুলিশ সুপারের।

মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. বেলাল নূর আজিজী, রেজিস্ট্রার রাজিদুল হক, সদর মডেল থানার ওসি মো. ছমি উদ্দিন, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান মলই সরকারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও জেলা পুলিশের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।