জাতীয়তাবাদী শক্তির সাথে বিরোধ করে ফ্যাসিষ্টকে দেশে আসার সুযোগ করে দেবেন না: নুরুল আমিন

‘জাতীয়তাবাদী শক্তি ও ইসলামী মূল্যবোধের শক্তির দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামের ফসল এই অর্ন্তবর্তীকালিন সরকার। মানুষের ভোটাধিকার, বাক স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে। আমাদের সাথে একত্রিত হয়ে অনেক বিরোধী দল আন্দোলন করেছে। অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে, অনেক ষড়যন্ত্র করেছে, জনগন নির্বাচনের জন্য ঐক্যবদ্ধ। অতীতে যারা আমাদের সাথে গনতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করেছে, আমরা অবাক হয়ে দেখছি তারাই এখন গনতন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছে। বিভিন্ন ইস্যু সৃষ্টি করে গনতন্ত্রকে বানচাল করার আন্দোলন শুরু করেছে। বাংলাদেশে গনতন্ত্রের পথে যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে আপনারা সেই অগ্রযাত্রা রুখে দিতে পারবেন না।’ সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকালে মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া বাজারে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যান। এর আগে পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে নিজ এলাকা ফেরার পথে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের ধুমঘাট এলাকায় নুরুল আমিন চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানিয়েন মোটরশোভাযাত্রা করেন নেতাকর্মীরা।
জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি নেতা নুরুল আমিন বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী শক্তির সাথে বিরোধ করে ৯৬ সালে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় এনেছেন, আবারো জাতীয়তাবাদী শক্তির সাথে বিরোধ করে আওয়ামী ফ্যাসিষ্টকে বাংলাদেশে আবার আসার সুযোগ করে দেবেন না।’
জামায়াত নেতা শাহাজাহান চৌধুরীর বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন,‘ জামায়াত নেতা বলেছেন প্রশাসনকে জামায়াতের কথা উঠবস করতে হবে, পুলিশকে আমাদের কথা শুনতে হবে, শিক্ষকদের আমাদের কথা শুনতে। আওয়ামীলীগও এ ভাষায় কথা বলেনি। এ ভাষায় একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধীরা কথা বলছে। আজকে তাদের কর্মকান্ড আওয়ামী ফ্যাসিস্টের সাথে মিলে যাচ্ছে। আমরা শাহজাহান সাহেবের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই। এক ফ্যাসিস্ট কে বিদায় করে আরেক ফ্যাসিস্টকে রাষ্ট্র ক্ষমতার সুযোগ দিতে পারি না।’
বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক দিদারুল আলম মিয়াজীর সঞ্চালনায় ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, মিরসরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সেলিম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য লায়ন আবু তাহের, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, চট্টগ্রাম জেলা কারা পরিদর্শক ও সাবেক ছাত্রনেতা আমিনুল ইসলাম তৌহিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি নুর হোসেন চেয়ারম্যান, মিরসরাই পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম পারভেজ, সাবেক আহবায়ক মহিউদ্দিন, সাবেক সদস্য সচিব জাহিদ হুসাইন, বিএনপি নেতা সিরাজুল হক, মুসা চেয়ারম্যান, রফিক চেয়ারম্যান, মেজবাউল হক মানিক, শাহিনুল ইসলাম স্বপন, ইমাম হোসেন বাবলু, মাসুকুল আলম সোহান, গোলাম জাকারিয়া, নাজমুল হক সোহাগ, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ জিপসন, মিরসরাই উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামাল উদ্দিন, জোরারগঞ্জ থানা যুবদলের আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক আশরাফ উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহ মো. ফোরকান উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, মিরসরাই পৌর যুবদলের সাবেক আহবায়ক কামরুল হোসেন, যুবদল নেতা মোজাম্মেল হোসেন রানা, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন টিটু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, বারইয়ারহাট পৌরসভা ছাত্রদলের আহবায়ক ইমরান হোসেন, সদস্য সচিব মোহন দে, মিরসরাই পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব ইনজামামুল হক ইমন, বারইয়ারহাট কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বাদশা, ছাত্রদল নেতা নাঈম সরকার।












