নাইক্ষ্যংছড়িতে দোছড়ি সীমান্ত জনপদের ইউনিয়ন পরিষদের টোল-ট্যাক্স ডাক নিয়ে লুকোচুরি, ফোন ধরেন না চেয়ারম্যান
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন

নাইক্ষ্যংছড়িতে দোছড়ি সীমান্ত জনপদের ইউনিয়ন পরিষদের টোল-ট্যাক্স ডাক নিয়ে লুকোচুরি, ফোন ধরেন না চেয়ারম্যান

নাইক্ষ্যংছড়িতে দোছড়ি সীমান্ত জনপদের ইউনিয়ন পরিষদের টোল-ট্যাক্স ডাক নিয়ে লুকোচুরি, ফোন ধরেন না চেয়ারম্যান
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) টোল-ট্যাক্স ইজারা ডাক নিয়ে লুকোচুরির মধ্য দিয়ে নিলাম সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। অনিয়মের খবর পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেননি, পরবর্তীতে তাঁর ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযোগ উঠেছে, সোমবার (১৮ মে) দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় উৎপাদিত পণ্য থেকে টোল-ট্যাক্স আদায়ে ইজারাদারদের কাছ থেকে এই ডাক আহ্বান করা হয়। এতে পর্যাপ্তসংখ্যক নিলাম ডাককারী অংশ নেননি। স্থানীয়দের দাবি, প্রত্যন্ত এই ইউনিয়নে মোবাইল নেটওয়ার্ক বা টাওয়ার না থাকায় এবং পর্যাপ্ত প্রচার না হওয়ায় অনেকেই নিলামের বিষয়টি জানতে পারেননি। পাশাপাশি অন্যান্য এলাকার ব্যবসায়ীদেরও এই নিলামে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। অনেকটা ঘরোয়া পরিবেশে মিলেমিশে এই ডাক সম্পন্ন করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইমরান।

দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রশিদ আহমদ জানান, তিনি এই ডাকে যাননি। তাই বিস্তারিত কিছু বলতে পারছেন না।

অপর অংশের বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আমিন মেম্বার জানান, তাঁরাও এই ডাকে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু গতবারের চেয়ে এবার তিন গুণ বেশি মূল্যে ইজারা নিয়ে নিয়েছেন কতিপয় ব্যক্তি, যাতে তিনি হতবাক হয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, মিয়ানমার সীমান্তের এই ইজারা ডাক একদল চোরাকারবারি তিন থেকে চার গুণ বেশি টাকায় ডেকে নিয়েছে। গত অর্থবছরে এই ডাক ছিল ৯ লাখ টাকা। এবার ভ্যাটসহ তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩২ লাখ টাকায়। স্থানীয়দের ধারণা, মিয়ানমারের চোরাই পণ্য থেকে টাকা আদায় করে লাভবান হতেই ডাককারীরা এমনটি করেছে। এর ফলে চোরাকারবারিরা উৎসাহিত হবে এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) চোরাচালানবিরোধী অভিযান ব্যাহত হতে পারে। কারণ, ইজারাদারেরা ইউনিয়ন পরিষদের রশিদ ব্যবহার করে দুদেশের চোরাই পণ্য পারাপার করার সুযোগ পেয়ে যাবে, যা দেশের জন্য চরম ক্ষতিকর।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এনামুল হাসানের সাথে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

তবে এই ইজারা ডাক অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকা নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইনামুল হক বলেন, বহুল প্রচারের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে কিনা তা তিনি জানেন না। তবে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যেই ডাক সম্পন্ন হয়েছে। এই ডাকে দুিট স্পট দেখানো হয়েছে—একটি দোছড়ি, অপরটি চিকনছড়ি। দোছড়ি খালের ডাক ভ্যাট ছাড়া ২০ লাখ টাকা এবং চিকনছড়ি খালের ডাক ৯ লাখ টাকা।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইমরান শুধু ইউনিয়ন পরিষদের উৎপাদিত পণ্যের ট্যাক্স আদায়ের চিন্তা না করে প্রকারান্তরে চোরাকারবারিদের উৎসাহিত করেছেন। পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী পত্রিকায় কোনো বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়নি। এছাড়া ইউনিয়নের বাইরের প্রকৃত ব্যবসায়ীদের এই ডাকে অংশ নেওয়ার সুযোগ না দিয়ে সরকারের আর্থিক ক্ষতি এবং আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। অথচ অতীতে এই ধরনের ইজারা ডাকে দেশের যেকোনো নাগরিক অংশ নিতে পারতেন এবং এখনো দেশের সর্বত্র এই নিয়মই চলমান রয়েছে।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।