নাইক্ষ্যংছড়িতে ৩ সন্তানের জনক কর্তৃক ২ সন্তানের জননী অপহৃত: ১২ ঘণ্টায় উদ্ধার, আটক ২
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন

নাইক্ষ্যংছড়িতে ৩ সন্তানের জনক কর্তৃক ২ সন্তানের জননী অপহৃত: ১২ ঘণ্টায় উদ্ধার, আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়িতে ৩ সন্তানের জনক কর্তৃক ২ সন্তানের জননী অপহৃত: ১২ ঘণ্টায় উদ্ধার, আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে চাঞ্চল্যকর নিখোঁজ গৃহবধূকে অপহরণের ১২ ঘণ্টার মধ্যে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাচারচক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৫।

র‌্যাব-১৫ সূত্র জানায়, তারা কক্সবাজারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানা হতে নিখোঁজ হওয়া এক গৃহবধূকে (২৩) একটি চক্র অপহরণ করে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোনের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। অভিযোগ পেয়ে তারা অপহরণকারী চক্রের প্রধানের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করেন এবং অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।

অপহৃত গৃহবধূর স্বামী পক্ষ জানায়, গত ৭ মে ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে গৃহবধূ নাইক্ষ্যংছড়ি সদর থেকে অপহৃত হন। পরে তারা র‌্যাব-১৫-কে অবহিত করেন। এরই ভিত্তিতে তারা কক্সবাজার সদর থানাধীন কলাতলী সংলগ্ন 'হাইপ্রিয়ান সীপাল' আবাসিক হোটেলের ৬/সি নম্বর রুমে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নিখোঁজ ভিকটিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ২ জন অপহরণকারীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পাচারকাজে ব্যবহৃত ১টি নোহা মাইক্রোবাস (রেজি. নং- ঢাকা মেট্রো-চ-১৪-৫৩২৩) জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলো: ১. শামসুল আলম (৩৩), পিতা- ছুরত আলম, সাং- দক্ষিণ ফাক্রিকটা (৫নং ওয়ার্ড), ইউনিয়ন- কচ্ছপিয়া, থানা- রামু, জেলা- কক্সবাজার। সে ৩ সন্তানের জনক ও সিএনজি চালক। সে ওই গৃহবধূকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে নিয়মিত হোটেলে নিয়ে যেত। পাশাপাশি সে তার বাড়িতে থাকা স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করত বলে স্থানীয় সূত্রগুলোর অভিযোগ।
২. ড্রাইভার শাহ আলম (৩৪), পিতা- মমতাজ আহমেদ, সাং- ঘাটপাড়া খুরুলিয়া (০৮নং ওয়ার্ড), ইউনিয়ন- ঝিলংজা, থানা- কক্সবাজার সদর, জেলা- কক্সবাজার।

র‌্যাব-১৫ সূত্র আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা এলাকায় প্রভাবশালী ও ধূর্ত প্রকৃতির লোক হিসেবে পরিচিত। তারা দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ ও অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। বিশেষ করে চালক শাহ আলমের মাইক্রোবাসটি ব্যবহার করে তারা দুর্গম এলাকা থেকে ভিকটিমদের কৌশলে অপহরণ করে পর্যটন এলাকায় নিয়ে আসত। সাধারণ জনগণের নিকট তারা ভদ্রবেশী হলেও পর্দার আড়ালে তারা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সক্রিয় সদস্য, যারা মূলত অসহায় নারী ও তরুণীদের টার্গেট করে পাচার বা অনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করত। তাদের এহেন কর্মকাণ্ডে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছিল।

উল্লেখ্য যে, ২ সন্তানের জননী ভিকটিম আকলিমা আক্তার মুনি (৩০)-এর স্বামীর নাম ওসমান গনি বাপ্পি। ভিকটিমের পিতার নাম মোহাম্মদ ছিদ্দিক ও মাতা মিনু আরা বেগম। পিতার বাড়ির ঠিকানা: সাং- বাগানঘোনা, ০২নং ওয়ার্ড, ০১নং নাইক্ষ্যংছড়ি সদর। সে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ইতিপূর্বে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল।

অভিযোগ প্রাপ্তির মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে এই শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে গৃহবধূকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব। উদ্ধারকৃত ভিকটিম এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে জব্দকৃত আলামতসহ কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। জনস্বার্থে র‌্যাব-১৫-এর এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরে আসামিদের নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় সোপর্দ করা হয়।

থানায় মামলা করেন অপহৃত গৃহবধূ মুনি (৩০)। মামলার পর আসামিদের বান্দরবান আদালতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি (তদন্ত) মুহাম্মদ আকরাম উল্লাহ।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।