নাইক্ষ্যংছড়ির সবজি ব্যবসায়ী শামশু সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামে নিহত
দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে সবজি ভর্তি ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল নাইক্ষ্যংছড়ির সবজি ব্যবসায়ী শামসুল আলম শামশুর। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ জন।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ভোর আনুমানিক চারটার দিকে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাট পৌরসভার চিনকি আস্তানা এলাকার ঢাকাগামী লেনে।
এ ঘটনায় নিহতের নাম শামসুল আলম (৪৫)। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নের চিকনছড়ি গ্রামের ব্যবসায়ী ফুরকান আহমদের ছেলে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ট্রাকটির চালক ও তাঁর সহকারী। আহতরা হলো—ট্রাকচালক রবিউল হোসেন (৩৩) ও তাঁর সহকারী এমরান হোসেন (১৭)। তাঁদের বাড়ি বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায়।
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্র জানায়, ভোরে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সবজিবাহী ট্রাকটি সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকটির কেবিনে আটকে পড়েন চালক, সহকারী ও সবজি ব্যবসায়ী শামসুল আলম।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে মস্তাননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে ঘটনাস্থলেই শামসুল আলমের মৃত্যু হয়।
বারইয়ারহাট ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ জয়নাল আবেদীন তিতাস জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কেবিনে আটকে পড়া চালক ও সহকারীকে উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক বোরহান উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনায় পতিত দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চালকের তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব বা ঘুমের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহত শামসুল আলমের পিতা ফুরকান আহমদ জানান, নিহত যুবক তাঁর বড় ছেলে। তাঁর ২ টি ফুটফুটে কন্যা সন্তান রয়েছে। তিনি একজন কর্মঠ সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, উক্ত ব্যবসায়ীর মৃত্যুতে পুরো নাইক্ষ্যংছড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।











