নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়ি ও ঘুমধুমে ইয়াবা কারবারিরা কৌশলী, প্রতিরোধে বিজিবি তৎপর
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন

নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়ি ও ঘুমধুমে ইয়াবা কারবারিরা কৌশলী, প্রতিরোধে বিজিবি তৎপর

নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়ি ও ঘুমধুমে ইয়াবা কারবারিরা কৌশলী, প্রতিরোধে বিজিবি তৎপর
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তজুড়ে বসেছে ইয়াবার হাট। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তৎপর হলেও পাচারকারীরা নিত্যনতুন কৌশলে তাদের পাচার বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে ধ্বংস হচ্ছে দেশ, নষ্ট হচ্ছে যুবসমাজ। গত কয়েক দিন ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।

তথ্যমতে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলাটি মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের অন্যতম ভূ-সীমান্তবর্তী এলাকা। এই উপজেলার পাশেই রয়েছে দেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার। দেশি-বিদেশি পর্যটক ও দেশের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিয়মিত এই রুটে যাতায়াত করেন। অতীতে প্রভাবশালী অনেকের গাড়িবহরে ইয়াবা পাচার করার গুঞ্জন রয়েছে। বর্তমানেও প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় এই ইয়াবা কারবার চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এমনই এক ঘটনা ঘটেছে গত বুধবার (১৩ মে)। ওই দিন এক মোটরসাইকেল চালকের বাড়ি থেকে ১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় সীমান্তের রামু থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৪ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির ওপর নজরদারি রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামু থানার গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই মোহাম্মদ জুয়েল। তিনি বলেন, "সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা) নীতি ঘোষণা করেছে। এই বিষয়ে কারও ছাড় নেই।"

এদিকে যে ৪ জনের নামে মামলা হয়েছে, তারা সবাই ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে। এমনকি তাদের কয়েকজন সম্প্রতি সরকারি দলের নেতাদের ফুলের তোড়া দিয়ে বরণও করে নেন। তাদেরই একজন সোহেল, যার বাড়ি থেকে ১ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ।

অপরদিকে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়িতে সম্প্রতি একটি সভায় ১১ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. ফয়েজুল কবির বলেছেন, তিনি মাদক ও চোরাচালান বন্ধ করতে প্রাণান্ত চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এই অপকর্মে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের নিয়ন্ত্রণের কারণেই মূলত মাদক কারবারিরা পার পেয়ে যাচ্ছে। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক বলেন, "বর্তমান সরকার চাঁদাবাজ, মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এই নির্দেশ পালনে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা-পুলিশ অত্যন্ত তৎপর।"

এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি দক্ষিণ সীমান্তে দায়িত্বরত ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. খাইরুল আলম বলেন, "আমরা মাদক কারবারি ও চোরাচালানিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছি। এই কারণেই কোটি কোটি টাকার মাদক জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে।" এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবারও বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে ৩৪ বিজিবির জোয়ানরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সীমান্তের ১০টি চোরাচালান পয়েন্টের ওপারে এবং এপারে রুদ্ধদ্বারভাবে বসে ইয়াবা ট্যাবলেট বেচা-কেনার হাট। কারবারিদের পাহাড়ায় ওপারে দিনের বেলা এবং এপারে রাতের আঁধারে সক্রিয় থাকে সিন্ডিকেট। এসব মাদক পাচারকারী যুবকদের হাতে থাকে মরণাস্ত্র। কোথাও বাধাগ্রস্ত হলেই তারা অস্ত্র ব্যবহার করতে দ্বিধাবোধ করে না।

সীমান্তবর্তী রামু কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই প্রতিবেদককে বলেন, তার এলাকায় প্রতি রাতে গুলির শব্দ শুনতে পাওয়া যায়।

অপরদিকে সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা আবদুর রহমান, উচাচিং মার্মা ও কমল তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, বর্তমানে সোনাইছড়িতে গভীর রাতে মাদকের হাট বসে। মিয়ানমার থেকে ইয়াবা, বিদেশি মদ ও অন্যান্য চোরাই পণ্য মূলত ৪টি পয়েন্ট দিয়ে এপারে আসে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সচেতন ব্যক্তি জানান, সোনাইছড়ি সীমান্তে মাদক পাচারের সাথে জড়িত গডফাদারদের মধ্যে জেজে মার্মা ও লাটুচি মার্মা অন্যতম। এ ছাড়া ঘুমধুমে আরও ৩০ জন, কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে ৪৭ জন এবং গর্জনিয়ায় ৩৪ জন সক্রিয় কারবারি রয়েছে। আর তাদের সহায়তাকারী ও বহনকারী শ্রমিক রয়েছে কয়েক হাজার।

(চলবে... আসছে দ্বিতীয় পর্ব)




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।