পটিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, আহত ৩
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন

পটিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, আহত ৩

পটিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, আহত ৩
ছবি সংগৃহীত।

চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে চট্টগ্রামের পটিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চাকরিচ্যুত ব্যাংকাররা।  এ সময় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পটিয়া মডেল মসজিদের সামনে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। পরে তাঁরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল ব্যাহত হয়। সড়কের দুই পাশে আটকা পড়ে বেশ কিছু যানবাহন। সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট, দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

আন্দোলনকারীরা জানান, চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এর ধারাবাহিকতায় আন্দোলনকারীদের ওপর কয়েক দফা হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এসব ঘটনার প্রতিবাদ এবং চাকরিচ্যুতদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে এবার মহাসড়ক অবরোধের কর্মসূচি দেওয়া হয়।

কর্মসূচির একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তি হয়। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা। তবে পুলিশের দাবি, ঘটনাটি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে।

দীর্ঘ প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরোধের পর দুপুর আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে যান পটিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান। আধাঘন্টা উভয় পক্ষের আলোচনা শেষে তিনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের দাবি ও পরিস্থিতির বিষয়টি আগামী বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় উপস্থাপনের আশ্বাস দেন। এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।

ইউএনও ফারহানুর রহমান বলেন, “আশা করি, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান আসবে। প্রশাসনের আশ্বাসের পর আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। পরে তাঁরা ধীরে ধীরে মহাসড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আন্দোলনকারী আশরাফুল আলম তৌকির বলেন, চাকরিতে পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। দাবি আদায় না হলে রাজপথেই প্রাণ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। দাবি মেনে নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তিনি।

পরে আন্দোলনকারীরা আলটিমেটাম দিয়ে জানান, আগামী বুধবারের মধ্যে ইতিবাচক সমাধান না এলে এবং তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে বৃহস্পতিবার থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধসহ আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।




সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে ইকবাল হায়দারের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল

সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে ইকবাল হায়দারের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল
সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে বিশাল মিছিলের নেতৃত্বে ইকবাল হায়দার চৌধুরী

দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিএনপির চার সংসদ সদস্যের উদ্যোগে সারা দেশে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আয়োজিত বিশাল প্রতিবাদ সভা ও গণমিছিলে বড় একটি মিছিল নিয়ে উপস্থিত হন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও বৈরাগ ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হায়দার চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার এ. জে. চৌধুরী কলেজ মাঠে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আওতাধীন দলীয় সংসদ সদস্যবৃন্দের উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম এমপির সভাপতিত্বে ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় মিছিল-পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন প্রমুখ। এতে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আওতাধীন বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ইকবাল হায়দারের নেতৃত্বে হলুদ টুপি পরিহিত এই মিছিল সমাবেশে উপস্থিত সবার দৃষ্টি কাড়ে।

মিছিল ও সমাবেশ সম্পর্কে ইকবাল হায়দার চৌধুরী বলেন, "দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদেই আজকের এই সমাবেশ। কোনো মিছিল, পোস্টার বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিএনপিকে শঙ্কিত করা যাবে না। আমরা ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ আছি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।"

তিনি আরও বলেন, "আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নেতাকর্মীদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও স্থানীয় নেতাদের পরামর্শের ভিত্তিতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। যারা নির্বাচনের সময় ধানের শীষের বিরোধিতা করেছে, তাদের এখন চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন নিয়ে চিন্তাভাবনা করা উচিত নয়। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য মোকাবিলা করব।"




উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন

উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন
আনোয়ারায় পুনর্বাসনের দাবিতে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) মালিকানাধীন জমিতে বসবাসকারী মানুষেরা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন; যেখানে প্রায় সাড়ে চার শ পরিবারের নারী-পুরুষ অংশ নেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের মেরিন একাডেমি থেকে শাহাদাতনগর এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা।

সমাবেশে বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী বখতিয়ার খান, মো. হান্নান, মো. মিজাজ, মো. সাগর, মো. বাপ্পু, মো. বাদশা, মো. নাদির, মো. ইউনুস, মো. সিদ্দিকা, মো. সিরাজ, মো. জালাল, মো. আকতার উদ্দিন, আশরাফ উদ্দিন, মো. ইদ্রিস, মো. আফজাল, মো. জাহাঙ্গীর, মো. ইয়াকুব ও মো. মাসুদ প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এসব পরিবার ওই এলাকায় বসবাস করে আসছে। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে হঠাৎ করে উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়ায় পরিবারগুলো অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। এ মুহূর্তে পরিবারের নারী ও শিশুদের নিয়ে আমরা কোথায় যাব, ভেবে পাচ্ছি না। আমরা উচ্ছেদের আগে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি।

তবে এ বিষয়ে চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী বর্ণ হক বলেন, “ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর বিষয়ের কথা আমরা জেনেছি। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে অনেক আগেই এসব জায়গা লিজ দেওয়া হয়েছে। ইজারাদার ইজারাকৃত জায়গায় কাজ করলে আমাদের কিছু করার নেই। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”




দক্ষিণ চট্টগ্রামে কোনো অপশক্তিকে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না —সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে চার সংসদ সদস্য

দক্ষিণ চট্টগ্রামে কোনো অপশক্তিকে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না —সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে চার সংসদ সদস্য
ছবি সংগৃহীত।

২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে জনগণের দ্বারা বিতাড়িত আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা আবারও পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তারা দিবালোকের স্বপ্ন দেখছে। ১৭ বছর লুটপাট করে দেশকে অস্থিতিশীল করে পালিয়ে গিয়ে আবার ক্ষমতার স্বপ্ন দেখছে। তাদের এ স্বপ্ন জিয়ার সৈনিক ও তারেক রহমানের সৈনিকেরা বাস্তবায়ন হতে দেবে না; বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার এ জে চৌধুরী কলেজ মাঠে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির অধীন দলীয় সংসদ সদস্যদের উদ্যোগে দেশব্যাপী সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আয়োজিত বিশাল প্রতিবাদ সভা ও গণমিছিলে সংসদ সদস্যরা এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের সভাপতিত্বে এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় মিছিলপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন প্রমুখ। এতে দক্ষিণ জেলা বিএনপির অধীন বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদেই আজকের এই সমাবেশ। কোনো মিছিল, পোস্টার বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিএনপিকে শঙ্কিত করা যাবে না। আমরা ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ আছি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে বিএনপির মিটিং-মিছিলে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা ছিল। বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক সংগঠন কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাইলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের সমর্থন নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুসংহত করা এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি কাজ করবে। কোনো ষড়যন্ত্র বা ভয়ভীতি দেখিয়ে বিএনপির অগ্রযাত্রা থামানো যাবে না। নেতাকর্মীদের ইস্পাতকঠিন ঐক্য বজায় রেখে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার কর্মসূচি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে।

পটিয়া তথা চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম ও জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রক্তের বিনিময়ে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে আমরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। জনগণ আমাদের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব দিয়েছে। দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, যারা নির্বাচনের সময় ধানের শীষের বিরোধিতা করেছে, তাদের এখন চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন নিয়ে চিন্তাভাবনা করা উচিত নয়। সংসদ সদস্যদের হুমকি-ধমকি দিয়ে লাভ হবে না। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য মোকাবিলা করব।

বক্তব্যে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, ফ্যাসিবাদ ও ধর্মের নামে ব্যবসার বিরুদ্ধে দক্ষিণ চট্টগ্রামের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। বিএনপি হিমালয়ের মতো শক্তিশালী। কোনো অপশক্তি এই ঐক্যকে দুর্বল করতে পারবে না। নিজ নিজ এলাকায় সন্ত্রাস ও অরাজকতা প্রতিরোধে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর দুর্ভোগ কমাতে ছয় লেনের সড়ক নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নেতাকর্মীদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সংসদ সদস্য ও স্থানীয় নেতাদের পরামর্শের ভিত্তিতে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সরওয়ার জামাল নিজাম বলেন, দক্ষিণ চট্টগ্রামকে অতীতে কোনো শক্তি পরাভূত করতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ ও সংসদ সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ। কোনো ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পিত সন্ত্রাস এ অঞ্চলে হতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্র চলছে। যারা সন্ত্রাস ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করা হবে। নেতাকর্মীদের ভয় না পেয়ে সাহসের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সংসদ সদস্যরা তাঁদের পাশে থাকবেন।

সরওয়ার জামাল নিজাম আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যারা বিরোধী পক্ষকে সমর্থন দিয়েছিল, তাদের ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও জনগণের সমর্থন নিয়ে বিজয় অর্জন সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনেও সব অপচেষ্টা মোকাবিলায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের নেতাকর্মী ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।