প্রকৌশলী নুরুল হত্যা মামলায় মা ও দুই ভাই গ্রেপ্তার
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন

প্রকৌশলী নুরুল হত্যা মামলায় মা ও দুই ভাই গ্রেপ্তার

প্রকৌশলী নুরুল হত্যা মামলায় মা ও দুই ভাই গ্রেপ্তার
ছবি সংগৃহীত।

 

 রাউজান  থানার  প্রকৌশলী  নুরুল  আলম  বকুল  হত্যা  মামলায়  মা    দুই  ভাইকে  গ্রেপ্তারকে  করেছে  ্যাব-৭।  

গ্রেপ্তাররা  হলেনরাউজান  থানার  এয়াছিন  নগর  এলাকার  মোনুরুল  ইসলাম  স্ত্রী  শহিদা  বেগম(৬০), তার  ছেলে  মোনাজিম  উদ্দিন(৩৫  মোদিদারুল  আলম(৩৩)

্যাব-  জানায়প্রকৌশলী  নুরুল  আলম  বকুল   নিজ  নামে  কেনা  জায়গা  নিয়ে  তার  অন্য  ভাইদের  সঙ্গে  বিরোধ  চলে  আসছিল।  বিরোধকে  কেন্দ্র  করে   আপন  ভাইদের  বিরুদ্ধে  আদালতে  একটি  মামলা  করেন।

পরবর্তীতে  মামলাকে  কেন্দ্র  করে  প্রকৌশলী  নুরুলকে  আপন  ভাই  মোনাজিম  উদ্দিন  এবং  পরিবারের  অন্যান্য  সদস্যরা  হত্যার  হুমকি  দিয়ে  আসছিলো।  গত  ৩১  এপ্রিল  পবিত্র  ঈদ-উল-ফিতর  উপলক্ষে  নুরুল  নিজ  বাড়ি  গেলে  বড়  ভাই  মোনাজিম  উদ্দিন  এবং  পরিবারের  অন্যান্য  সদস্যরা  পূর্বপরিকল্পিতভাবে  হত্যার  উদ্দেশ্যে  দেশীয়  ধারালো  অস্ত্রদাকোড়াল  এবং  লোহার  রড  দিয়ে  শরীরের  বিভিন্ন  স্থানে  কুপিয়ে    পিটিয়ে  রক্তাক্ত  এবং  মাথায়  গুরুত্বর  জখম  করে  ঘটনাস্থল  থেকে  পালিয়ে  যায়।  এসময়  নুরুলের  আত্মচিৎকারে  ছোটভাই  রাজু,তার  স্ত্রী  এবং  স্থানীয়  লোকজন  ঘটনাস্থল  থেকে  উদ্ধার  করে  চিকিৎসার  জন্য  চট্টগ্রাম  মেডিক্যাল  হাসপাতালে  নিয়ে  গেলে  কর্তব্যরত  চিকিৎসক  মৃত  ঘোষণা  করেন।  এই  ঘটনার  ছোট  ভাই  মোহাম্মদ  রাজু  আহাম্মদ  বাদী  হয়ে  রাউজান  থানায়    জনকে  আসামি  করে  একটি  মামলা  দায়ের  করেন।  

্যাব-  এর  সিনিয়র  সহকারী  পুলিশ  সুপার    আর  এম  মোজাফ্ফর  হোসেন  জানানপ্রকৌশলী  নুরুল  হত্যা  মামলায়  প্রধান  আসামি  মোনাজিম  উদ্দিন  হাটহাজারী  থানার  চৌধুরী  হাট  এলাকায়  অবস্থান  করছে।  গোপন  সংবাদের  ভিত্তিতে  সোমবার  বিকেল  পাঁচটার  দিকে  অভিযান  চালিয়ে  মোনাজিম  উদ্দিনকে  গ্রেপ্তার  করা  হয়।  পরবর্তীতে  নাজিমের  দেওয়া  তথ্যমতে  একই  থানার  বড়দিঘীরপাড়  বাজার  মোদিদারুল  আলমকে  গ্রেপ্তার  করা  হয়।  সন্ধ্যা  ছয়টার  দিকে  একই  থানার  লালিয়ারহাট  এলাকা  থেকে  শহিদা  বেগমকে  গ্রেপ্তার  করা  হয়েছে।  পরর্বতী  আইনানুগ  ব্যবস্থা  গ্রহণের  জন্য  রাউজান  থানা  পুলিশের  তাদের  হস্তান্তর  করা  হয়েছে।