পার্কভিউ হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সিভিল সার্জনের বাধা ও হুমকি
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন

পার্কভিউ হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সিভিল সার্জনের বাধা ও হুমকি

পার্কভিউ হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সিভিল সার্জনের বাধা ও হুমকি
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামেবেসরকারী হাসপাতাল পার্ক ভিউ হাসপাতালে অনিয়মতদন্তে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে জেলা সিভিলসার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর আলমমোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী জেলা প্রশাসনের নির্বাহীম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আখতারের হোয়াটসঅ্যাপ কলে হুমকি প্রদানও অভিযান পরিচালনায় বাঁধা প্রদানের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ওক্ষোভ প্রকাশ করে এধরণের ঘটনাকে “সর্ষের ভেতর ভুত ” অভিহিতকরে অবিলম্বে এঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলকশাস্তি দাবি করেছেন দেশেরক্রেতা ভোক্তাদের জাতীয় প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্টান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব ) চট্টগ্রাম নেতৃবন্দ।

৮ জুলাই গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে স্বাক্ষরকরেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন , ক্যাব বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহারছাবেরী , ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু , সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু , যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর , দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্বআবদুল মান্নান , যুব ক্যাব মহানগরসভাপতি আবু হানিফ নোমান , পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ চট্টগ্রামের সভাপতি কলামিস্ট মুসা খান , সদস্যসচিব আবু মোশারফ রাসেলও যুগ্ন সদস্য সচিব সাঈদুর রহমানমিন্টু প্রমুখ।

প্রাপ্ততথ্যে জানা যায় , ০৮জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে পার্কভিউহাসপাতালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহীম্যাজিস্ট্রেট ও বাকলিয়া সার্কেলেরসহকারী কমিশনার (ভূমি ) মাসুমা আক্তার কণার নেতৃত্বে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করতে যান সদরসার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি ) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটইমরান মাহমুদ ডালিম ও পরিবেশ অধিদপ্তরেরসহকারী পরিচালক রোমানা আক্তার , সিভিল সার্জনের কর্মকর্তা ডা . শিব্বির আহমেদপ্রিন্স , মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণঅধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং ক্যাবের প্রতিনিধি     আবুহানিফ নোমানসহ অন্যান্যরা। অভিযানকালে পার্কভিউ হাসপাতালের নানান অনিয়ম ধরা পড়ে। টেস্টেরতালিকার মূল্য চার্টে অনেক টেস্টের নামউল্লেখ নেই। টেস্টের মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শিত ছিলো না। যাছোটখাটো ক্যালেন্ডারে ছিলো। হাসপাতালের রোগীদের খাবার প্রস্তুতকরণের জায়গা অর্থাৎ রান্নাঘর অপরিস্কার ও অপরিছন্ন , অস্বাস্থ্য -পরিবেশে রান্নার করার প্রমাণ পাওয়াযায়। রেফ্রিজারেটরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা মাংসও অনিরাপদ খোলা ভোজ্য তেলেরট্যাংক অভিযানকালে ধরা পড়ে। পাশাপাশিবিএসটিআই কর্তৃক অনুমোদনহীন দইয়ের সন্ধান পাওয়া যায়। যা রোগীদেরজন্য সম্পূর্ণ অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ।

অভিযানকালেহঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপ ফোনকলে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা . জাহাঙ্গীর আলমবাকলিয়া সার্কেলের এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেটকেউদ্দেশ্য করে উচ্চস্বরে বলেন , কার পারমিশনে পার্কভিউ হাসপাতালে অ চট্টগ্রামেবেসরকারী হাসপাতাল পার্ক ভিউ হাসপাতালে অনিয়মতদন্তে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে জেলা সিভিলসার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর আলমমোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী জেলা প্রশাসনের নির্বাহীম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আখতারের হোয়াটসঅ্যাপ কলে হুমকি প্রদানও অভিযান পরিচালনায় বাঁধা প্রদানের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ওক্ষোভ প্রকাশ করে এধরণের ঘটনাকে “সর্ষের ভেতর ভুত ” অভিহিতকরে অবিলম্বে এঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলকশাস্তি দাবি করেছেন দেশেরক্রেতা ভোক্তাদের জাতীয় প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্টান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব ) চট্টগ্রাম নেতৃবন্দ।

৮ জুলাই গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে স্বাক্ষরকরেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন , ক্যাব বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহারছাবেরী , ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু , সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু , যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর , দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্বআবদুল মান্নান , যুব ক্যাব মহানগরসভাপতি আবু হানিফ নোমান , পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ চট্টগ্রামের সভাপতি কলামিস্ট মুসা খান , সদস্যসচিব আবু মোশারফ রাসেলও যুগ্ন সদস্য সচিব সাঈদুর রহমানমিন্টু প্রমুখ।

প্রাপ্ততথ্যে জানা যায় , ০৮জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে পার্কভিউহাসপাতালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহীম্যাজিস্ট্রেট ও বাকলিয়া সার্কেলেরসহকারী কমিশনার (ভূমি ) মাসুমা আক্তার কণার নেতৃত্বে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করতে যান সদরসার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি ) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটইমরান মাহমুদ ডালিম ও পরিবেশ অধিদপ্তরেরসহকারী পরিচালক রোমানা আক্তার , সিভিল সার্জনের কর্মকর্তা ডা . শিব্বির আহমেদপ্রিন্স , মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণঅধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং ক্যাবের প্রতিনিধি   আবুহানিফ নোমানসহ অন্যান্যরা। অভিযানকালে পার্কভিউ হাসপাতালের নানান অনিয়ম ধরা পড়ে। টেস্টেরতালিকার মূল্য চার্টে অনেক টেস্টের নামউল্লেখ নেই। টেস্টের মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শিত ছিলো না। যাছোটখাটো ক্যালেন্ডারে ছিলো। হাসপাতালের রোগীদের খাবার প্রস্তুতকরণের জায়গা অর্থাৎ রান্নাঘর অপরিস্কার ও অপরিছন্ন , অস্বাস্থ্য -পরিবেশে রান্নার করার প্রমাণ পাওয়াযায়। রেফ্রিজারেটরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা মাংসও অনিরাপদ খোলা ভোজ্য তেলেরট্যাংক অভিযানকালে ধরা পড়ে। পাশাপাশিবিএসটিআই কর্তৃক অনুমোদনহীন দইয়ের সন্ধান পাওয়া যায়। যা রোগীদেরজন্য সম্পূর্ণ অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ।

অভিযানকালেহঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপ ফোনকলে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা . জাহাঙ্গীর আলমবাকলিয়া সার্কেলের এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেটকেউদ্দেশ্য করে উচ্চস্বরে বলেন , কার পারমিশনে পার্কভিউ হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করছেন। ওইসব দেখার দায়িত্বআমার। কোনো জরিমানা করবেননা। জরিমানা করা হলে আপনারবিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। পাশাপাশি সিভিলসার্জনের প্রতিনিধিকেও তিনি ফোনকলে শাসান।পাশে দাড়িয়ে থাকা ক্যাবের প্রতিনিধিআবু হানিফ নোমান ও সদর সার্কেলেরএসিল্যান্ড এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান মাহমুদ ডালিম ও অন্যান্যরা হতবাকহয়ে পড়েন। উক্ত অনিয়মসমূহ একসপ্তাহের মধ্যে সংশোধনের জন্য অভিযানের নেতৃত্বেথাকা বাকলিয়া সার্কেলের এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেটমাসুমা আক্তারের নিকট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরপক্ষে জিএম তালুকদার জিয়াউররহমান মুচলেকা প্রদান করেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা অত্র হাসপাতালে পরিবেশেরনিয়ম বিঘ্নিত হওয়ায় শোকজ নোটিশ প্রদানকরেন। ক্যাবের প্রতিনিধি আবু হানিফ নোমানজানান , মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোনকলে সিভিল সার্জনের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণনিন্দনীয়। একজন সরকারি কর্মকর্তাহয়ে সরকারি কাজে বাধা প্রদানকরা যা সরকারি আচরণবিধিনিয়মানুযায়ী চরমভাবে লঙ্ঘন করে। রাষ্ট্রীয় কাজেচট্টগ্রাম সিভিল সার্জনের এহেন নিন্দনীয় ওগর্হিত ভূমিকা এবং হস্তক্ষেপের প্রতিতিনি নিন্দা জানান। সুষ্ঠু তদন্তের সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।

এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে ক্যাব নেতৃবৃন্দবলেন , সিভিল সার্জনের অনুমতি নিয়ে কী তাহলেবেসরকারী হাসপাতাল ও ডায়গনিস্টকগুলি মানুষেরপকেট কাটছে আর স্বাস্থ্য বিভাগনিরব দর্শক। তারা মাসিক মাসোহারারভিত্তিতে এধরনের গলাকাটা বিল আদায় করছে।আর সরকারের অন্যকোন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে গেলে সেখানেবাধা প্রদান করছে। তারা অবিলম্বে সিভিলসার্জনের এধরনের ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন।ভিযান পরিচালনা করছেন। ওইসব দেখার দায়িত্বআমার। কোনো জরিমানা করবেননা। জরিমানা করা হলে আপনারবিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। পাশাপাশি সিভিলসার্জনের প্রতিনিধিকেও তিনি ফোনকলে শাসান।পাশে দাড়িয়ে থাকা ক্যাবের প্রতিনিধিআবু হানিফ নোমান ও সদর সার্কেলেরএসিল্যান্ড এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান মাহমুদ ডালিম ও অন্যান্যরা হতবাকহয়ে পড়েন। উক্ত অনিয়মসমূহ একসপ্তাহের মধ্যে সংশোধনের জন্য অভিযানের নেতৃত্বেথাকা বাকলিয়া সার্কেলের এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেটমাসুমা আক্তারের নিকট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরপক্ষে জিএম তালুকদার জিয়াউররহমান মুচলেকা প্রদান করেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা অত্র হাসপাতালে পরিবেশেরনিয়ম বিঘ্নিত হওয়ায় শোকজ নোটিশ প্রদানকরেন। ক্যাবের প্রতিনিধি আবু হানিফ নোমানজানান , মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোনকলে সিভিল সার্জনের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণনিন্দনীয়। একজন সরকারি কর্মকর্তাহয়ে সরকারি কাজে বাধা প্রদানকরা যা সরকারি আচরণবিধিনিয়মানুযায়ী চরমভাবে লঙ্ঘন করে। রাষ্ট্রীয় কাজেচট্টগ্রাম সিভিল সার্জনের এহেন নিন্দনীয় ওগর্হিত ভূমিকা এবং হস্তক্ষেপের প্রতিতিনি নিন্দা জানান। সুষ্ঠু তদন্তের সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।

এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে ক্যাব নেতৃবৃন্দবলেন , সিভিল সার্জনের অনুমতি নিয়ে কী তাহলেবেসরকারী হাসপাতাল ও ডায়গনিস্টকগুলি মানুষেরপকেট কাটছে আর স্বাস্থ্য বিভাগনিরব দর্শক। তারা মাসিক মাসোহারারভিত্তিতে এধরনের গলাকাটা বিল আদায় করছে।আর সরকারের অন্যকোন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে গেলে সেখানেবাধা প্রদান করছে। তারা অবিলম্বে সিভিলসার্জনের এধরনের ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন।




বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ

বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বান্দরবান। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন সংকটময় সময়ে যখন অনেকেই নীরব, তখন কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে নয়; বরং নিজেদের অর্থ সংগ্রহ করে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবানের একদল তরুণ।
মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কার্যক্রমের প্রথম দিনেই ক্যাচিংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালাঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ৯০টিরও বেশি দুর্গত পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারের হাতে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনা খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, তারা কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বান্দরবানের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের দুর্ভোগ দেখে কয়েকজন বন্ধু ও শিক্ষার্থী নিজেদের মধ্যে অর্থ সংগ্রহ করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তারা ত্রাণসামগ্রী কিনে দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।
তাদের ভাষ্য, “এটি আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। আমরা জানি, এই সহায়তা সব মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবুও যারা অসহায় অবস্থায় দিন পার করছেন, তাদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, দুর্যোগের সময় মানবতার কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসে, তাহলে বান্দরবানের এই সংকট মোকাবিলা অনেক সহজ হবে।”
তারা আরও বলেন, “আমরা কোনো সংগঠন নই এবং কারও সহযোগিতার অপেক্ষায়ও ছিলাম না। নিজেদের সাধ্যমতো অর্থ সংগ্রহ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। এটি আমাদের কার্যক্রমের শুরু মাত্র। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্যোগের সময় সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। তরুণদের এই উদ্যোগ অন্যদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
উদ্যোক্তারা বান্দরবানের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং সামর্থ্যবান সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে হলেও সবাই এগিয়ে এলে আরও বেশি মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।




কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত
ছবি সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার (২১ জুন) সকালে দেশটির আল শাহানিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ভারতীয় এক নাগরিকও নিহত হন।

নিহত পাঁচ বাংলাদেশি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন- জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মোস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে প্রবাসীরা একটি পিকআপ ভ্যানে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে আল শাহানিয়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহ উদ্ধার করে কাতারের একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন কাতারের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মালেক।

তিনি বলেন, কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সহসভাপতি তাওহীদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আমাদের এলাকার পাঁচজন প্রবাসীর মৃত্যুতে পুরো কানাইঘাটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় প্রবাসী সংগঠন ও বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যাতে স্বজনরা শেষবারের মতো তাদের দেখতে পারেন এবং যথাযথ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন করা যায়।

এদিকে, বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।

এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা আমাদের এই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে কাতার দূতাবাসের শ্রম উইংকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই সংকটাপন্ন মুহূর্তে সরকার নিহতের পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে।




লামায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

লামায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা থানা পুলিশের অভিযানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারভুক্ত প্রধান পলাতক আসামি নাছির মাঝি (৫০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

​ সহকারী পুলিশ সুপার (লামা সার্কেল)মাসুম সরদার এবং লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামালের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে থানা এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার(১২ জুন)রাতে এসআই জামিল আহমদ ও সঙ্গী ফোর্সের তৎপরতায় ০৩নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ০৯নং ওয়ার্ডের বনফুর বড় পাড়া বাইশখাইল্লা ঝিরি মুসলিম পাড়াস্থিত নিজ বসতঘর থেকে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

​গ্রেফতারকৃত আসামি নাছির মাঝি (৫০)ফাঁসিয়াখালী ইউপির ২৮৪নং ইয়াংছা মৌজার ০৯নং ওয়ার্ডের বাইশখাইল্ল্যা ঝিরি মুসলিম পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা ও মৃত মজু মাঝি​র ছেলে।থানা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,  আসামির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে  ১১ জুন লামা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(৪)(খ) ধারা এবং পেনাল কোডের ৫০৬(২) ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয় (মামলা নং-০৫)। মামলার পর থেকেই সে পলাতক ছিল।

​লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে ইতিমধ্যেই বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা,নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে পুলিশের এমন কঠোর ও বিশেষ অভিযান সর্বদা অব্যাহত থাকবে।