বাঁশখালীতে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে আলেমকে অপহরণ ও মারধরের অভিযোগ এলাকায় তীব্র ক্ষোভ
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন

বাঁশখালীতে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে আলেমকে অপহরণ ও মারধরের অভিযোগ এলাকায় তীব্র ক্ষোভ

বাঁশখালীতে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে আলেমকে অপহরণ ও মারধরের অভিযোগ এলাকায় তীব্র ক্ষোভ
বাঁশখালীতে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার মাওলানা সৈয়দুল ইসলাম (বাঁয়ে) এবং অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা রায়হানুল কবির শামিম (ডানে)। নিচে মারধর ও নির্যাতনের ক্ষতচিহ্ন।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে রায়হানুল কবির শামিম নামে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মাওলানা মুফতি সৈয়দুল ইসলাম নামে এক আলেমকে অপহরণ, মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২৮ আগস্ট শুক্রবার রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর রউফাবাদ সংলগ্ন বর্মা কলোনি আমিনমাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই এলাকার জাহেদের মাধ্যমে দাওয়াতের কথা বলে ফোন করে মাওলানা সৈয়দুল ইসলামকে পরিকল্পিতভাবে সেখানে নিয়ে যায় ছাত্রলীগ নেতা শামিম। পরে তাঁকে মারধর ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার মাওলানা সৈয়দুল ইসলাম বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মিনজিরিতলা গ্রামের মরহুম ছাবের আহমদের ছেলে। তিনি হাটহাজারী লালিয়ারহাট হোসাইনিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক এবং চৌধুরীহাট পাহাড়তলী হাজী সফর আলী জামে মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত বাঁশখালী উপজেলা শাখার মুখপাত্র অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম আশরাফীর বড় ভাই। অন্যদিকে অভিযুক্ত রায়হানুল কবির শামিম একই এলাকার মৃত মোহাম্মদ ফেরদৌসের ছেলে। সে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের উপ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ অসংখ্য মামলা রয়েছে। সে চট্টগ্রাম মহানগরীতে আত্মগোপনে থেকে এখনো নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

জানা গেছে, বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের মিনজিরিতলা গ্রামের মাওলানা মুফতি সৈয়দুল ইসলামের সঙ্গে একই এলাকার ছাত্রলীগ নেতা রায়হানুল কবির শামিমের বিরোধ রয়েছে। বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে এর আগেও গ্রামের বাড়িতে নানা জুলুম-অত্যাচার করে ছাত্রলীগ নেতা শামিম। এমনকি আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রভাবশালী নেতা, মন্ত্রী ও মেয়রের ছবি দেখিয়ে মানুষকে নির্যাতন করার পাশাপাশি জমি জবরদখল করে ঘরবাড়ি তৈরি করে শামিম। শামিমের এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সব সময় প্রতিবাদ করতেন মাওলানা সৈয়দুল ইসলাম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত শুক্রবার রাতে মাওলানা মুফতি সৈয়দুল ইসলামকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ ও নির্যাতন করা হয়।

মাওলানা মুফতি সৈয়দুল ইসলাম জানান, জাহেদ নামের এক যুবক মুনাজাতের কথা বলে মোবাইল ফোনে তাঁকে দাওয়াত দেয়। বারবার অনুরোধ করার পর সরল বিশ্বাসে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে তিনি রউফাবাদ পৌঁছালে অন্য একটি গাড়িতে করে আমিন জুট মিল ও বর্মা কলোনি হয়ে আমিন মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে মাওলানা সৈয়দুল ইসলামের সন্দেহ হয়। সে সময় তিনি ফিরে আসতে চাইলে সন্ত্রাসীরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। শামিমের নেতৃত্বে ৪-৫ জন সন্ত্রাসী তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর ও নির্যাতন করে। এ সময় মাওলানা সৈয়দুল ইসলামের আর্তচিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

এদিকে মাওলানা মুফতি সৈয়দুল ইসলামের ওপর হামলা, মারধর ও অপহরণের ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।




বাঁশখালীতে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে দুজন গ্রেপ্তার

বাঁশখালীতে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে দুজন গ্রেপ্তার
বাঁশখালী থেকে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে আটক মোহাম্মদ আলী ও তফজল আলী সোহেল।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে দুজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে দুটি ট্রাক, ফিশিং বোট ও সিমেন্ট।

তাছাড়া উপজেলার খানখানাবাদ ও ছনুয়াসহ বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে নিয়মিতই মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে সিমেন্ট পাচার করে সেই দেশ থেকে ইয়াবা চালানের নিরাপদ রুট হিসেবে বাঁশখালীকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের চৌধুরীঘাট এলাকা থেকে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৪১০ বস্তা সিমেন্টসহ দুটি ট্রাক এবং দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। জব্দ করা সিমেন্টের মধ্যে চৌধুরীঘাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩৪ ব্যাগ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার মো. হোসেনের ছেলে মো. আলী (২৭) এবং পটিয়া উপজেলার কালারপুল চাপড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল আলিমের ছেলে তফজল আলী সোহেল (৩৭)।

বাঁশখালী থানা-পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের চৌধুরীঘাট এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিযান চালায়। এ সময় খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড চৌধুরীঘাট এলাকায় বাংলাদেশি পণ্য (সিমেন্ট) ট্রাকে করে ঘটনাস্থলে এনে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে সাগর ও নদীপথে মিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা কালে মোহাম্মদ আলী ও তফজল আলী সোহেল নামের দুজনকে হাতেনাতে আটক করে। অভিযানকালে তাঁদের হেফাজত থেকে ১টি ফিশিং ট্রলার ও দুটি ট্রাকসহ ৩৪ ব্যাগ ডায়মন্ড সিমেন্ট জব্দ করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সর্বমোট ৪১০ ব্যাগ সিমেন্ট উদ্ধার করে পুলিশ।

বাঁশখালী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোহাম্মদ আরিফ জানান, এ ঘটনায় আটক দুজনসহ অজ্ঞাতনামা সাত-আট জনের বিরুদ্ধে বাঁশখালী থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫বি/২৫ডি ধারায় একটি মামলা (নম্বর-৪৩, তারিখ- ৩০/০৯/২০২৬) রুজু করা হয়েছে।




তৃণমূল পর্যায়ে এনসিপিকে সংগঠিত করতে কাজ করছি: সাজ্জাদ হোসাইন

তৃণমূল পর্যায়ে এনসিপিকে সংগঠিত করতে কাজ করছি: সাজ্জাদ হোসাইন
ছবি সংগৃহীত।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মানুষের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার উপযোগী একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসাইন।

১ অক্টোবর সকালে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশের মানুষের অধিকার, প্রত্যাশা ও কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে এনসিপি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়, নতুন কর্মী সম্পৃক্তকরণ, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এনসিপি জনগণের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছে। তরুণ সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি অংশগ্রহণমূলক ও জনমুখী রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করার জন্য ধারাবাহিকভাবে সাংগঠনিক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হবে। জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরি করতে তাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন।

সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, “এনসিপিকে একটি সমৃদ্ধ, শক্তিশালী ও জনকল্যাণমুখী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সমাজের সচেতন নাগরিক, তরুণ প্রজন্ম এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ইতিবাচক সহযোগিতা আমরা প্রত্যাশা করি।”

তিনি জানান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসূচি জোরদার করা হবে। সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব তৈরি, কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত করে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, মানুষের কল্যাণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করাই হবে তাঁদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।




ইভটিজিং মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাদীর ওপর হামলা, আহত ২

ইভটিজিং মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাদীর ওপর হামলা, আহত ২
আহত রুবেল ও তার পিতা তমিজ উদ্দিন

আনোয়ারায় ১২ বছরের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের মামলায় গ্রেপ্তার আসামি জামিনে এসে আবারও বাদীর পরিবারের ওপর দুফা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে মামলার বাদী মোহাম্মদ রুবেল (৩৮) ও তার পিতা তমিজ উদ্দিন (৬০) গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বুধবার বিকেলে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের হেটিখাইন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই রাতে এক কিশোরীর চাচার দোকানের সামনে উত্ত্যক্ত করার ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন তার চাচা মোহাম্মদ রুবেল। এর জেরে অভিযুক্তরা ওই কিশোরীর চাচার দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং ঘটনার পর দিন কিশোরীর বাড়িতেও হামলা করে। এতে নারী-পুরুষসহ পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ওই এলাকার অভিযুক্ত রোকনকে (২৫) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। সম্প্রতি রোকন জামিনে বেরিয়ে এসে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। বুধবার বিকেলে রোকন দলবল নিয়ে মামলার বাদীকে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে কুপিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁদের ওপর আবারও হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।

আহত বৃদ্ধ তমিজ উদ্দিন (৬০) বলেন, ‘বিকেলে রোকন ও শিবলু দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার ছেলেকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। এ সময় আমরা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ আসে। অভিযুক্তরা পুলিশের সামনেই আমাকে হামলা করে পালিয়ে যায়।’

আহত মোহাম্মদ রুবেলের বড় ভাই মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, ‘অভিযুক্তরা জেল থেকে বেরিয়ে ইভটিজিংয়ের মামলা তুলে নিতে বারবার চাপ সৃষ্টিসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। মামলা তুলে না নেওয়ায় তারা আমার পরিবারের ওপর দুই দফায় হামলা করে। এতে আমার ভাই ও বাবা গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় আরেকটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়ালি উল্লাহ বলেন, গুরুতর আহত দুই ব্যক্তিকে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আমরা অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’