বান্দরবানে পৌর বর্জ্যের দখলে কৃষিজমি: বর্ষায় বাড়ছে দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৫ অপরাহ্ন

বান্দরবানে পৌর বর্জ্যের দখলে কৃষিজমি: বর্ষায় বাড়ছে দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি

বান্দরবানে পৌর বর্জ্যের দখলে কৃষিজমি: বর্ষায় বাড়ছে দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
বান্দরবানের লেমুঝিড়ি আগা পাড়ার ঘোনাপাড়ায় ফসলি জমির ওপর পৌরসভার ফেলা ময়লার স্তূপ।
  • ফসলি জমিতে সিরিঞ্জ, সূঁচ ও হাসপাতালের বর্জ্য; আতঙ্কে কৃষক, ব্যবহার অনুপযোগী ঝিরির পানি।
  • পৌরসভার অস্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন ঘিরে পরিবেশ বিপর্যয়; ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্য।
  • র্জ্যের দুর্গন্ধে দুর্বিষহ জনজীবন; ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও পড়েছে দূষণের প্রভাব।
  • টানা বর্ষণে পাহাড় বেয়ে নেমে এসেছে বর্জ্য; কৃষিজমি ও পানির উৎস রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা।
  • ডাম্পিং স্টেশনের বর্জ্যে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি, দূষিত হচ্ছে ঝিরি; তদন্তের কথা বলছে পৌর প্রশাসন।

 

বান্দরবানের পৌরসভার অস্থায়ী ডাম্পিং স্টেশনের বর্জ্য এখন আর শুধু ময়লার স্তূপের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বর্ষার পানির সঙ্গে সেই বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে কৃষিজমি, ঝিরি ও নদীতে। এতে একদিকে যেমন ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যা চললেও এবার ক্ষতির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। বান্দরবান সদর উপজেলার লেমুঝিড়ির ঘোনাপাড়া। একসময় যেখানে ছিল সবুজ ফসলের মাঠ, সেখানে এখন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে প্লাস্টিক, হাসপাতালের বর্জ্য, ভাঙা কাঁচ, ব্যবহৃত সিরিঞ্জ ও বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে বৃষ্টির পানির সঙ্গে এসব বর্জ্য নেমে এসেছে নিচের কৃষিজমি ও ঝিরিতে।

ভুক্তভোগী কৃষক সুজাতা তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, চলতি মাসের টানা ভারী বর্ষণে পৌরসভার অস্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন থেকে প্রায় ১০ থেকে ১৫ একর কৃষিজমিতে বর্জ্য ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে জমিতে কাজ করতে ভয় পাচ্ছেন কৃষকরা; কারণ মাটির নিচেই মিলছে সিরিঞ্জের সূঁচ, ভাঙা কাঁচ ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য।

স্থানীয় বাসিন্দা মোমিনা বেগম বলেন, যে ঝিরির পানির প্রবাহ একসময় ছিল এলাকার মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম ভরসা, এখন সেই পানিতেই ভাসছে প্লাস্টিক, স্যালাইনের ব্যাগ ও চিকিৎসাবর্জ্য। দুর্গন্ধ ও দূষণের কারণে পানিটি সম্পূর্ণ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

জ্ঞানদর্শন-বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্রের বিহারাধ্যক্ষ জ্ঞানদ্বীপ ভিক্ষু বলেন, “বর্জ্যের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও। বিহারের পাশের পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য ফেলার কারণে বর্ষা এলেই তীব্র দুর্গন্ধ ও দূষণে ধ্যান-ভাবনা এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।”

বান্দরবানবাসীর দাবি, একটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।

তবে পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, কৃষিজমিতে বর্জ্য ফেলার কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদনও জমা দেওয়া হয়েছে।

বান্দরবান পৌরসভার প্রশাসক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিদারুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জমি থেকে বর্জ্য অপসারণ এবং কৃষিজমি পুনরায় চাষযোগ্য করার উপায় খুঁজে দেখা হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, স্থায়ী ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

বছরের পর বছর ধরে একই সমস্যার অভিযোগ করলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কৃষি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।