বান্দরবান জেলা পরিষদে বিশেষ বরাদ্দের ক্রীড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম এর অভিযোগ
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন

বান্দরবান জেলা পরিষদে বিশেষ বরাদ্দের ক্রীড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম এর অভিযোগ

বান্দরবান জেলা পরিষদে বিশেষ বরাদ্দের ক্রীড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম এর অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত।

স্থানীয় খেলোয়াড়দের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ এর বিশেষ বরাদ্দের ক্রীড়া প্রকল্প তড়িঘড়ি করে বাস্তবায়নের অভিযোগ উঠেছে।স্কীমের আওতায় প্রদত্ত বরাদ্দের অর্থ লোকদেখানো কিছু কর্মসূচি তে ব্যবহারের চাঞ্চল্যকর খবরও মিলেছে।অন্তর্বর্তীকালিন জেলা পরিষদের এমন সিদ্ধান্তের ঘটনায় দেখা দিয়েছে তুমুল প্রশ্ন এবং চলছে বিতর্কের ঝড়।অনুসন্ধানে জানা যায়,ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র এক দিন আগে স্কীম প্রকল্পের এই কর্মসূচির অগ্রিম চেকও অবিশ্বাস্য দ্রুততার সাথে হস্তান্তর করা হয়েছে।আহবায়কের একক সিদ্ধান্তে সরকারি স্কীমের প্রাপ্ত অর্থ ব্যায়ের কোন নিয়ম আছে কিনা এবং তিন বছরের একটি প্রকল্প নিয়ে এতো তড়িঘড়ি কেনও তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।তিন বছরের ক্রীড়া কর্মসূচি কেনও দশদিনের নেমে এলো তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।এমনকি প্রশিক্ষণ এর খেলোয়াড় বাছাই,স্থান নির্বাচন, সময়সীমা নির্ধারণসহ প্রতিটি সিদ্ধান্ত এককভাবে গ্রহন করা হয়েছে এমন অভিযোগও ক্রীড়া সংগঠকদের মুখে মুখে।এতে অসন্তুষ প্রকাশ করেছে স্থানীয় ক্রীড়াসংগঠনের নেতৃত্বে থাকা বেশিরভাগ ক্রীড়া সংগঠক।কোন রকম নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করে এমন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় ক্রীড়া সম্পৃক্তরা।এবিষয়ে বান্দরবানের স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকরা জানান,অপরিকল্পিত ও দ্রুততার সাথে বাস্তবায়িত প্রকল্পের কারণে খেলোয়াড়দের দক্ষতা নিশ্চিত হবেনা।বরং পুরো অর্থটাই অপচয় হবে।মূলত পরিকল্পিত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার অভাবের কারনেই ক্রীড়ার মান উন্নয়ন সম্ভব না।তড়িঘড়ি প্রকল্প বাস্তবায়নের পেছনে অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে পারে।এতে জেলা পরিষদের ভাবমূর্তি কে প্রশ্নবিদ্ধ করবে সাথে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রশ্ন উঠবে।এবিষয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী পরাক্রম চাকমা মুঠোফোনে প্রতিবেদক কে জানান,প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমাদের কোনও এখতিয়ারে নাই আমরা শুধু এক্সিকিউশন এর কাজটা করছি।এদিকে তড়িঘড়ি করে ক্রীড়া কর্মসূচি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে জেলা পরিষদ সদস্য ও ক্রীড়া বিষয়ক কনভেনিং কমিটির আহ্বায়ক এড.উবাথোয়াই মার্মা জানান,তড়িঘড়ি করে কিছু হচ্ছে এমন না বরং জুলাই তে অর্থবছর শুরু হয়েছে সে হিসেবে একটি প্রক্রিয়াতো আগে থেকেই চলমান রয়েছে।সব সদস্যদের নিয়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এর সরাসরি তদারকিতে এই কর্মসূচির বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলছে।কর্মসূচির জন্য কত টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,এটা দেখে বলতে পারবো তবে বাজেট এর চুড়ান্ত অনুমোদন হয়নি।ফুটবল প্রশিক্ষণে ডিএসএ বা ডিএফএ এর কোনও সম্পৃক্ততা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জেলা পরিষদ সদস্য উবাথোয়াই মার্মা বলেন,এই সংগঠন গুলো জেলা পরিষদের অন্তর্ভূক্ত কোনও সংগঠন না সুতরাং তাদের কোনও সম্পৃক্ততা থাকবে না।তবে সহায়তার প্রয়োজন হলে যতটুকু সহায়তা প্রয়োজন ততটুকু সহায়তা চাওয়া হবে।ফুটবল ইভেন্ট ব্যাতিত আর কোনও ইভেন্ট কে প্রশিক্ষণের আওতায় না আনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কে ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করতে বলেন।জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এর পি এস টু চেয়ারম্যান (অঃ দাঃ) ও নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আবুল মনসুর মুঠোফোনে জানান,এবিষয়ে অবগত নই।আপনি চেয়ারম্যান কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।উল্লেখ্য,২০২৫ সালের ২৯জুন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই এর সভাপতিত্বে ১০ম জেলা পরিষদের ৮ম মাসিক সভায় জেলার ক্রীড়া খাতের মান উন্নয়নে করনীয় নির্ধারন এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।বাজেট জটিলতায় সে সময় কোনও অর্থ না থাকায় প্রাথমিকভাবে জেলা পরিষদ সদস্য এড.উবাথোয়াই মার্মা কে আহ্বায়ক এবং জেলা ক্রীড়া অফিসার কে সদস্য সচিব করে ৭ জনের একটি কমিটি অনুমোদন করে জেলা পরিষদ।এতে জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন আহ্বায়ক জাবেদ রেজা,ফুটবল খেলোয়াড় সমিতির সভাপতি মো.ইসলাম কোম্পানী,জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার এসোসিয়েশন সাধারন সম্পাদক আবু তাহের টিপু,জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন এর রফিকুল আলম মামুন,জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য থুইসিং প্রু লুবুকে সদস্য করে উচ্চপর্যায়ের কমিটি রেজুলেশন আকারে দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।তবে গঠিত এই কমিটির বেশিরভাগ সদস্যরা জানেনও না বান্দরবান জেলা পরিষদের আর্থিক সহযোগিতায় কোনও কর্মসূচি বাস্তবায়ন উপজেলা পর্যায়ে শুরু হয়েছে কিনা।পরে থানচি, আলীকদম ফুটবল প্রশিক্ষণ শুরু হবার বিষয়টি জানতে চাইলে এবিষয়ে অবগত নন বলে উল্লেখ করেন।জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই একটি মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এমন কমিটি গঠন করেন।প্রভাবশালী ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের কমিটিতে রাখা হলেও শুভঙ্করের ফাঁকি নিশ্চিত করতে গঠন করা কমিটির আহ্বায়ক ছাড়া আর কোনও সদস্য এসব কর্মসূচির বিষয়ে কিছু জানেন না।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।