বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি শ্রমিক লীগ নেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি শ্রমিক লীগ নেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি শ্রমিক লীগ নেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে
ছবি সংগৃহীত।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর উপর হামলায়নেতৃত্বদানকারী হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি হাটহাজারী উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদশাহেদুল আলমের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগেথানায় একাধিক মামলা হলেও স্থানীয় অসাধুকিছু বিএনপির নেতার সহযোগিতায় সপদে বহাল রয়েছে।প্রকাশ্যে ঘুরে ফেরার কারণেখবর পেয়ে পুলিশ কয়েকবারউক্ত শ্রমিক লীগ নেতাকে গ্রেফতারকরতে গেলে বিএনপির সুবিধাভোগীকিছু নেতার বাঁধার কারণে গ্রেফতার না করে চলেআসতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ। এমন কি বিএনপিএক শেণির নেতা টাকার বিমিনয়েজেলা পুলিশ সুপারকে পর্যন্ত অনুরোধ করেছে যাতে ওসিকে চাপপ্রয়োগ না করে।

হামলায়জড়িত থাকার পরও ইউপি চেয়ারম্যানপদে বহাল থাকায় হামলায়আহতর পরিবার এবং মামলার বাদীক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ছাত্র জনতার উপর হামলা অভিযোগেহাটহাজারীর সাবেক এমপি ব্যারিস্টার আনিসুলইসলাম মাহমুদকে প্রধান আসামি ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদশাহেদসহ ৬৪ জন এজাহারভুক্তআসামি এবং অজ্ঞাত আরও৫০ /৬০ জনসহ ১০৪জনের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতা মোহাম্মদ দিলদারবাদী হয়ে হাটহাজারী থানায়২০২৪ সালের ২ অক্টোবর মামলাকরেন। ছাত্র জনতার উপর হামলা অভিযোগেসাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানএম এ সালামকে প্রধানআসামি ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ও মার্দশা ইউপিচেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহেদকে আসামি করে ২০২৪ সালের১ সেপ্টম্বর তসলিমা বেগম নামের একমহিলা বাদী হয়ে হাটহাজারীথানায় মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় হাটহাজারীতেঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ সহিংসতায়ককটেল বিস্ফোরণ , গুলি বর্ষণ ওলাঠিসোটা দিয়ে হামলার ঘটনায়গুরুতর আহত হন মোহাম্মদকামাল উদ্দিন (৫০ ) নামের একব্যক্তি , যার ডান পাঅস্ত্রোপচারে কেটে ফেলতে হয়।অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান শাহেদকিছু বিএনপি নেতাকে টাকার বিনিময়ে তাকে পাহারা দেয়ারজন্য রেখেছে। তাদের দিয়ে যারা মামলাকরেছে তাদের পরিবারকে এবং পরিষদে বসেহুমকি দিচ্ছে জুলাই আন্দোলনে মামলার বাদীদের চাইলে যে কোন সময়শেষ করে দিতে পারেবলে হুংকার দিচ্ছে।

আহতব্যক্তি     মোহাম্মদকামাল উদ্দিন অভিযোগ করেছেন , হাটহাজারী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর উপর হামলায়নেতৃত্বদানকারী হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি হাটহাজারী উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদশাহেদুল আলমের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগেথানায় একাধিক মামলা হলেও স্থানীয় অসাধুকিছু বিএনপির নেতার সহযোগিতায় সপদে বহাল রয়েছে।প্রকাশ্যে ঘুরে ফেরার কারণেখবর পেয়ে পুলিশ কয়েকবারউক্ত শ্রমিক লীগ নেতাকে গ্রেফতারকরতে গেলে বিএনপির সুবিধাভোগীকিছু নেতার বাঁধার কারণে গ্রেফতার না করে চলেআসতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ। এমন কি বিএনপিএক শেণির নেতা টাকার বিমিনয়েজেলা পুলিশ সুপারকে পর্যন্ত অনুরোধ করেছে যাতে ওসিকে চাপপ্রয়োগ না করে।

হামলায়জড়িত থাকার পরও ইউপি চেয়ারম্যানপদে বহাল থাকায় হামলায়আহতর পরিবার এবং মামলার বাদীক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ছাত্র জনতার উপর হামলা অভিযোগেহাটহাজারীর সাবেক এমপি ব্যারিস্টার আনিসুলইসলাম মাহমুদকে প্রধান আসামি ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদশাহেদসহ ৬৪ জন এজাহারভুক্তআসামি এবং অজ্ঞাত আরও৫০ /৬০ জনসহ ১০৪জনের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতা মোহাম্মদ দিলদারবাদী হয়ে হাটহাজারী থানায়২০২৪ সালের ২ অক্টোবর মামলাকরেন। ছাত্র জনতার উপর হামলা অভিযোগেসাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানএম এ সালামকে প্রধানআসামি ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ও মার্দশা ইউপিচেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহেদকে আসামি করে ২০২৪ সালের১ সেপ্টম্বর তসলিমা বেগম নামের একমহিলা বাদী হয়ে হাটহাজারীথানায় মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় হাটহাজারীতেঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ সহিংসতায়ককটেল বিস্ফোরণ , গুলি বর্ষণ ওলাঠিসোটা দিয়ে হামলার ঘটনায়গুরুতর আহত হন মোহাম্মদকামাল উদ্দিন (৫০ ) নামের একব্যক্তি , যার ডান পাঅস্ত্রোপচারে কেটে ফেলতে হয়।অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান শাহেদকিছু বিএনপি নেতাকে টাকার বিনিময়ে তাকে পাহারা দেয়ারজন্য রেখেছে। তাদের দিয়ে যারা মামলাকরেছে তাদের পরিবারকে এবং পরিষদে বসেহুমকি দিচ্ছে জুলাই আন্দোলনে মামলার বাদীদের চাইলে যে কোন সময়শেষ করে দিতে পারেবলে হুংকার দিচ্ছে।

আহতব্যক্তি   মোহাম্মদকামাল উদ্দিন অভিযোগ করেছেন , হাটহাজারী উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের নেতৃত্বে   পূর্বপরিকল্পিতভাবেজমায়েত হয়ে মামলা চালায় , আমি সারা জীবনের জন্যপঙ্গুত্ববরণ করলেও মূল আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে ইউপি চেয়ারম্যান শাহেদুলআলম এখনো গ্রেফতার নাহওয়ায় মামলা বাদী এবং জুলাইআন্দোলনে আহতরা আতঙ্কে আছেন , তারা বিভিন্ন রুপধারণ করে যে কোনসময় আবার হামলা চালাতেপারে।

ইউপি চেয়ারম্যান সাহেদএকাধিক মামলার এজাহারভুক্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি , তার বিরুদ্ধে একটিহত্যা মামলাও রয়েছে , তবুও তিনি দাপটেরসঙ্গে প্রতিদিন ইউনিয়ন পরিষদে বসছেন এবং নানা প্রশাসনিককার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন , প্রতিদিন পরিষদে এসে তার বিরুদ্ধেযারা মামলা করেছে তাদেরকে দেখে নেয়ার   হুমকি দিচ্ছে।   জুলাইআন্দোলনে আহত কামাল উদ্দিনআরও জানান , ঘটনাস্থলে   গেলেসাহেদ ও তার অনুসারীদেরনির্দেশে একদল লোক গুলিচালায় , যার একটি গুলিতার ডান পায়ে এসেলাগে এবং তিনি মাটিতেলুটিয়ে পড়েন। তখন তাকে হত্যাকরার উদ্দেশ্যে লাঠি -সোটা দিয়েএলোপাতাড়ি   পেটানোহয় এবং কয়েকটি ককটেলবিস্ফোরণের মাধ্যমে সারা এলাকায় ভয়াবহআতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। স্থানীয়জনগণ পরে তাকে উদ্ধারকরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তিকরে , পরে উন্নত চিকিৎসারজন্য তাকে ঢাকায় নেওয়াহলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার ডান পাকেটে   ফেলতেহয়। এ প্রসঙ্গে হাটহাজারীউপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ জানান , শাহেদের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার উপর হামলা নির্যাতনেরহামলা রয়েছে , আমরাও চাই উনার বিরুদ্ধেআইনগত ব্যবস্থা নেয়া হউক , যদিউনার পক্ষে বিএনপির নেতা কর্মী অবস্থাননেয় তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে , কোনঅপরাধীর বিএনপিতে জায়গা হবে না। অভিযোগেরবিষয়ে জানার জন্য উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ও উত্তর মার্দাশাইউপি চেয়ারম্যান শাহেদুল আলমের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেওফোন রিসিভি করেনি।

উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের নেতৃত্বে     পূর্বপরিকল্পিতভাবেজমায়েত হয়ে মামলা চালায় , আমি সারা জীবনের জন্যপঙ্গুত্ববরণ করলেও মূল আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে ইউপি চেয়ারম্যান শাহেদুলআলম এখনো গ্রেফতার নাহওয়ায় মামলা বাদী এবং জুলাইআন্দোলনে আহতরা আতঙ্কে আছেন , তারা বিভিন্ন রুপধারণ করে যে কোনসময় আবার হামলা চালাতেপারে।

 ইউপি চেয়ারম্যান সাহেদএকাধিক মামলার এজাহারভুক্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি , তার বিরুদ্ধে একটিহত্যা মামলাও রয়েছে , তবুও তিনি দাপটেরসঙ্গে প্রতিদিন ইউনিয়ন পরিষদে বসছেন এবং নানা প্রশাসনিককার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন , প্রতিদিন পরিষদে এসে তার বিরুদ্ধেযারা মামলা করেছে তাদেরকে দেখে নেয়ার     হুমকি দিচ্ছে।     জুলাইআন্দোলনে আহত কামাল উদ্দিনআরও জানান , ঘটনাস্থলে     গেলেসাহেদ ও তার অনুসারীদেরনির্দেশে একদল লোক গুলিচালায় , যার একটি গুলিতার ডান পায়ে এসেলাগে এবং তিনি মাটিতেলুটিয়ে পড়েন। তখন তাকে হত্যাকরার উদ্দেশ্যে লাঠি -সোটা দিয়েএলোপাতাড়ি     পেটানোহয় এবং কয়েকটি ককটেলবিস্ফোরণের মাধ্যমে সারা এলাকায় ভয়াবহআতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। স্থানীয়জনগণ পরে তাকে উদ্ধারকরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তিকরে , পরে উন্নত চিকিৎসারজন্য তাকে ঢাকায় নেওয়াহলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার ডান পাকেটে     ফেলতেহয়। এ প্রসঙ্গে হাটহাজারীউপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ জানান , শাহেদের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার উপর হামলা নির্যাতনেরহামলা রয়েছে , আমরাও চাই উনার বিরুদ্ধেআইনগত ব্যবস্থা নেয়া হউক , যদিউনার পক্ষে বিএনপির নেতা কর্মী অবস্থাননেয় তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে , কোনঅপরাধীর বিএনপিতে জায়গা হবে না। অভিযোগেরবিষয়ে জানার জন্য উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ও উত্তর মার্দাশাইউপি চেয়ারম্যান শাহেদুল আলমের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেওফোন রিসিভি করেনি।

 




বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ

বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বান্দরবান। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন সংকটময় সময়ে যখন অনেকেই নীরব, তখন কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে নয়; বরং নিজেদের অর্থ সংগ্রহ করে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবানের একদল তরুণ।
মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কার্যক্রমের প্রথম দিনেই ক্যাচিংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালাঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ৯০টিরও বেশি দুর্গত পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারের হাতে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনা খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, তারা কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বান্দরবানের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের দুর্ভোগ দেখে কয়েকজন বন্ধু ও শিক্ষার্থী নিজেদের মধ্যে অর্থ সংগ্রহ করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তারা ত্রাণসামগ্রী কিনে দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।
তাদের ভাষ্য, “এটি আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। আমরা জানি, এই সহায়তা সব মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবুও যারা অসহায় অবস্থায় দিন পার করছেন, তাদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, দুর্যোগের সময় মানবতার কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসে, তাহলে বান্দরবানের এই সংকট মোকাবিলা অনেক সহজ হবে।”
তারা আরও বলেন, “আমরা কোনো সংগঠন নই এবং কারও সহযোগিতার অপেক্ষায়ও ছিলাম না। নিজেদের সাধ্যমতো অর্থ সংগ্রহ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। এটি আমাদের কার্যক্রমের শুরু মাত্র। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্যোগের সময় সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। তরুণদের এই উদ্যোগ অন্যদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
উদ্যোক্তারা বান্দরবানের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং সামর্থ্যবান সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে হলেও সবাই এগিয়ে এলে আরও বেশি মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।




কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত
ছবি সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার (২১ জুন) সকালে দেশটির আল শাহানিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ভারতীয় এক নাগরিকও নিহত হন।

নিহত পাঁচ বাংলাদেশি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন- জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মোস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে প্রবাসীরা একটি পিকআপ ভ্যানে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে আল শাহানিয়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহ উদ্ধার করে কাতারের একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন কাতারের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মালেক।

তিনি বলেন, কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সহসভাপতি তাওহীদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আমাদের এলাকার পাঁচজন প্রবাসীর মৃত্যুতে পুরো কানাইঘাটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় প্রবাসী সংগঠন ও বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যাতে স্বজনরা শেষবারের মতো তাদের দেখতে পারেন এবং যথাযথ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন করা যায়।

এদিকে, বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।

এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা আমাদের এই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে কাতার দূতাবাসের শ্রম উইংকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই সংকটাপন্ন মুহূর্তে সরকার নিহতের পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে।




লামায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

লামায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা থানা পুলিশের অভিযানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারভুক্ত প্রধান পলাতক আসামি নাছির মাঝি (৫০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

​ সহকারী পুলিশ সুপার (লামা সার্কেল)মাসুম সরদার এবং লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামালের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে থানা এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার(১২ জুন)রাতে এসআই জামিল আহমদ ও সঙ্গী ফোর্সের তৎপরতায় ০৩নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ০৯নং ওয়ার্ডের বনফুর বড় পাড়া বাইশখাইল্লা ঝিরি মুসলিম পাড়াস্থিত নিজ বসতঘর থেকে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

​গ্রেফতারকৃত আসামি নাছির মাঝি (৫০)ফাঁসিয়াখালী ইউপির ২৮৪নং ইয়াংছা মৌজার ০৯নং ওয়ার্ডের বাইশখাইল্ল্যা ঝিরি মুসলিম পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা ও মৃত মজু মাঝি​র ছেলে।থানা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,  আসামির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে  ১১ জুন লামা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(৪)(খ) ধারা এবং পেনাল কোডের ৫০৬(২) ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয় (মামলা নং-০৫)। মামলার পর থেকেই সে পলাতক ছিল।

​লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে ইতিমধ্যেই বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা,নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে পুলিশের এমন কঠোর ও বিশেষ অভিযান সর্বদা অব্যাহত থাকবে।