বোয়ালখালীতে রাতে দায়িত্ব পালনের সময় সাপের কামড়ে এসআই আহত
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন

বোয়ালখালীতে রাতে দায়িত্ব পালনের সময় সাপের কামড়ে এসআই আহত

বোয়ালখালীতে রাতে দায়িত্ব পালনের সময় সাপের কামড়ে এসআই আহত
ছবি সংগৃহীত।

বোয়ালখালীতে রাতে চরণদ্বীপ এলাকায় তদন্তের দায়িত্ব পালনের সময় সাপের কামড়ে আশরাফুল ইসলাম নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার পূর্ব চরণদ্বীপে উপপরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল ইসলাম তদন্তে গেলে তাঁকে সাপে কাটে।

বোয়ালখালী থানায় কর্মরত এসআই আশরাফুল জানান, পূর্ব চরণদ্বীপ এলাকায় একটি তদন্তের কাজে গিয়েছিলেন তিনি। হঠাৎ তাঁর শরীরে সাপের কামড়ের মতো দুটি দাগ দেখতে পান। ওই স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। পরে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা অজ্ঞাত কামড় (Unknown Bite) হিসেবে অ্যান্টিভেনম দেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

বোয়ালখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল আলম বলেন, রাতে পূর্ব চরণদ্বীপ এলাকায় তদন্তের কাজে গেলে এ ঘটনা ঘটে। তবে কী সাপে কামড় দিয়েছে, তা বোঝা যায়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাহ জালাল বলেন, রাত সাড়ে ১১টার দিকে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর শরীরে সাপের কামড়ের মতো দুটি দাঁতের চিহ্ন রয়েছে। তবে কী সাপে কামড় দিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অজ্ঞাত কামড়ের জন্য তাঁকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।




বাঁশখালীতে সীমানা বিরোধে হামলা, বৃদ্ধ নিহত

বাঁশখালীতে সীমানা বিরোধে হামলা, বৃদ্ধ নিহত
নিহত আবদুল মালেক।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল ইউনিয়নে সীমানা বিরোধের জের ধরে চাচাতো ভাইয়ের হামলায় আবদুল মালেক (৬০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। নিহত আবদুল মালেক শেখেরখীল ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বোচারপাড়ার মৃত মকবুল সোবহানের ছেলে। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

জানা গেছে, বুধবার সকালে সীমানা বিরোধ নিয়ে নিহত আবদুল মালেকের সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাই মৃত নজির আহমদের ছেলে জাকের হোসেনের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় জাকের হোসেন প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেন। দুপুর ২টার দিকে আবদুল মালেক মসজিদ থেকে জোহরের নামাজ আদায় করে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা জাকের হোসেন আবদুল মালেকের ওপর হামলা চালান। জাকেরের লাঠির আঘাতে ঘটনাস্থলেই আবদুল মালেক মাটিতে ঢলে পড়েন।

নিহতের অপর চাচাতো ভাই ফরিদুল আলম জানান, “নিহত এবং হামলাকারী দুজনই আমার চাচাতো ভাই। সীমানা বিরোধের জের ধরে জাকের হোসেনের হামলায় ঘটনাস্থলেই আবদুল মালেক প্রাণ হারান।”

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক জানান, নিহত আবদুল মালেকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।




বাঁশখালীতে বনভূমি উদ্ধার অভিযানে হামলা: আহত ৬

বাঁশখালীতে বনভূমি উদ্ধার অভিযানে হামলা: আহত ৬
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সরকারি বনভূমি দখল করে নির্মিত বসতঘর উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পুলিশ সদস্যরা। এতে বন বিভাগের পাঁচ কর্মী এবং পুলিশের এক কনস্টেবলসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জঙ্গল শীলকূপ মৌজার করলাশিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার একটি চক্র সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সরকারি বনভূমি দখল করে ঘর নির্মাণের সুযোগ করে দিচ্ছে। সম্প্রতি মো. নজরুল ইসলাম কালু নামে এক ব্যক্তি বনভূমি দখল করে একটি বসতঘর নির্মাণ করেন।

এই সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বন বিভাগ সেখানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে যায়। অভিযান চলাকালে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. লেয়াকত আলী এবং মো. নজরুল ইসলাম কালুর নেতৃত্বে একদল লোক লাঠিসোঁটা, দা-কিরিচ ও ইটপাটকেল নিয়ে বনকর্মী ও পুলিশের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা চালায়।

হামলায় আহত বনকর্মীরা হলেন—ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট তোফাজ্জল হোসেন (৪৫), জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট অঞ্জন দে (৩৫), সুভাষ চন্দ্র লস্কর (৪২), পাহারাদার দেলোয়ার হোসেন (৪৫) এবং শামসুল আলম (৪৫)। এ ছাড়া আহত হয়েছেন এক পুলিশ কনস্টেবল।

জলদী অভয়ারণ্য রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হক এই হামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক জানান, “জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”




উন্নয়ন আর সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে জুঁইদণ্ডীর চেয়ারম্যান প্রার্থী ‘সুমন’-এর গণসংযোগ

উন্নয়ন আর সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে জুঁইদণ্ডীর চেয়ারম্যান প্রার্থী ‘সুমন’-এর গণসংযোগ
ছবি সংগৃহীত।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা উন্নয়ন ও সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আনোয়ারা উপজেলার জুঁইদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সোহেল উদ্দিন সুমন। বর্তমানে তীব্র গতিতে চলছে তাঁর গণসংযোগ ও পথসভা।

নির্বাচন উপলক্ষে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ বাজার, রাস্তার মোড় ও গ্রামগুলোতে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়ে তিনি স্থানীয় অধিবাসীদের সুখ-দুঃখের কথা শুনছেন। মানুষের সাথে এই আলোচনায় ব্যাপক সাড়া ও উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

গণসংযোগ শেষে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সোহেল উদ্দিন সুমন বলেন, “আমি এই এলাকারই সন্তান। আপনাদের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে থাকতে চাই। দল-মত নির্বিশেষে যদি আপনারা আমাকে কাজের সুযোগ দেন, তবে এই অঞ্চলকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব।”

তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে এই ইউনিয়নে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। নির্বাচিত হলে এলাকার অবহেলিত রাস্তাঘাট সংস্কার, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা মোহাম্মদ আবু সালেহ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সাইফুদ্দিন দস্তগীর, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ জসিম, মোহাম্মদ সোহেল উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নেতা মোহাম্মদ জয়নাল, যুবদল নেতা মোহাম্মদ আবছার সিকদারসহ জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।