মালিকের নয় বিবেকের চাকুরী করতে সাংবাদিকদের আহবান সালাহউদ্দিন আহমদের
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন

মালিকের নয় বিবেকের চাকুরী করতে সাংবাদিকদের আহবান সালাহউদ্দিন আহমদের

মালিকের নয় বিবেকের চাকুরী করতে সাংবাদিকদের আহবান সালাহউদ্দিন আহমদের
ছবি সংগৃহীত।

মালিকের নয় বিবেকের চাকুরী করতে সাংবাদিকদের আহবান জানিয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, বিএনপি ৩১ দফাতেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এদেশের গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে সেটা বিএনপির ইশতেহারেও বলা আছে। গণমাধ্যমের জন্য আলাদা সংস্কার কমিশন করে সেই সমস্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অঙ্গীকার করেছে বিএনপি।

ইতোমধ্যেই একটা গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,সেই সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবগুলোও বিএনপি পর্যালোচনা করবে।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে সালাহউদ্দিন আহমদ মিডিয়া সেল আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস ইউথ সালাহউদ্দিন’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে সে দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী হয়েছে।

পৃথিবী এখন ডিজিটাইজ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন বলেন,এই পৃথিবীতে এখন তথ্য আদানপ্রদান এতো সহজ হয়েছে মুহুর্তের মধ্যেই তথ্য ছড়িয়ে যাচ্ছে বিশ্বব্যাপী , সুতারং সবাইকে অত্যান্ত সাবধানতার সঙ্গে কাজ করতে হবে যাতে করে দেশের সম্মান সারা বিশ্বে সমুন্নত রাখা যায়।

তিনি আরো বলেন,আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদৃঢ করার জন্য গণমাধ্যমের ভুমিকা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উম্মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছিলো ৯১ সাল থেকে বেগম জিয়ার হাত ধরে। তখন থেকে দেশে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ধারা অবারিত হয়েছে গণমাধ্যমের জন্য অবারিত সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছিলো গণমাধ্যম বিকশিত হয়েছিলো। কিন্তু বিগত ১৬/১৭ বছরে এদেশের গণমাধ্যম দলীয়করণ হয়েছিলো তার কারনে আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হোঁচট খেয়েছিলো।

তিনি আরো বলেন,গণমাধ্যমের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে সুরক্ষা করা দেশের গণতন্ত্রকে সুরক্ষা করা।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য সালাহউদ্দিন বলেন, আমি যেটা সাংবাদিক বন্ধুদের সমাবেশ কিংবা গণমাধ্যমের মালিকদের সমাবেশে বলে থাকি সেটা হলো সাংবাদিক বন্ধুগণ যেনো মালিকের চাকুরী না করে বিবেকের চাকুরী করে।

মিট দ্য প্রেস ইউথ সালাহউদ্দিন অনুষ্ঠানে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর, পাক্ষিক পেকুয়া নির্বাহী সম্পাদক, কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পিপি এডভোকেট মীর মোশাররফ হোসেন টিটু, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক একরামুল হক চৌধুরী টিপু, পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ছফওয়ানুল করিম, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সহসভাপতি এম আর মাহবুব, সিনিয়র সাংবাদিক এএম ওমর আলী, পেকুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুল্লাহ আনসারী, সালাহউদ্দিন আহমদ মিডিয়া সেলের এফ এম সুমনসহ চকরিয়া-পেকুয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।