যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চয়তায় এশীয় দেশগুলোকে আরও কাছে টানবে চীন
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চয়তায় এশীয় দেশগুলোকে আরও কাছে টানবে চীন

যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চয়তায় এশীয় দেশগুলোকে আরও কাছে টানবে চীন
ছবি সংগৃহীত।

এশিয়ার দেশগুলোর কাছে নিজেকে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে তুলে ধরতে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক তৎপরতা জোরদার করেছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির কারণে চীন এই সুযোগ কাজে লাগাতে চায় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
২০২৬ সালের শেষ দিকে চীনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলন। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম চীন এপেকের আয়োজক হচ্ছে। এ সম্মেলনকে ঘিরে বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় তিন-পঞ্চমাংশ প্রতিনিধিত্বকারী দেশগুলোর নেতাদের নিয়ে এক জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং চান, এশীয় দেশগুলোসহ গোটা বিশ্ব যেন চীনকে দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে দেখে, যা স্পষ্টতই যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চিত বাণিজ্যনীতির বিপরীত।

এরই মধ্যে ২০২৫ সালে এই কৌশলের আভাস দিয়েছে বেইজিং। অক্টোবরের শেষে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তির একটি উন্নীত সংস্করণে সই করেছে চীন। বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এতদিন এসব দেশ চীনের বিরুদ্ধে কম দামে পণ্য ছেড়ে নিজেদের শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ করে আসছিল। নতুন চুক্তির ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর পক্ষে চীনের অতিরিক্ত উৎপাদনক্ষমতার পণ্য আমদানিতে বাধা দেওয়া আরও কঠিন হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যখন বিশ্ব রাজনীতিতে অনিশ্চয়তার প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে, তখন ছোট ও মাঝারি অর্থনীতির দেশগুলোর সামনে বিকল্প সীমিত। ট্রাম্পের তুলনায় শি জিনপিংকে অনেক দেশই তুলনামূলকভাবে বেশি নির্ভরযোগ্য অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে দেখছে। আগামী এক বছরে উপসাগরীয় দেশগুলো, সুইজারল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি করার লক্ষ্য নিয়েছে চীন। ২০২৫ সালের জুনে আফ্রিকা থেকে আমদানির ক্ষেত্রে একতরফাভাবে শুল্ক কমানোর ঘোষণাও দেন শি জিনপিং। এর কয়েক মাস পরই ট্রাম্প প্রশাসন আফ্রিকান দেশগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিশেষ প্রবেশাধিকার দেওয়ার একটি কর্মসূচি বাতিল করে দেয়।

চীনের আরও বড় লক্ষ্য হলো ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপে (টিপিপি) যোগদান। একসময় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এই জোটকে চীনের প্রভাব কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক বলয় তৈরির হাতিয়ার হিসেবে দেখেছিলেন। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতার প্রথম দিনেই যুক্তরাষ্ট্রকে এই চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন। জাপান ও অস্ট্রেলিয়া চীনের অর্থনৈতিক চাপের অভিজ্ঞতার কারণে এখনো চীনের সদস্যপদ নিয়ে অনাগ্রহী। তবে বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা বাড়তে থাকলে তাদের অবস্থান নরম হতে পারে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২৬ সালের মধ্যেই চীন টিপিপিতে যোগদানের পথে এগোতে পারে।

এপেক সম্মেলন চীনের অর্থনৈতিক কূটনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ২১ সদস্যের এই জোট সাধারণত খুব বেশি আলোচনায় না থাকলেও, চীনের মতো বড় অর্থনীতি আয়োজক হলে এর গুরুত্ব বেড়ে যাবে। আয়োজক দেশ হিসেবে চীন ওই বছর বহু অর্থনৈতিক বৈঠকের এজেন্ডা নির্ধারণের সুযোগ পাবে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র যখন সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছাঁটাই করছে, তখন চীন উল্টো তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করবে।

এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তন—এই দুটি ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পার্থক্য তুলে ধরতে পারে চীন। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ‘এআই প্রতিযোগিতায় জয়ের’ কথা বলছে, সেখানে চীন ‘গ্লোবাল সাউথের’ দেশগুলোর উন্নয়নে এআই ব্যবহারের বার্তা দিচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতেও তুলনামূলকভাবে দায়িত্বশীল অবস্থান নিয়েছে চীন, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে ‘ভুয়া’ বলে আখ্যা দেওয়া ট্রাম্পের বক্তব্যের বিপরীত।

তবে যুক্তরাষ্ট্র এখানেও বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের ‘ট্রান্স-শিপড’ পণ্যের ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি এখনো অস্পষ্ট। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সম্পর্ক আরও খারাপ হলে এই বিধান ব্যবহার করে চীনের সঙ্গে নতুন চুক্তি করা দেশগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। তবে তাতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরযোগ্য অর্থনৈতিক অংশীদার হওয়ার ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।




মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, হাজার হাজার ভিসা বাতিল

মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, হাজার হাজার ভিসা বাতিল
ছবি সংগৃহীত।

হাজার হাজার ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ব্যাপকভাবে অভিবাসন দমন অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আওতায় হাজার হাজার মানুষের ভ্রমণ ও অভিবাসন সুবিধা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় এক লাখ ৭৫ হাজার ভিসা বাতিলের কথা জানিয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিসা লঙ্ঘন, জালিয়াতি, সহিংসতার আহ্বান এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অন্যান্য হুমকির পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সংঘর্ষের কারণেই বেশিরভাগ ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যাপকহারে ভিসা বাতিল গত বছর ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর শুরু হওয়া অভিবাসন দমন অভিযানেরই প্রতিফলন। এর মাধ্যমে বৈধ ভিসাধারীসহ নজিরবিহীন সংখ্যক মানুষকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ধারাবাহিক যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের ফলস্বরূপ এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো, ভিসাধারীরা যাতে তাঁদের ভিসার শর্তাবলি মেনে চলেন এবং আমেরিকানদের বিপদে ফেলেন না, সেটি নিশ্চিত করা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলা, মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ ভিসা বাতিলের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল।

এতে আরও বলা হয়েছে, উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত একটি মার্কিন দূতাবাস ‘বার্থ ট্যুরিজমের’ জন্য ১০০ জনেরও বেশি দম্পতির ভিসা বাতিল করেছে। তারা মূলত সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন, যাতে তাঁদের সন্তানরা মার্কিন নাগরিকত্ব পায়।

মন্ত্রণালয় বলেছে, মার্কিন নিরাপত্তা বা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এমন বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত ও তদন্ত অব্যাহত রাখবে ট্রাম্প প্রশাসন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, মার্কিন ভিসা একটি বিশেষ সুবিধা, কোনো অধিকার নয়। যারা এই সুবিধার অপব্যবহার করবে, তাদের ভিসা বাতিল করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে গত জানুয়ারিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তারা এক লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে। ওই সময় এটি একটি রেকর্ড ছিল।

সূত্র : আল জাজিরা 




হাসিনার বক্তব্যকে আমরা সমর্থন করি না : ভারত

হাসিনার বক্তব্যকে আমরা সমর্থন করি না : ভারত
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের আপত্তি সত্ত্বেও গত ৫ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলতে দেয় ভারত সরকার। এ নিয়ে ঢাকা ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া জানায়।

হাসিনার প্রেস ব্রিফিংয়ের দুইদিন পর বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে ভারত। আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে এ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন এ সাংবাদিক। জবাবে তিনি প্রথমে দাবি করেন, হাসিনাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আর হাসিনা ওইদিন বাংলাদেশ সরকারকে নিয়ে যা যা বলেছেন সেটিতেও নয়াদিল্লির সমর্থন নেই।

রণধীর বলেন, “একটি বেসরকারি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের আয়োজিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এতে সরকারের কোনো অবদান নেই। আমি বিষয়টি আবারও পুনর্ব্যক্ত করছি।”

প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখা হাসিনা ও অন্যান্যদের কথার প্রতি ভারতের কোনো সমর্থন নেই উল্লেখ করে এ কূটনীতিক বলেছেন, “ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা কোনো কথাকেই (ভারত) সরকার সমর্থন করে না, বিশেষ করে বাংলাদেশের বৈধভাবে গঠিত সরকারের ব্যাপারে দেওয়া কোনো মন্তব্য তো নয়ই।”

হাসিনাপুত্র সজিব ওয়াজেদ ওইদিন মন্তব্য করেন ভারতের পূর্ব দিকের অঞ্চল (বাংলাদেশ) এখন  পাকিস্তানে পরিণত হচ্ছে এবং বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ বিস্তার লাভ করছে। এ ব্যাপারে রণধীরকে অপর এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন জয় যে কথা বলেছে সেটিকে ভারত সমর্থন করে কি না, এ ব্যাপারে তারা কোনো কিছু করছেন কি না।

জবাবে রণধীর বলেন, “আমরা আমাদের একদম পাশের প্রতিবেশীর ওপর গভীর নজর রাখি, বিশেষ করে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেগুলো সেগুলোর ওপর। আর এ ক্ষেত্রে যেসব পদক্ষেপ নিতে হয় আমরা সেগুলো নেই।”




থাইল্যান্ডে স্কুলে শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলা, শিক্ষকসহ নিহত ৭

থাইল্যান্ডে স্কুলে শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলা, শিক্ষকসহ নিহত ৭
ছবি সংগৃহীত।

থাইল্যান্ডে একটি স্কুলে এক শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলায় ৭ জন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ওই স্কুলের এক শিক্ষক এবং হামলাকারী নিজেও আছে।

আজ শুক্রবার সকালে থাইল্যান্ডের মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ ননথাবুরির বাং কুরাই জেলার একটি সুপরিচিত স্কুলে এই ঘটনা। হামলার সময় স্কুলটির দৈনন্দিন কার্যক্রম চলছিল।

ননথাবুরি প্রাদেশিক পুলিশের শীর্ষ নির্বাহী দেচরাপি কংদি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী কমপক্ষে ১৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আহত হয়েছেন। হামলাকারী ওই শিক্ষার্থীর নাম প্রকাশ করেননি তিনি, তবে বলেছেন যে নবম গ্রেডে পড়ত ওই শিক্ষার্থী এবং তার বয়স আনুমানিক ১৪ বছর।

দেচরাপি কংদি আরও জানান, স্কুলভবনের তৃতীয় তলার একটি ফাঁকা কক্ষ থেকে গুলি ছুড়েছিল ওই শিক্ষার্থী। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ার পর সে নিজে আত্মঘাতী হয়।

গুলি শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা স্কুল থেকে সরে পড়েছিলেন।

পাসাকর্ন চাইতাউইয়ং নামের আরেক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর। কী কারণে ওই শিক্ষার্থী এমন হামলা করল, তা এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাদেশিক পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে আগ্নেয়য়াস্ত্রের মালিকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে বর্তমানে সাধারণ নাগরিক পর্যায়ে ১ কোটি আগ্নেয়াস্ত্র আছে এবং দেশটিতে বসবাসকারী প্রতি ৭ জনের মধ্যে একজন আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক।

সূত্র : এএফপি