রাতদিন চলছে বালু উত্তোলন, অভিযোগের তীর জহির গংয়ের দিকে
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন

রাতদিন চলছে বালু উত্তোলন, অভিযোগের তীর জহির গংয়ের দিকে

রাতদিন চলছে বালু উত্তোলন, অভিযোগের তীর জহির গংয়ের দিকে
ছবি সংগৃহীত।

রাজনীতির আড়ালে লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ও চুনতি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় রাতদিন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে জাহেদুল ইসলাম জহির ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে সরকারি জমি, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আশপাশের এলাকা, কৃষিজমি ও পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুটিবিলা এলাকার ইব্রাহিম ও মোহছেন (প্রকাশ মহাসিন ডাক্তার)-এর দখলীয় জমি, সরকারি পিএফ জমি, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রিজার্ভ এলাকা, নলুবিল, ডলুখাল, হরি খাল, আন্দারি খাল ও পুলং খালসহ অন্তত ১৫-২০টি পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দিন-রাত সমানতালে এসব পয়েন্ট থেকে বালু তুলে ডাম্পার ও ড্রাম ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে।

সরেজমিন পরিদর্শনে অভিযোগ রয়েছে, চুনতি ইউনিয়ন ছাত্রদলের পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে জহির ও তার সহযোগীরা এসব বালু উত্তোলন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের নিয়ে এসব অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ন্ত্রন করছেন ছাত্রদল নামধারী জহির।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে কৃষিজমি, খালপাড় ও আশপাশের ভূমিতে ভাঙন দেখা দেওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কোথাও কোথাও বসতবাড়িও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

এদিকে বালু পরিবহনে ব্যবহৃত ভারী ডাম্পার ও ড্রাম ট্রাকের কারণে স্থানীয় গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নিয়মিত ভারী যানবাহন চলাচলে বিভিন্ন সড়কে গর্ত সৃষ্টি ও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলেও দুর্ভোগ বাড়ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেকে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না বলেও দাবি করেন তারা।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার বা ব্যাখ্যা করার সুযোগ অভিযুক্ত জাহেদুল ইসলাম জহিরকে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা ২০০ টাকার মালিক, এমবি খরচ লাগলে বলেন, আমি দিবো। আমার বিরুদ্ধে নিউজ লিখেন, দেখি আমার কী করতে পারেন। বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগের বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি জমির আশপাশে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলনের অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন। তারা অবিলম্বে সরেজমিন তদন্ত করে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং সরকারি সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সচেতন এলাকাবাসীর দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলনের স্থানগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হলে সরকারি সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় সড়ক ও জনজীবনও সুরক্ষিত হবে।

এ বিষয়ে লোহাগাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মং এছেন বলেন, বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যেকোনো দলের বা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ ধ্বংসকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
 




বাঁশখালীতে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে দুজন গ্রেপ্তার

বাঁশখালীতে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে দুজন গ্রেপ্তার
বাঁশখালী থেকে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে আটক মোহাম্মদ আলী ও তফজল আলী সোহেল।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে দুজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে দুটি ট্রাক, ফিশিং বোট ও সিমেন্ট।

তাছাড়া উপজেলার খানখানাবাদ ও ছনুয়াসহ বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে নিয়মিতই মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে সিমেন্ট পাচার করে সেই দেশ থেকে ইয়াবা চালানের নিরাপদ রুট হিসেবে বাঁশখালীকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের চৌধুরীঘাট এলাকা থেকে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৪১০ বস্তা সিমেন্টসহ দুটি ট্রাক এবং দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। জব্দ করা সিমেন্টের মধ্যে চৌধুরীঘাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩৪ ব্যাগ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার মো. হোসেনের ছেলে মো. আলী (২৭) এবং পটিয়া উপজেলার কালারপুল চাপড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল আলিমের ছেলে তফজল আলী সোহেল (৩৭)।

বাঁশখালী থানা-পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের চৌধুরীঘাট এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিযান চালায়। এ সময় খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড চৌধুরীঘাট এলাকায় বাংলাদেশি পণ্য (সিমেন্ট) ট্রাকে করে ঘটনাস্থলে এনে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে সাগর ও নদীপথে মিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা কালে মোহাম্মদ আলী ও তফজল আলী সোহেল নামের দুজনকে হাতেনাতে আটক করে। অভিযানকালে তাঁদের হেফাজত থেকে ১টি ফিশিং ট্রলার ও দুটি ট্রাকসহ ৩৪ ব্যাগ ডায়মন্ড সিমেন্ট জব্দ করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সর্বমোট ৪১০ ব্যাগ সিমেন্ট উদ্ধার করে পুলিশ।

বাঁশখালী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোহাম্মদ আরিফ জানান, এ ঘটনায় আটক দুজনসহ অজ্ঞাতনামা সাত-আট জনের বিরুদ্ধে বাঁশখালী থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫বি/২৫ডি ধারায় একটি মামলা (নম্বর-৪৩, তারিখ- ৩০/০৯/২০২৬) রুজু করা হয়েছে।




তৃণমূল পর্যায়ে এনসিপিকে সংগঠিত করতে কাজ করছি: সাজ্জাদ হোসাইন

তৃণমূল পর্যায়ে এনসিপিকে সংগঠিত করতে কাজ করছি: সাজ্জাদ হোসাইন
ছবি সংগৃহীত।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মানুষের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার উপযোগী একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসাইন।

১ অক্টোবর সকালে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশের মানুষের অধিকার, প্রত্যাশা ও কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে এনসিপি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়, নতুন কর্মী সম্পৃক্তকরণ, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এনসিপি জনগণের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছে। তরুণ সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি অংশগ্রহণমূলক ও জনমুখী রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করার জন্য ধারাবাহিকভাবে সাংগঠনিক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হবে। জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরি করতে তাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন।

সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, “এনসিপিকে একটি সমৃদ্ধ, শক্তিশালী ও জনকল্যাণমুখী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সমাজের সচেতন নাগরিক, তরুণ প্রজন্ম এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ইতিবাচক সহযোগিতা আমরা প্রত্যাশা করি।”

তিনি জানান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসূচি জোরদার করা হবে। সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব তৈরি, কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত করে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, মানুষের কল্যাণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করাই হবে তাঁদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।




ইভটিজিং মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাদীর ওপর হামলা, আহত ২

ইভটিজিং মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাদীর ওপর হামলা, আহত ২
আহত রুবেল ও তার পিতা তমিজ উদ্দিন

আনোয়ারায় ১২ বছরের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের মামলায় গ্রেপ্তার আসামি জামিনে এসে আবারও বাদীর পরিবারের ওপর দুফা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে মামলার বাদী মোহাম্মদ রুবেল (৩৮) ও তার পিতা তমিজ উদ্দিন (৬০) গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বুধবার বিকেলে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের হেটিখাইন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই রাতে এক কিশোরীর চাচার দোকানের সামনে উত্ত্যক্ত করার ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন তার চাচা মোহাম্মদ রুবেল। এর জেরে অভিযুক্তরা ওই কিশোরীর চাচার দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং ঘটনার পর দিন কিশোরীর বাড়িতেও হামলা করে। এতে নারী-পুরুষসহ পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ওই এলাকার অভিযুক্ত রোকনকে (২৫) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। সম্প্রতি রোকন জামিনে বেরিয়ে এসে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। বুধবার বিকেলে রোকন দলবল নিয়ে মামলার বাদীকে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে কুপিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁদের ওপর আবারও হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।

আহত বৃদ্ধ তমিজ উদ্দিন (৬০) বলেন, ‘বিকেলে রোকন ও শিবলু দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার ছেলেকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। এ সময় আমরা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ আসে। অভিযুক্তরা পুলিশের সামনেই আমাকে হামলা করে পালিয়ে যায়।’

আহত মোহাম্মদ রুবেলের বড় ভাই মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, ‘অভিযুক্তরা জেল থেকে বেরিয়ে ইভটিজিংয়ের মামলা তুলে নিতে বারবার চাপ সৃষ্টিসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। মামলা তুলে না নেওয়ায় তারা আমার পরিবারের ওপর দুই দফায় হামলা করে। এতে আমার ভাই ও বাবা গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় আরেকটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়ালি উল্লাহ বলেন, গুরুতর আহত দুই ব্যক্তিকে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আমরা অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’