রাত ৮টার পরিবর্তে ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন

রাত ৮টার পরিবর্তে ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের

রাত ৮টার পরিবর্তে ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের
ছবি সংগৃহীত।

ঢাকাসহ সারা দেশের মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সরকারি নির্দেশনা জারির জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (২ নভেম্বর) সংগঠনের সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান টিপুর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকার মার্কেট, বিপণিবিতান ও শপিংমলে বর্তমানে ক্রেতাসংকট ও বিক্রিতে মন্দা দেখা দিয়েছে। রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ রাখার বাধ্যবাধকতার কারণে ব্যবসায়ীদের বিক্রির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে। এতে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন। অনেক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার ঝুঁকিতেও রয়েছেন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, শুধু ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না, এর প্রভাব পড়ছে বিপুলসংখ্যক কর্মচারীর জীবন-জীবিকার ওপরও। দেশের প্রায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী মালিক এবং তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ কর্মচারীর জীবিকা এ খাতের ওপর নির্ভরশীল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১ নভেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের জীবন-জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট, মার্কেট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সংগঠনটির নেতারা মনে করেন, রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি ফিরবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি কমবে এবং কর্মসংস্থান রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

এ অবস্থায় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখা এবং লাখ লাখ ব্যবসায়ী ও কোটি মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় সরকারি নির্দেশনা জারির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।




সোনার দাম আরও বাড়লো, ভরি কত?

সোনার দাম আরও বাড়লো, ভরি কত?
ছবি সংগৃহীত।

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৩ হাজার ২২৪ টাকা। এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বাড়ায় এই দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ২টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বুধবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সোনার দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।




শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৪৬৯ পোশাক কারখানা

শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৪৬৯ পোশাক কারখানা
ছবি সংগৃহীত।

শ্রম অসন্তোষের জেরে আজ মঙ্গলবারও দেশের ৪৬৯টি তৈরি পোশাক (আরএমজি) কারখানা বন্ধ রয়েছে। চলমান অস্থিরতায় সময়মতো পণ্য রপ্তানি এবং ক্রয়াদেশ (ওয়ার্ক অর্ডার) বাতিল হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন কারখানার মালিকরা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সূত্র জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে কয়েকদিন ধরে পোশাক শ্রমিকরা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে সুপারিশ দেওয়ার লক্ষ্যে গত ১ নভেম্বর সরকার ছয় সদস্যের একটি মজুরি বোর্ড গঠন করলেও আন্দোলন থামেনি।

বরং কাজে যোগ না দিয়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন শ্রমিকদের একটি অংশ। এসময় বিভিন্ন কারখানায় ভাঙচুর এবং কারখানার গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহনে হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে পোশাক কারখানার মালিকদের মধ্যে। নির্ধারিত সময়ে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পণ্য পাঠাতে না পারলে রপ্তানি আদেশ বাতিল হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্পে এ ধরনের অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখাও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

মজুরি নিয়ে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের বিরোধের দ্রুত সমাধান এবং কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম ফিরিয়ে আনা এখন শিল্প-সংশ্লিষ্টদের প্রধান প্রত্যাশা।

বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জাগো নিউজকে বলেন, শ্রমিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। এই বোর্ড তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণে সুপারিশ করবে। তাই মজুরি বোর্ড গঠনের পরও শ্রমিকদের আন্দোলন অব্যাহত রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, মজুরি নির্ধারণের জন্য সরকার যখন একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তখন আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানের সুযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় আন্দোলন ও কর্মবিরতি অব্যাহত থাকলে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হবে। এতে নির্ধারিত সময়ে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহ করা মালিকদের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। রপ্তানি আদেশ বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

ফজলে শামীম এহসান আরও বলেন, উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন ঘটলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের ভাবমূর্তি ও আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একবার ক্রেতাদের আস্থায় সংকট তৈরি হলে তা পুনরুদ্ধার করা সহজ হবে না। এর নেতিবাচক প্রভাব শুধু কারখানার মালিকদের ওপর নয়, পুরো শিল্পের ওপর পড়বে।

শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভাঙচুর ও সহিংসতার পথ পরিহার করে শ্রমিকদের কাজে ফেরা উচিত। কোনোভাবেই শিল্পের উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত করা সমীচীন নয়। কারণ, শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হলে শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব শ্রমিকদের ওপরও পড়বে। কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে কর্মসংস্থান, আয় ও জীবিকার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধৈর্য ধারণ করে মজুরি বোর্ডের সুপারিশের জন্য অপেক্ষা করা এবং শিল্পের স্বার্থে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।




অক্টোবরে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ

অক্টোবরে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দেশের রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তৈরি পোশাক খাতের ভালো পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩৯৩ কোটি মার্কিন ডলারে, যা গত বছরের অক্টোবরে ছিল ৩৮২ কোটি ডলার।

রোববার (১ নভেম্বর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ রপ্তানি আয়ের পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চার মাসে দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭০৮ কোটি ৫৯ লাখ মার্কিন ডলার। আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৬১৩ কোটি ৭০ লাখ ৩০ হাজার ডলার। সে হিসাবে চার মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

পোশাক খাতে ৫.৮২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক খাতেও প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৩৭৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১ হাজার ২৯৯ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এ সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ।

শুধু অক্টোবর মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় বেড়েছে ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। গত বছরের অক্টোবরে এ খাতে রপ্তানি আয় ছিল ৩০১ কোটি ৯৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা চলতি বছরের অক্টোবরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১৬ কোটি ৭৭ লাখ ৯০ হাজার ডলারে।

তৈরি পোশাকের দুই প্রধান উপখাত নিটওয়্যার ও ওভেন—উভয় ক্ষেত্রেই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। জুলাই-অক্টোবর সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেড়ে ৭৭২ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলারে পৌঁছেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৭২৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার।

অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি আয় ৪ দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়ে ৬০১ কোটি ৭৩ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে এ খাতে আয় ছিল ৫৭৫ কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

অক্টোবর মাসের হিসাবেও নিটওয়্যার রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

রপ্তানির শীর্ষ বাজার যুক্তরাষ্ট্র

দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের তালিকায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একক বাজার হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৩৪ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৩০০ কোটি ২৭ লাখ ৩০ হাজার ডলার। সে হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি বেড়েছে ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার যুক্তরাজ্য। চার মাসে দেশটিতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৭৪ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার। তৃতীয় অবস্থানে থাকা জার্মানিতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৫৬ কোটি ৬৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

অন্যদিকে, ১৫১ কোটি ৫৪ লাখ ৭০ হাজার ডলারের রপ্তানি আয় নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে স্পেন। দেশটিতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

উদীয়মান বাজারে বাড়ছে রপ্তানি
প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি উদীয়মান বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। প্রধান রপ্তানি গন্তব্যগুলোর মধ্যে তুরস্কে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৮২ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়ে ১৫ কোটি ৯৯ লাখ ২০ হাজার ডলার থেকে ২৯ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার ডলারে উন্নীত হয়েছে।

এ ছাড়া ভারতের বাজারেও বাংলাদেশের রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। রপ্তানি গন্তব্যের তালিকায় দেশটির অবস্থান সপ্তম। অন্যদিকে, জাপান রয়েছে নবম অবস্থানে। এ দুটি বাজারেই রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

ইপিবির প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান দেশের রপ্তানি খাতের সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা এবং রপ্তানিকারক, শ্রমিক, উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতিফলন বলে মনে করছে সংস্থাটি।

রপ্তানি প্রবৃদ্ধির এ ধারা ধরে রাখতে পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণ, নতুন বাজার সম্প্রসারণ, পণ্যের মানোন্নয়ন এবং বাণিজ্য সহজীকরণে সহায়তা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো। দীর্ঘমেয়াদে দেশের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।