রামুর ঈদগড় -ঈদগাঁও সড়কের ঢালা গুলোতে গুচ্ছ গ্রাম বসানোর দাবী
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন

রামুর ঈদগড় -ঈদগাঁও সড়কের ঢালা গুলোতে গুচ্ছ গ্রাম বসানোর দাবী

রামুর ঈদগড় -ঈদগাঁও সড়কের ঢালা গুলোতে গুচ্ছ গ্রাম বসানোর দাবী
ছবি সংগৃহীত।

‎কক্সবাজার রামুর ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের  হিমছড়ী ঢালা ও পানেরছড়া ঢালায় গুচ্ছ গ্রাম বসানোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী। 

‎সড়কের উল্লেখিত ঢালা গুলোতে জন্ম লগ্ন থেকেই ডাকাতি, ছিনতাই,খুন, অপহরণসহ নানা অপরাধ মূলক কর্মকান্ড ঘটে চলছে। 

‎কোন ভাবেই তা প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। দিন কিংবা, সন্ধ্যা অথবা রাতে যখন তখন ডাকাতরা সড়কে চলাচলকৃত যাত্রীদের আটকিয়ে সব কিছু লুটে নিচ্ছে। 

‎শুধু তা নয় অপহরণ করে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মুক্তিপন হিসাবে। 

‎অপরদিকে অনেককে ব্যাপক মারধর করে বেশ কয়দিন টাকার জন্য জঙ্গলে আটকিয়ে রাখে। 
‎এছাড়া উক্ত সড়কে ডাকাতের গুলিতে অনেকে নিহত হয়েছেন। আবার অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। 

‎উল্লেখ্য জনসাধারণের পাশাপাশি  পানেরছড়া ঢালায় ইতিপূর্বে ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্পে দায়িত্বরত নায়ক সুশময় চাকমা ডাকাতের গুলিতে নিহত হন। 

‎ডাকাতি প্রতিরোধে ঈদগড় বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় সভা, সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে এলাকার সর্বস্তরের জন সাধারণ। এমনি সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সময় বেধে দেয় জন সাধারণ চলাচলের জন্য। এ সময়ে পুলিশও টহল দেয় ডাকাতি বন্ধ করার জন্য। 

‎যুগের পর যুগ ধরে ডাকাতের কবলে পড়ে ঈদগড়-ঈদগাঁও-বাইশারী এলাকার লোকজন সর্বস্ব হারাচ্ছে।  যা লিখে শেষ করা যাবে না। 
‎ইতিপূর্বে ঢালা গুলোতে পুলিশি ট্রেনিং সেন্টার, সেনাবাহীনি ক্যান্টনম্যান্ট করার কথা হলেও তা এখনো বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশ লোকজন। তাছাড়া এগুলো আদৌ বাস্তবায়ন হয় কিনা তা নিয়ে শংশয়  দেখা  দিয়েছে। 

‎সারাজনম আতংকে জীবন যাপন করছেন তিন ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। 
‎বিশেষ করে বর্তমানে সন্ধ্যা হলে নেমে আসে জন জীবনে চরম আতংক। 

‎এভাবে আর কত দিন, কতকাল,কত বছর এবং কত যুগ আতংকে দিন কাটাবে তাও কারো জানা নেই।  কবে নাগাদ এ সব থেকে মুক্তি পাবে লোকজন। কে বলতে পারবে। 

‎এলাকার সচেতন মহল মনে করেন ডাকাতি বন্ধে ঢালা গুলোতে অতিসত্বর গুচ্ছ গ্রাম  বসানো হউক।
 




সরকারি হাসপাতালে সেবার সংকট, ঝুঁকি নিয়ে ধাত্রীর দিকে ঝুঁকছেন প্রসূতিরা

সরকারি হাসপাতালে সেবার সংকট, ঝুঁকি নিয়ে ধাত্রীর দিকে ঝুঁকছেন প্রসূতিরা
ছবি সংগৃহীত।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশে প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের পরিবর্তে ধাত্রীদের মাধ্যমে প্রসূতিদের চিকিৎসা ও প্রসব করানোর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি হাসপাতালে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়া এবং বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে অতিরিক্ত খরচের কারণে ঝুঁকি জেনেও অনেকে ধাত্রীদের কাছে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

অভিযোগের তীর হোসনে আরা বেগম নামের এক ধাত্রীর দিকে। স্থানীয়দের দাবি, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে একটি বাসায় দীর্ঘদিন ধরে প্রসূতিদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। সেখানে নিয়মিত প্রসব করানোর পাশাপাশি জটিল রোগীদের শেষ মুহূর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, অনেক রোগীকে তুলনামূলক স্বাভাবিক অবস্থায় ওই বাসায় নেওয়া হলেও পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়। এতে প্রসূতি ও নবজাতকের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে তারা মনে করছেন।

শুধু হোসনে আরা বেগম নন, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশে আরও কয়েকজন ধাত্রী নিয়মিত প্রসূতিদের সেবা ও প্রসব করাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যকর নজরদারি ও ব্যবস্থা নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

এদিকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মান নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ রয়েছে। চিকিৎসকসংকট, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবার সীমাবদ্ধতা এবং বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক রোগী কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে প্রসবসহ বিভিন্ন চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বেসরকারি চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে না পেরে অনেক পরিবার তুলনামূলক কম খরচের আশায় ধাত্রীদের দ্বারস্থ হচ্ছে। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও অনেকে বাসায় প্রসবের পথ বেছে নিচ্ছেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, প্রসূতি ও নবজাতকের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রশিক্ষিত ও অনুমোদিত চিকিৎসক ছাড়া কেউ চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করলে তার দায়ভার কে নেবে?

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা, বৈধ অনুমোদন এবং কোন ধরনের চিকিৎসা বা প্রসবসেবা দেওয়ার আইনগত অধিকার রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা জরুরি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে অভিযোগের বিষয়ে হোসনে আরা বেগম দাবি করেন, তিনি প্রসবপূর্ব বা প্রসবপরবর্তী স্বাস্থ্য পরীক্ষা (চেকআপ) ছাড়া কোনো চিকিৎসা করান না।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জয়নুল আবেদীন বলেন, ধাত্রীরা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার আওতাধীন। তবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অভাবে অভিযান পরিচালনা করা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কক্সবাজারের জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাবের আহমদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রসূতি ও নবজাতকের নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি অনুমোদনহীন বা ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।