রামু উপজেলা বিআরডিবির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের ইউএনওর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন

রামু উপজেলা বিআরডিবির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের ইউএনওর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

রামু উপজেলা বিআরডিবির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের ইউএনওর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
ছবি সংগৃহীত।

রামু উপজেলা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা ইউএনও মো. জিল্লুর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। সাক্ষাৎকালে সমিতির সার্বিক অগ্রগতি, কার্যক্রমের প্রসার এবং সেবাগ্রহীতাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আলোচনায় সমিতির কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, সেবাগ্রহীতাদের সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিআরডিবির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবুল বশর বাবু ও উপস্থিত পরিচালকরা সমিতির উন্নয়ন ও সেবার মান বৃদ্ধিতে প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান সমিতির কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিআরডিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা পাচারকালে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোররাত আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী এলাকায় এ অভিযান চালায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

আটক যুবক উখিয়া থানাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৪, ব্লক-৬-এর বাসিন্দা নুরু বশরের ছেলে সৈয়দ কবির (২৫)।

বিজিবি জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি চালান আসছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সীমান্তবর্তী ওবিএম পোস্ট-১ সংলগ্ন সুইচগেটের নিকটবর্তী নুর মোহাম্মদের মাছের ঘের নামক স্থানে কৌশলগত অবস্থান নেয়। এ সময় মিয়ানমারের দিক থেকে এক ব্যক্তিকে হাতে ব্যাগ নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবির সন্দেহ হয়।

বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে সে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিকভাবে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। পরে তার হাতে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ৩ কার্টন অর্থাৎ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সৈয়দ কবির স্বীকার করেন যে, সে উক্ত ইয়াবা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে কম দামে কিনে বাংলাদেশে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসছিল।

এ বিষয়ে ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহকারী এবং জড়িত চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

আটক আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।




শাহপরীর দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শাহপরীর দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরীর একটি বিশেষ দল শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালীন ওই এলাকায় একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক পাচারকারীরা নৌকাটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ভাসমান অবস্থায় একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগটি খুলে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা আরও জানান, জব্দ করা ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।




ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যায় ২ নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যায় ২ নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোচিত ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসান (২৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চকরিয়া থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বড়ভাই কাইছার হামিদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। 

মামলায় রাজিয়া সুলতানা কে প্রধান আসামী করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। নিহত জিসান উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক।

মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই কাইছার হামিদ বলেন,এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে জিসানকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। আমরা এজাহারে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করেছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই দাবি,অবিলম্বে এই চিহ্নিত খুনিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং আমার ভাই হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাকারা মাঝের স্টেশন এলাকা থেকে একদল দুর্বৃত্ত জিসানকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়। অপহরণের চার ঘণ্টা পর সোমবার ভোররাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ,জিসানকে চকরিয়া পৌরসভা ৪ নম্বর ওয়ার্ড সবুজবাগ এলাকার কবির টাওয়ারে নিয়ে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি বলেন,জিসান সংগঠনের একজন উদীয়মান নেতা ছিলেন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িত মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে সাধারণ ছাত্রসমাজকে সাথে নিয়ে চকরিয়ার রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান,মামলা রুজু হওয়ার পর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।