রোয়াংছড়িতে রেঞ্জ কর্মকর্তার সহযোগিতায় অবৈধ কাঠ পাচার

বান্দরবান পাল্পউট ডিভিশনের রোয়াংছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা শফিকুল আলম পাটোয়ারির সাথে সংঘবদ্ধ কাঠপাচারকারীর আতাতের মাধ্যমে প্রতিদিন পাচার হয়ে যাচ্ছে বনের মুল্যবান কাঠ।
সরকারি জোট পারমিটকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে অবৈধ কাঠ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, এই পাচারচক্রের নেতৃত্বে রয়েছেন রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক কমল তঞ্চঙ্গ্যার সাথে আতাত করে রোয়াংছড়িত রেঞ্জ অফিসার প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা অবৈধ টাকা আয় করছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জোট পারমিটের সীমিত শর্ত ও পরিমাণকে অগ্রাহ্য করে অতিরিক্ত কাঠ উত্তোলন করা হচ্ছে। কাগজে-কলমে বৈধতা দেখিয়ে রাতের আঁধারে পাহাড়ের দুর্গম এলাকা থেকে সেগুন, গর্জনসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ট্রাক ও পিকআপে করে পাচার করা হয়। এসব কাঠ পরে জেলার বাইরে বিভিন্ন করাতকল ও ব্যবসায়ীর কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে।
এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বন উজাড়ের ফলে পাহাড়ে ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়েছে এবং প্রাকৃতিক জলাধারগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। আমরা বারবার অভিযোগ করলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে রোয়াংছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা শফিকুল আমিন পাটোয়ারীকে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেনি।
এ বিষয়ে বান্দরবান পাল্পউড প্ল্যান্টেশন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আবু ইউসুফ বলেন, অবৈধ কাঠ পাচারের অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট সকল রেঞ্জ কর্মকর্তাদের বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করা হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন।












