লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতির অভিযোগ
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন

লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতির অভিযোগ

লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতির অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে চরম দরিদ্রতা ও অসহায়ত্বকে পুঁজি করে দুই বোনের বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। একই জমি একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি এবং বিক্রির পর জমির দলিল হস্তান্তর না করায় চরম জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

অভিযুক্ত দুই বোন হলেন—লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ফাদুরছড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আবদু ছালাম ও মৃত খুরশিদা খাতুনের মেয়ে মদিনা বেগম (৫০) ও জরিনা বেগম (৪৭)। অন্যদিকে তাঁদের অসচ্ছলতার সুযোগ নিয়ে একটি দালাল চক্র ক্রেতাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতে নানা ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম, হামিদা আক্তার, মো. লালু, নুরুল কবির ও জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সরেজমিনে জানা যায়, মদিনা বেগম ও জরিনা বেগমের বাবা মৃত আবদু ছালাম লামা উপজেলার ৩০৬ নম্বর ফাইতং মৌজার ফাদুরছড়া এলাকায় আর/৩৩০ নম্বর হোল্ডিং সূত্রে ৫ একর ৩য় শ্রেণির জমির মালিক ছিলেন। ২০১৭ সালে ‘মক্কা মদিনা ব্রিকস’ (এমএমবি) নামের একটি ইটভাটা স্থাপনের জন্য মূল মালিক আবদু ছালামের স্ত্রী খুরশিদা খাতুন ও দুই মেয়ে মদিনা বেগম ও জরিনা বেগম ৫ বছরের জন্য উক্ত জমি ভাড়া দেন। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দুই বোন স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে উক্ত জমি রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেন (১৪ এপ্রিল ২০১৯ তারিখের ২৮৮/২০১৯ নম্বর চুক্তিনামা দলিলসূত্রে ৪ একর ৯০ শতক)। এ নিয়ে পরবর্তীতে মামলা-মোকদ্দমা হলে দেওয়ানি আদালত রুহুল আমিনকে জমির বৈধ মালিক হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

ইটভাটার মালিক মুমিনুল ইসলাম ও গিয়াস উদ্দিন জানান, উক্ত জমিতে ইতোমধ্যে 'এমএমবি' ইটভাটা গড়ে ওঠায়, ইটভাটার মালিক ওয়াহিদুল ইসলাম বায়নানামা দলিল (৩০৫/২০২১ ও ২৪২/২০২২ নম্বর) সূত্রে রুহুল আমিনের কাছ থেকে ৩ একর ১০ শতক জমি ক্রয় করেন। ইটভাটার অপর অংশীদার ফরিদ উদ্দিন রুহুল আমিনের বাকি অংশ ক্রয় করেন। এছাড়া জমির মূল মালিক মৃত আবদু ছালামের দ্বিতীয় স্ত্রী ও সন্তানরাও এই সম্পত্তির অংশীদার হওয়ায় ভাটার অন্য অংশীদার গিয়াস উদ্দিন তাঁদের কাছ থেকেও তাঁদের প্রাপ্য অংশ কিনে নেন। পাশাপাশ পার্শ্ববর্তী আলী আহমদের ছেলে আলী হোসেনের কাছ থেকেও ইটভাটার জন্য ৫ একর জমি ভাড়া নেওয়া আছে। তাঁদের ভাষ্য, "রেকর্ডপত্রে যে পরিমাণ জমি রয়েছে, বর্তমানে আমাদের দখলে ততটুকু নেই। তা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা আমাদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা হাতিয়ে নিতে না পেরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।"

অভিযোগ রয়েছে, রুহুল আমিনের কাছে ৪ একর ৯০ শতক জমি বিক্রির পরেও মদিনা ও জরিনা তথ্য গোপন করে জালিয়াতির মাধ্যমে স্থানীয় স্ট্যাম্পে (গ্রাম্য কাগজে) আরও ৯০ শতক জমি বিক্রি করেন। এর মধ্যে আবু বক্কর ছিদ্দিকের স্ত্রী মমতাজ বেগমের কাছে ৩০ শতক, জাহাঙ্গীর আলমের কাছে ৩০ শতক, হামিদা বেগমের কাছে ১০ শতক, মো. লালুর কাছে ১০ শতক এবং নুরুল কবিরের কাছে ১০ শতক জমি বিক্রি করা হয়।

ভুক্তভোগী ক্রেতারা জানান, জমি বুঝিয়ে দেওয়া হলেও তাঁদের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেওয়া হয়নি। বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও দুই বোন বিষয়টি এড়িয়ে চলছেন। ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম বলেন, "দুই বোন এখন এলাকায় থাকেন না। জমি বিক্রি করে অন্যত্র চলে গেছেন। বর্তমানে কিছু ভূমিদস্যু ও দালালের সহায়তায় ইটভাটা মালিক ও আমাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় তাঁরা মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছেন।"

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মদিনা বেগম বলেন, "এই জমি আমাদের। আমরা কারও কাছে জমি বিক্রি করিনি। ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা জমি উদ্ধার এবং জালিয়াতিতে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।"

এ বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইছার হামিদ জানান, "বিষয়টি মূলত জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধ। আদালতই এই সমস্যার আইনি সমাধান দেবেন। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকে, সেজন্য ফাইতং পুলিশ ক্যাম্পকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে।"




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।