লামায় জব্দ ড্রেজার ইউএনওর অফিস সহায়কের বাড়িতে, নিলামে হট্টগোল
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন

লামায় জব্দ ড্রেজার ইউএনওর অফিস সহায়কের বাড়িতে, নিলামে হট্টগোল

লামায় জব্দ ড্রেজার ইউএনওর অফিস সহায়কের বাড়িতে, নিলামে হট্টগোল
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনিক অভিযানে জব্দ করা ড্রেজার মেশিন উম্মুক্ত নিলামকে কেন্দ্র করে চরম চাঞ্চল্য ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, জব্দকৃত ভাল মানের ড্রেজার মেশিন রাতের আঁধারে সরিয়ে জরাজীর্ণ ও নষ্ট মেশিন রেখে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনায় উপজেলা পরিষদের অফিস সহায়কের সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছেন ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা।
​জানা যায়, গত কয়েক মাসে লামা উপজেলা প্রশাসন অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে একাধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৩টি ড্রেজার মেশিন ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম জব্দ করে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সোমবার (১৪সেপ্টেবর)বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসন জব্দকৃত ড্রেজারগুলো উম্মুক্ত নিলামে তোলার সময় নির্ধারণ করে। স্থানীয় ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় অর্ধশত ব্যবসায়ী নিলামে অংশ নেন। তবে উপজেলা প্রশাসন নির্ধারিত সরকারি মূল্যের দর না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত নিলাম স্থগিত করা হয়।

​নিলাম স্থগিতের পাশাপাশি জব্দকৃত মালামাল গায়েব হওয়া নিয়ে নিলাম স্থলে শুরু হয় তুমুল হট্টগোল। নিলামে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম ও মো. আইয়ুব জানান, অভিযানে জব্দ করা বেশ কয়েকটি ভালো ড্রেজার মেশিন নিলামের স্থানে পাওয়া যায়নি। সেগুলোর বদলে রাখা হয়েছে জরাজীর্ণ ও ছোট কয়েকটি অকেজো মেশিন।
অভিযোগ ওঠে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)-এর ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত অফিস সহায়ক মো. সোহেল রাতের আঁধারে ২টি ভালো ড্রেজার মেশিন সরিয়ে নিজের বাড়িতে রেখে অকেজো দুটি ড্রেজার সেখানে প্রতিস্থাপন করেন।

​নিলাম চলাকালে অকেজো ও ভাঙাচুরা মেশিনগুলোর দাম ৪ লাখ টাকা হাঁকানো হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ছড়ায়। ভালো মেশিনগুলো কোথায় জানতে চাইলে চরম বাকবিতণ্ডা ও হট্টগোল শুরু হয়। পরবর্তীতে দুপুরে কয়েকজন ব্যবসায়ী ইউএনও অফিসের ৫০০ গজের মধ্যে অবস্থিত সোহেলের বাড়ি গিয়ে নিখোঁজ ২টি ড্রেজার মেশিন খুঁজে পান।

এদিকে,​সোহেলের বিরুদ্ধে সরকারি আদেশ অমান্য করে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে বহাল তবিয়তে পূর্বের কর্মস্থলে অবস্থান করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বদলি সংক্রান্ত প্রশাসনিক নির্দেশনার পরও প্রভাবে খাটিয়ে নিজ চেয়ার আঁকড়ে ধরে আছেন বলে স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে।
​
আরো জানা যায়, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা রক্ষা ও কাজের স্বচ্ছতা ফেরাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সোহেলকে আলীকদম উপজেলায় বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে অদৃশ্য ক্ষমতার বলে তিনি বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান না করে লামাতেই অবস্থান করছেন। এতে করে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সোহেলের একটি ফোনালাপ ও অডিও যোগাযোগ প্রকাশ পাওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এতে দেখা যায়, বিভিন্ন দাপ্তরিক কিংবা সরকারি কাজের মেশিনপত্র কেনাবেচা এবং লেনদেনের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে অনেকে তার কাছে জবাবদিহিতা চাইছেন। তবে উক্ত অডিও রেকর্ডে সোহেল রুবেল নামে সাবেক এক কর্মীকে দুবছর আগে মেশিন আমার ছোট ভাইয় কিনেছে বলতে শিখিয়ে দিতে শুনা যায়। 
​
একদিকে বদলির আদেশ উপেক্ষা করে বহাল তবিয়তে অবস্থান, অন্যদিকে বিভিন্ন দাপ্তরিক লেনদেন নিয়ে বিতর্কের কারণে স্থানীয় প্রশাসনিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সুশাসনের স্বার্থে অবিলম্বে সরকারি বদলি আদেশ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য বান্দরবান জেলা প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

​তবে অভিযোগ অস্বীকার করে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন বলেন, একই ধরনের ড্রেজার মেশিন অনেকের কাছেই থাকতে পারে। সোহেলের বাড়িতে থাকা ড্রেজারটি প্রশাসনের জব্দ করা মেশিন এটি কীভাবে নিশ্চিত হওয়া গেল? একটি অসাধু সিন্ডিকেট সরকারি কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করতেই এসব ইস্যু তৈরি করছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সানিউল ফেরদৌস জানান,লিখিত অভিযোগ বা নিউজ হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার মিরিঞ্জা পর্যটন এলাকায় অবস্থিত ‘মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ জোরপূর্বক দখল, হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) লামার স্থানীয় একটি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রিসোর্টের অংশীদার মো. সুলতান মাহমুদের পক্ষে অপর অংশীদার জাফর মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, লামা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলিঙ্গারবিল এলাকার জাফর মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বড় নুনারনবিল পাড়ার বাসিন্দা মো. সুলতান মাহমুদ দীর্ঘদিন ধরে “মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট” অংশীদারির ভিত্তিতে পরিচালনা করে আসছিলেন। পূর্বে জমির মূল মালিক দুলাল মিয়ার সঙ্গে জটিলতা নিরসন করে মো. রাসেল চৌধুরী নামক বিবাদী টাকা বুঝে নিয়ে অংশীদারত্ব থেকে সরে যান এবং বাদী শেয়ার বুঝে নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকেন। কিন্তু পরবর্তীতে রাসেল চৌধুরীসহ একটি চক্র রিসোর্টের অংশীদারত্ব দাবি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবি শুরু করে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টায মো. রাসেল চৌধুরীর (সাবেক যুবলীগ নেতা) নেতৃত্বে শিশির স্বপন চাকমা, সঞ্জিতা চাকমা, মো. আরিফুল ইসলাম (ছাত্রলীগ নেতা), শাহাব উদ্দিন ও আলা উদ্দিনসহ ২০ থেকে ৩০ জনের একটি সশস্ত্র ও সন্ত্রাসী দল অবৈধভাবে রিসোর্টে প্রবেশ করে। তারা পূর্বে দাবিকৃত ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা চাঁদা না পেয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায় এবং আনুমানিক ১০,০০,০০০ (দশ লাখ) টাকার ক্ষতিসাধন করে।

হামলায় বাধা দিলে তারা মো. সুলতান মাহমুদ ও জাফর মিয়াকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। হামলাকারীরা ঘটনাস্থل থেকে একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি মোবাইল (মূল্য ৪৫,০০০ টাকা), একটি অপো মোবাইল (মূল্য ৩৫,০০০ টাকা), নগদ ৭৫,০০০ টাকা এবং আধা ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের আংটি (মূল্য ১,০৭,০০০ টাকা) লুট করে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে বিবাদী রাসেল চৌধুরী রিসোর্টের ক্যাবল কেটে গলায় পেঁচিয়ে সুলতান মাহমুদকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালান। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাঁদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বিতীয় দফায় পুনরায় রিসোর্টে হামলা চালিয়ে তা জোরপূর্বক দখল করে নেয় এবং হুমকি দেয় যে চাঁদার টাকা না দিলে রিসোর্ট ফেরত দেওয়া হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ৩টি দাবি জানানো হয়:

  • এজাহারভুক্ত প্রধান বিবাদী মো. রাসেল চৌধুরী ও শিশির স্বপন চাকমাসহ সব সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা।

  • জোরপূর্বক দখলকৃত ‘মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা।

  • ভুক্তভোগী ও তাঁদের সহযোগীদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা জানান, এ ঘটনায় ইতোমধ্যে মো. রাসেল চৌধুরী (৩৫), শিশির স্বপন চাকমা (৫০) ও সঞ্জিতা চাকমাসহ (৪৫) ১২ জনের নাম উল্লেখ করে লামা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও রিসোর্টটি পুনরুদ্ধারে প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

অভিযোগের বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাউছার হামিদ জানান, দোষী ও অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।




নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে ১০ হাজার ইয়াবা ও টমটমসহ ১ জন আটক

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে ১০ হাজার ইয়াবা ও টমটমসহ ১ জন আটক
ছবি সংগৃহীত।

১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ুয়াপাড়া এলাকায় (ঘুমধুম পুলিশ তদন্তকেন্দ্র সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়) মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।

অভিযানকালে একটি সন্দেহজনক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে লুকানো ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে ১ জনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তি: কামাল উদ্দিন (৩০), পিতা: মৃত জাহেদ হোসেন, ঠিকানা: ক্যাম্প-২/ইস্ট, ব্লক-বি, এফসিএম-১৪১৯৪৬, উখিয়া, কুতুপালং, কক্সবাজার।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটক ব্যক্তি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাযোগে কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকার দিকে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় পুলিশের তল্লাশিতে তিনি আটক হন।

এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।




গুইমারা রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী

গুইমারা রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী
ছবি সংগৃহীত।

খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার রামসু বাজারে সাম্প্রতিক ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গুইমারা রিজিয়নের সার্বিক সহায়তায় এবং সিন্দুকছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মাসব্যাপী যৌথ চিকিৎসাসেবা ও বহুমুখী উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের আজ সফল সমাপ্তি ঘটেছে।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ নম্বর আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, পুলিশ সুপার মো. মোরতোজা আলী, গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন সব জোন কমান্ডার এবং সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্য নিয়ে প্রধান অতিথি চারজন ব্যবসায়ীকে নতুন তৈরি দোকানঘর হস্তান্তর করেন। পাশাপাশি রামসু বাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত এক রোগীকে দোকানসামগ্রী ও চলাচলের সুবিধার্থে একটি হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার সুবিধার্থে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।

শিক্ষার প্রসারে এলাকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিতে গুইমারা ও মানিকছড়ি উপজেলার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া এলাকার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়নে সোলার ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

যুবসমাজকে কর্মমুখী করার প্রয়াসে বেকার যুবকদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির ব্যবস্থা করাসহ মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে এলাকার প্রায় ১,২০০ জন সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই মানবিক ও সর্বাত্মক পুনর্বাসন কার্যক্রম স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরতে বিশেষ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।