লামায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত অগ্রাধিকার কর্মসূচি বিষয়ে নারী সমাবেশ
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন

লামায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত অগ্রাধিকার কর্মসূচি বিষয়ে নারী সমাবেশ

লামায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত অগ্রাধিকার কর্মসূচি বিষয়ে নারী সমাবেশ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা তথ্য অফিসের উদ্যোগে জিপিএমএস (GPMS) কর্মপরিকল্পনার আওতায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বর্ণিত প্রধান প্রতিশ্রুতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত অগ্রাধিকার কর্মসূচি বিষয়ে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় আজিজনগর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হক রাশেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক বেলাল আহমদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোবারক হোসেন বলেন, সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি সরকারি সেবা গ্রহণে সঠিক তথ্য প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে সহকারী তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হক রাশেদ জানান, মাঠপর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের সময় পরিবারের সঠিক তথ্য দিতে হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে তথ্য সংগ্রহকারীদের সহযোগিতা করতে হবে। তিনি বলেন, সরকারি ভাতা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রাপ্তির পর কোনো অবস্থাতেই ওটিপি (OTP), পিন (PIN) বা পাসওয়ার্ড অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না। প্রতারণা এড়াতে এসব তথ্য সম্পূর্ণ গোপন রাখার জন্য তিনি উপস্থিত নারীদের সতর্ক করেন।

তিনি আরও জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবার সরকারিভাবে ৫ লাখ টাকা, স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করলে ৩ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির চিকিৎসা খরচের জন্য সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ সুবিধা পেতে দুর্ঘটনার ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান বরাবর নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করতে হবে।

এছাড়া তিনি জানান, ক্যানসার, কিডনি রোগ, স্ট্রোক, লিভার সিরোসিস, থ্যালাসেমিয়া এবং জন্মগত জটিল রোগে আক্রান্ত অসচ্ছল রোগীদের সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে এককালীন ১ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। এ ধরনের সরকারি সহায়তা পেতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করার জন্য তিনি উপস্থিতদের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক বেলাল আহমদ সরকারি সেবা গ্রহণে দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের এড়িয়ে সরাসরি সরকারি দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকা এবং যেকোনো অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানান।

সমাবেশে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, নারীদের জন্য বিশেষ পরিবহন সুবিধা, প্রবাসী কার্ড, প্রতি ইউনিয়নে খেলার মাঠ নির্মাণ এবং স্বাস্থ্য কার্ডসহ বিভিন্ন অগ্রাধিকার কর্মসূচি সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হয়।

সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক নারী অংশ নেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয় এবং সরকারি বিভিন্ন সেবা ও কল্যাণমূলক কর্মসূচি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হয়।




মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার মিরিঞ্জা পর্যটন এলাকায় অবস্থিত ‘মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ জোরপূর্বক দখল, হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) লামার স্থানীয় একটি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রিসোর্টের অংশীদার মো. সুলতান মাহমুদের পক্ষে অপর অংশীদার জাফর মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, লামা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলিঙ্গারবিল এলাকার জাফর মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বড় নুনারনবিল পাড়ার বাসিন্দা মো. সুলতান মাহমুদ দীর্ঘদিন ধরে “মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট” অংশীদারির ভিত্তিতে পরিচালনা করে আসছিলেন। পূর্বে জমির মূল মালিক দুলাল মিয়ার সঙ্গে জটিলতা নিরসন করে মো. রাসেল চৌধুরী নামক বিবাদী টাকা বুঝে নিয়ে অংশীদারত্ব থেকে সরে যান এবং বাদী শেয়ার বুঝে নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকেন। কিন্তু পরবর্তীতে রাসেল চৌধুরীসহ একটি চক্র রিসোর্টের অংশীদারত্ব দাবি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবি শুরু করে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টায মো. রাসেল চৌধুরীর (সাবেক যুবলীগ নেতা) নেতৃত্বে শিশির স্বপন চাকমা, সঞ্জিতা চাকমা, মো. আরিফুল ইসলাম (ছাত্রলীগ নেতা), শাহাব উদ্দিন ও আলা উদ্দিনসহ ২০ থেকে ৩০ জনের একটি সশস্ত্র ও সন্ত্রাসী দল অবৈধভাবে রিসোর্টে প্রবেশ করে। তারা পূর্বে দাবিকৃত ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা চাঁদা না পেয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায় এবং আনুমানিক ১০,০০,০০০ (দশ লাখ) টাকার ক্ষতিসাধন করে।

হামলায় বাধা দিলে তারা মো. সুলতান মাহমুদ ও জাফর মিয়াকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। হামলাকারীরা ঘটনাস্থل থেকে একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি মোবাইল (মূল্য ৪৫,০০০ টাকা), একটি অপো মোবাইল (মূল্য ৩৫,০০০ টাকা), নগদ ৭৫,০০০ টাকা এবং আধা ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের আংটি (মূল্য ১,০৭,০০০ টাকা) লুট করে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে বিবাদী রাসেল চৌধুরী রিসোর্টের ক্যাবল কেটে গলায় পেঁচিয়ে সুলতান মাহমুদকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালান। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাঁদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বিতীয় দফায় পুনরায় রিসোর্টে হামলা চালিয়ে তা জোরপূর্বক দখল করে নেয় এবং হুমকি দেয় যে চাঁদার টাকা না দিলে রিসোর্ট ফেরত দেওয়া হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ৩টি দাবি জানানো হয়:

  • এজাহারভুক্ত প্রধান বিবাদী মো. রাসেল চৌধুরী ও শিশির স্বপন চাকমাসহ সব সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা।

  • জোরপূর্বক দখলকৃত ‘মিরিঞ্জা রয়্যাল হিল রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা।

  • ভুক্তভোগী ও তাঁদের সহযোগীদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা জানান, এ ঘটনায় ইতোমধ্যে মো. রাসেল চৌধুরী (৩৫), শিশির স্বপন চাকমা (৫০) ও সঞ্জিতা চাকমাসহ (৪৫) ১২ জনের নাম উল্লেখ করে লামা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও রিসোর্টটি পুনরুদ্ধারে প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

অভিযোগের বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাউছার হামিদ জানান, দোষী ও অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।




নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে ১০ হাজার ইয়াবা ও টমটমসহ ১ জন আটক

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে ১০ হাজার ইয়াবা ও টমটমসহ ১ জন আটক
ছবি সংগৃহীত।

১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ুয়াপাড়া এলাকায় (ঘুমধুম পুলিশ তদন্তকেন্দ্র সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়) মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।

অভিযানকালে একটি সন্দেহজনক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে লুকানো ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে ১ জনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তি: কামাল উদ্দিন (৩০), পিতা: মৃত জাহেদ হোসেন, ঠিকানা: ক্যাম্প-২/ইস্ট, ব্লক-বি, এফসিএম-১৪১৯৪৬, উখিয়া, কুতুপালং, কক্সবাজার।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটক ব্যক্তি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাযোগে কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকার দিকে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় পুলিশের তল্লাশিতে তিনি আটক হন।

এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।




গুইমারা রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী

গুইমারা রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী
ছবি সংগৃহীত।

খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার রামসু বাজারে সাম্প্রতিক ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গুইমারা রিজিয়নের সার্বিক সহায়তায় এবং সিন্দুকছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মাসব্যাপী যৌথ চিকিৎসাসেবা ও বহুমুখী উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের আজ সফল সমাপ্তি ঘটেছে।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ নম্বর আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, পুলিশ সুপার মো. মোরতোজা আলী, গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন সব জোন কমান্ডার এবং সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্য নিয়ে প্রধান অতিথি চারজন ব্যবসায়ীকে নতুন তৈরি দোকানঘর হস্তান্তর করেন। পাশাপাশি রামসু বাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত এক রোগীকে দোকানসামগ্রী ও চলাচলের সুবিধার্থে একটি হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার সুবিধার্থে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।

শিক্ষার প্রসারে এলাকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিতে গুইমারা ও মানিকছড়ি উপজেলার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া এলাকার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়নে সোলার ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

যুবসমাজকে কর্মমুখী করার প্রয়াসে বেকার যুবকদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির ব্যবস্থা করাসহ মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে এলাকার প্রায় ১,২০০ জন সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই মানবিক ও সর্বাত্মক পুনর্বাসন কার্যক্রম স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরতে বিশেষ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।