লোহাগাড়ায় এলডিপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবী ও ভাংচুরের অভিযোগ
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় এলডিপির অঙ্গ সংগঠন গণতান্ত্রিক যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে দাবিকৃত চাঁদা না পাওয়ায় গভীর রাতে বসতঘরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) লোহাগাড়ার একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মুহাম্মদ ফরিদুল আলম (৫৯)। এসময় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, রাশেদা বেগম, ফরিদুল আলম, মুহাম্মদ আলমগীর, মুহাম্মদ জিসান, ও জামাল উদ্দিন প্রমূখ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগীর ছেলে মো. আলমগীর। তিনি জানান, তার পিতা লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের দরবেহাট ডিসি সড়ক সংলগ্ন নেওয়াজে টেক এলাকার ছারাভিটায় ২০০৩ সালে ২৬২৭ ও ২৬২৮ নম্বর কবলামূলে মোট ৩৪ শতক জমি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাওলার পাড়ার কবির আহমদ প্রকাশ কবির কন্ট্রাক্টরের ছেলে ও গণতান্ত্রিক যুবদল লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের সভাপতি মো. মিনহাজ আহমদ (৩২) ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাত ৩টায় দেশীয় অস্ত্রসহ ৫০-৬০ জনের একদল সন্ত্রাসী নিয়ে বসতভিটায় হামলা চালানো হয়। এ সময় আলমগীরকে মারধর করে জিম্মি অবস্থায় পার্শ্ববর্তী মনঞ্জুরের বাড়িতে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরে টিনের বসতঘর ভাঙচুর ও বৈদ্যুতিক মিটারের সার্ভিস তার কেটে দেওয়া হয়। এতে আনুমানিক দেড় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় দাবিকৃত চাঁদা না দিলে পুনরায় হামলা ও ভাঙচুরের হুমকি দিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। এতে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পুলিশের সহযোগিতা চেয়েও তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাননি বলে অভিযোগ করেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. মিনহাজ আহমদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি চাঁদা দাবি বা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত নই। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জলিল বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।












