শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক আদেশে নয়, সম্পূর্ণ আইনানুগ ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে গ্রেফতার এবং আদালতের রায় কার্যকর করা হবে।’

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থানের বাঁক বদলের দিন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে। এর ফলে ব্যক্তি হিসেবে শেখ হাসিনার পাশাপাশি আওয়ামী লীগকেও সংগঠন হিসেবে বিচারের আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও জনগণের প্রত্যাশিত গণতন্ত্র রক্ষার দায়িত্ব দেশের সর্বস্তরের মানুষের। ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন ও যেকোনও ষড়যন্ত্র রুখতে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় ও অটুট রাখতে হবে।

‘প্রশাসনিক আদেশে দল নিষিদ্ধের পক্ষে নই’


আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ বা বিচারের মুখোমুখি করার প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা কোনও প্রশাসনিক আদেশ বা নির্বাহী আদেশে কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে নই। আমরা চাই, সম্পূর্ণ আইনানুগ ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই সংগঠনের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারিত হোক।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে। এর ফলে শেখ হাসিনার পাশাপাশি আওয়ামী লীগকেও দল হিসেবে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যাবে।

সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে কোনও সংগঠনকে বিচারের আওতায় আনার বিধান রয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোর বিরুদ্ধে যেভাবে বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশেও রাষ্ট্রীয় বাহিনী ব্যবহার করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠন এড়াতে পারে না।

তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পরও আওয়ামী লীগ ও দলটির নেতৃত্বের মধ্যে কোনও অনুশোচনা বা ক্ষমা প্রার্থনার মনোভাব দেখা যায়নি। বরং জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার চালিয়ে দলটি রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে।

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে

শেখ হাসিনার বিচার প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গতকাল (মঙ্গলবার) সংসদেও আমি স্পষ্টভাবে বলেছি— শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনও সুযোগ নেই। প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক পত্র পাঠানো হয়েছে। দেশে ফিরিয়ে এনে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে এবং আদালতের রায় কার্যকর করা হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদেশে অবস্থানরত সাবেক সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও কর্মকর্তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রকাঠামোয় সংস্কারের অঙ্গীকার

দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, স্বাধীনতা অর্জন করা সহজ, কিন্তু তা রক্ষা করা কঠিন। স্বৈরাচারী শক্তি যেন আর কখনও দেশের গণতন্ত্রকে পদদলিত করতে না পারে, সে জন্য আমরা রাষ্ট্রকাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার করতে চাই।

তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফার আলোকে নির্বাচনী ইশতেহার সাজানো হয়েছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় জুলাই সনদে’ স্বাক্ষর করেছে। এই সনদ অনুযায়ী সংবিধানসহ প্রয়োজনীয় আইন সংস্কারের অঙ্গীকার রয়েছে।

জুলাই আন্দোলনের শুরুর দিকের স্মৃতিচারণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৫ জুলাই যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তুমি কে, আমি কে—রাজাকার, রাজাকার’ এবং ‘কে বলেছে, কে বলেছে—স্বৈরাচার, স্বৈরাচার’ স্লোগানে ইতিহাসের গতিপথ বদলে যাচ্ছিল, তখন আমি নির্বাসনে থাকলেও আমার পূর্ণ মনোযোগ ও সহযোগিতা ছিল এই আন্দোলনের সঙ্গে।

‘জুলাইয়ের কৃতিত্ব কারও একার নয়’

জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে কোনও একক দল বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই জুলাই বিপ্লবের কৃতিত্ব কারও একার নয়। দেশের সাধারণ মানুষ বুক পেতে দিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। কৃতিত্ব কেবল তাদের।

তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ সরকারগুলো যাতে স্বৈরাচারের পরিণতি থেকে শিক্ষা নিতে পারে, সে জন্য গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’-এ রূপান্তর করা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের শহীদদের স্বপ্নের নিরাপদ, গণতান্ত্রিক, স্বৈরাচারমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তরুণ প্রজন্মসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

স্বাগত বক্তব্য দেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।




চাকরি যাচ্ছে বিপ্লব কুমারসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার, শিগগিরই প্রজ্ঞাপন

চাকরি যাচ্ছে বিপ্লব কুমারসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার, শিগগিরই প্রজ্ঞাপন
ছবি সংগৃহীত।

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বরখাস্ত হতে যাওয়া পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা হলেন— বিপ্লব কুমার সরকার, মো. গোলাম রুহানী, সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রাজন কুমার দাস ও মো. ইকবাল হোসাইন।

সংশ্লিষ্ট নথির তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ কর্মকর্তার মধ্যে ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার সাময়িক বরখাস্ত হয়ে বরিশালে রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত রয়েছেন। মো. গোলাম রুহানী (সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই) বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত ও পলাতক। সুদীপ কুমার চক্রবর্তী সাময়িক বরখাস্ত হয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত রয়েছেন। রাজন কুমার দাস সাময়িক বরখাস্ত ও পলাতক। মো. ইকবাল হোসাইন সাময়িক বরখাস্ত হয়ে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত রয়েছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকা এবং পলায়নের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার গুরুদণ্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।




২৭ আগস্ট বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

২৭ আগস্ট বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন
ছবি সংগৃহীত।

আগামী ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-১-এর পরিচালক মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি আগামী ২৭ আগস্ট বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন। এটি চলতি সংসদের তৃতীয় অধিবেশন হতে যাচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রপতি বলেছেন, "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আমি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, হাফিজ উদ্দিন আহমদ ২৭ আগস্ট বিকেল ৩টায় ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় (২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩য়) অধিবেশন আহ্বান করছি।’’




অতীতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা

অতীতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা
ছবি সংগৃহীত।

অতীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও একটি নির্দিষ্ট সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নে জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া ব্রিফিং এবং সরকারের প্রকাশ্য বক্তব্য থেকে বাংলাদেশ বিষয়টি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে ভারতের কাছে উপস্থাপন করেছে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের দিক থেকে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন তথ্য উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তার বক্তব্যের পর বাংলাদেশের দেওয়া বিবৃতিতেও বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছিল।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে ওই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই– এমন বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও বাংলাদেশের দৃষ্টিতে বিষয়টির সঙ্গে ভারতের কোনো না কোনো পর্যায়ের সংশ্লিষ্টতা বা সমর্থনের প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সরকারের সঙ্গে নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে হওয়া উচিত। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক নতুনভাবে বিন্যাস বা ‘রিঅ্যালাইনমেন্ট’-এর প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা।