সংস্কারপন্থী ইস্যুতে বান্দরবানে বিএনপি নেত্রী মাম্যাচিংকে নিয়ে ফেসবুকে নেতা কর্মীদের স্ট্যাটাস: জেলা জুড়ে তোলপাড়
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন

সংস্কারপন্থী ইস্যুতে বান্দরবানে বিএনপি নেত্রী মাম্যাচিংকে নিয়ে ফেসবুকে নেতা কর্মীদের স্ট্যাটাস: জেলা জুড়ে তোলপাড়

সংস্কারপন্থী ইস্যুতে বান্দরবানে বিএনপি নেত্রী মাম্যাচিংকে নিয়ে ফেসবুকে নেতা কর্মীদের স্ট্যাটাস: জেলা জুড়ে তোলপাড়
ছবি সংগৃহীত।

মাম্যাচিং এক সময় বান্দরবান জেলা বিএনপি'র সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে জেলা বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক। ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কর্নেল অলির সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে আ'লীগ প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। বিগত ১/১১ সরকারের সাথে হাত মিলিয়ে বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া ও সিনিয়র নেতা কর্নেল অলি আহাম্মদ গ্রুপে যুক্ত থেকে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে মাইনাস টু ফর্মুলা বা দল থেকে সরিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিলেন মাম্যাচিং। ১/১১ সরকারের সময় নিজের দুর্নীতি আড়াল করতে এবং গ্রেফতার এড়াতে বিএনপি রাজনীতি থেকে ইতি টেনে ধর্ম কর্ম  নিয়ে ব্যস্থ থাকার ঘোষনা দিয়ে ক্যাং এ উঠে যান তিনি। মাম্যাচিং ২০০১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়ীত্ব পালন করেন। মাম্যাচিং চেয়ারম্যান থাকা কালীন সময়ে জেলা পরিষদের অপর দুই সদস্য লুসাইমং ও আরিফ উদ্দীন কোম্পানিকে নিয়ে টেন্ডার ও চাকুরী বানিজ্যসহ প্রকল্প আত্নসাতের মাধ্যমে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত করেন। তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সভাপতি থাকা কালীন সময়ে দলীয় একটি ফান্ড গঠনের মাধ্যমে বান্দরবান বাজারস্থ জৈনিক মানিক লাল দাশের কাছ থেকে জেলা বিএনপির অফিস নির্মানের জন্য জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রতারনা ও ছলচাতুরীর মাধ্যমে উক্ত জমি নিজের নামে রেজিস্ট্রারী করে নেন। উক্ত জায়গায় পাঁচ তলা বিশিষ্ট মাম্যাচিং মার্কেট নামে একটি বানিজ্যিক প্রতিষ্টান গড়ে তুলেন। ২০২৬ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে তিনি ও তার অনুসারীরা গোপনে  এনসিপি প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। এমনকি মাম্যাচিং দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কোন নির্বাচনী প্রচার প্রচারনায় অংশ নেননি। এমনকি তিনি ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে যাননি। সাম্প্রতিক সময়ে সংসদে সংরক্ষিত আসনে মহিলা সংসদ সদস্য মনোনয়ন পেতে তিনি বিএনপির একাধিক কেন্দ্রীয়  নেতার কাছে ধরনা দেন। খবরটি বান্দরবানে বিএনপি নেতারকর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুদ্ব প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে নেতা কর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাম্যাচিং সম্পর্কে বিভিন্ন নেতিবাচক স্ট্যাটাস দেন।

দলীয় একাধিক নেতাকর্মী ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে দাবি করেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে মাম্যাচিং প্রচার প্রচানাসহ নির্বাচনী কোন কর্মকান্ডে অংশ নেননি এবং তিনি নিজেও ভোট দেননি।

আহমাদুর রহমান ও রুবেল মহাজন পৃথক পোস্টে অভিযোগ করেন, কর্নেল অলি ও মান্নান ভূইয়ার সহযোগী হিসেবে পরিচিত ১/১১–(মাইনাস টু ফর্মুলা) সংস্কারপন্থী নেত্রী মাম্যাচিং নির্বাচনে ভোট বয়কট করেছেন।

কালাম নামে এক কর্মী পোস্টে লিখেছেন, যারা ভোটকেন্দ্রে যায়নি এবং ধানের শীষের বিজয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানাতে পারেনি, তারা আবার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার স্বপ্ন দেখা উচিৎ নয়।

যুবদল নেতা মো. বাদশা ও হাবিবুর রহমান হাবিব প্রশ্ন তোলেন, দলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যখন প্রার্থীর পক্ষে মাঠে ছিলেন না, তখন তারা কীভাবে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ দাবি করেন?।

অন্যদিকে, বান্দরবান জেলা বিএনপির কার্যালয় নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। আবু বক্কর ও ওমর ফারুক জিহাদ নামে দুই নেতা পোস্ট দিয়ে দাবি করেন, গত ১৯ বছর ধরে আত্মসাৎকৃত জেলা বিএনপির কার্যালয় ও জমি নেতাকর্মীদের কাছে ফেরৎ দিতে হবে। তাদের ভাষ্য, এই কার্যালয় দলীয় সম্পদ এটি কোনো ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত নয়।

এদিকে মাম্যাচিংপন্থী নেতা চনুমং মারমা নেতাকর্মীদের আনা অভিযোগ স্বীকার করে পাল্টা পোস্টে লেখেন, চাঁদেরও কলঙ্ক আছে, কিন্তু পৃথিবী তার আলোতেই ধন্য।  

অপরদিকে, জেলা বিএনপির নামে সদস্য সচিব জাবেদ রেজার ছবিসংবলিত একটি ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, ‘মাম্যাচিং দিদি’কে নিয়ে যারা বিতর্কিত পোস্ট করছেন, তাদের পোস্টের স্ক্রিনশট সংগ্রহ করে মেসেঞ্জারে পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত মাম্যাচিং নেতৃত্বাধীন একটি অংশ অন্যদিকে জেলা বিএনপির আহবায়ক সাচিংপ্রু জেরী এমপির নেতৃত্বাধন মূলধারার বিএনপি নেতাকর্মীদের পরস্পর  দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্যে রুপ নিয়েছে।

এবিষয়ে মাম্যাচিংয়ের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
 




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।