সম্পদের লোভে ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রকে ঘিরে ষড়যন্ত্র ও অনধিকার চর্চার অভিযোগ
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৫ অপরাহ্ন

সম্পদের লোভে ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রকে ঘিরে ষড়যন্ত্র ও অনধিকার চর্চার অভিযোগ

সম্পদের লোভে ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রকে ঘিরে ষড়যন্ত্র ও অনধিকার চর্চার অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত।

সম্পদের লোভে বান্দরবান জেলার সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র (কমপ্লেক্স) দখলের উদ্দেশ্যে একটি মহল নানামুখী ষড়যন্ত্র ও অনধিকার চর্চায় লিপ্ত রয়েছে—এমন অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাওলানা হোসাইন মোহাম্মদ ইউনুছ।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি মৌলভী আবু তাহের নদভীর বিরুদ্ধে অনধিকার চর্চা, মিথ্যা অপবাদ প্রদান এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ করেন।

মাওলানা হোসাইন মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মৌলভী আবু তাহের নদভী একতরফাভাবে বৈঠক ডেকে আমেলা ও এমদাদিয়া কমিটি গঠন করেছেন—এমন তথ্য বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া গেছে, যা সম্পূর্ণ অনধিকার চর্চা এবং অনৈতিক হস্তক্ষেপের শামিল। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও জানান, ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র ১৯৮৯ সালে বান্দরবানের ধর্মপ্রাণ ও শিক্ষানুরাগী জনগণের সহযোগিতায় শাইখুল আরব ওয়াল আজম আল্লামা হযরত ইউনুছ আব্দুল জাব্বার (রহ.) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে সাবেক জেলা প্রশাসক নাজমুল আলম ছিদ্দিকী ও কে এস প্রু সহযোগী হিসেবে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা বোর্ড (বেফাকুল মাদারিস)-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে এবং এখানে চার শতাধিক আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৩ জানুয়ারি পটিয়া আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া মাদরাসার প্যাডে পাঠানো একটি চিঠি পাওয়ার পর তিনি স্বয়ং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি অবহিত করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক ২২ জানুয়ারির নির্ধারিত বৈঠক স্থগিত করার নির্দেশ দেন এবং জাতীয় নির্বাচনের পর ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করে নতুন করে বৈঠকের তারিখ ঘোষণা করবেন বলে জানান।

তবে জেলা প্রশাসকের এই নির্দেশনা উপেক্ষা করেই মৌলভী আবু তাহের নদভী মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীসহ কয়েকজনকে নিয়ে বান্দরবানের একটি ভিন্ন স্থানে একতরফাভাবে বৈঠক করে কমিটি গঠন করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, পরবর্তীতে মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান—ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের কথা বলে তাকে অন্য একটি স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে তার কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বর্তমানে ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র ও পটিয়া আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া মাদরাসা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা দায়রা জজ আদালত ও পরিবেশ আদালতে মোট তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ অবস্থায় কোনো ধরনের সভা, সমাবেশ বা কমিটি গঠন আদালত অবমাননার শামিল বলে দাবি করেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাওলানা হোসাইন মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন,
“সম্পদের লোভে একটি মহল ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র দখলের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু আমাদের প্রতিষ্ঠান নয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করছে।”

তিনি এসব ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে ভবিষ্যতে অনধিকার চর্চা ও বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা কেন্দ্রের সিনিয়র শিক্ষক, মাওলানা ইসহাক, মাওলানা এইচ, এম আবদুস সালাম, বনরুপা ছিদ্দিক নগরের স্থায়ী বাসিন্দা বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী মোঃ আনোয়ার, বনরুপা ছিদ্দিক নগরের স্থায়ী বাসিন্দা মো: বশর, শিক্ষা কেন্দ্রের সিনিয়র শিক্ষক মো: মোয়াজ্জেম হোসেন'সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্যান্ন শিক্ষকগন,।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, সদস্য মো. ইসহাক, দৈনিক মানবজমিন প্রতিনিধি নুরুল কবির, একুশে টেলিভিশনের প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম টিটু, বান্দরবান সংবাদ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, বাংলা নিউজ২৪ডটকম প্রতিনিধি আবু বক্কর সিদ্দিকী, পাহাড়কণ্ঠ ডটকমের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আরাফাত খাঁন, দৈনিক সাঙ্গুর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুল ইসলাম আকাশ, দৈনিক স্পষ্টবাদী প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল সাঈদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমির বিরোধ ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি মহল ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র (কমপ্লেক্স) নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই সংবাদ সম্মেলনের করা হয়।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।