অপারেশন শরতের তুফান : বিচারের মুখে হাসিনা-হারুনসহ ১০ জন
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

অপারেশন শরতের তুফান : বিচারের মুখে হাসিনা-হারুনসহ ১০ জন

অপারেশন শরতের তুফান : বিচারের মুখে হাসিনা-হারুনসহ ১০ জন
ছবি সংগৃহীত।

গাজীপুরের পাতারটেকে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে সাতজনকে হত্যার ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন জানিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করেছে প্রসিকিউশন।

রোববার (২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে এ আবেদন করা হয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, মামুনুর রশিদ ও মার্জিনা রায়হান।

শুনানিতে এ মামলায় আনা অভিযোগের বিবরণ দিয়ে তামিম বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দেশজুড়ে একই পদ্ধতিতে অপরাধ সংঘটিত হতো। ভিন্ন দলমত বা ইসলামী মতাদর্শকে নির্মূলে গুম-খুনের মতো বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো এক ভীতিকর সংস্কৃতি গড়ে তোলে তারা। সেসময় এমপি-মন্ত্রীদের নিয়ে কোনো কিছু লেখা অসাধ্য ছিল। কারও বিরুদ্ধে কোনো কথা বললেই বিভিন্ন বাহিনীর গোপন বন্দিশালায় গুম করে রাখা হতো।

গুমের শিকার পরিবারের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বহু পরিবারের সদস্যরা বাধ্য হয়ে বলতে হতো যে- ‘আমার ছেলেকে জেলে দিন, তবু ক্রসফায়ারে দেবেন না’। এরপরও বহু মানুষকে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে হত্যা করে মরদেহ নদীনালা কিংবা সড়কের পাশে ফেলে রাখা হতো। এছাড়া আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিরা শুধু জঙ্গি জঙ্গি বলে বক্তব্য দিতেন। তারা বিশ্বকে জানান দিতে চাইতেন যে, এ দেশে জঙ্গি ভরা। অথচ বিচারবহির্ভূত এসব হত্যাকাণ্ডকে মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে বিভিন্ন সময়ে প্রতিবেদন দিয়েছে জাতিসংঘসহ বিদেশি অনেক সংস্থা।

পাতারটেকে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে তামিম বলেন, এ ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সাতজনকে তুলে নিয়ে বগুড়ায় পুলিশের একটি গোপন বন্দিশালায় আটকে রাখা হয়। ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর গাজীপুরের নোয়াগাঁও পাতারটেক এলাকায় সোলায়মান সরকারের বাড়িতে তাদের নেওয়া হয়। এরপর কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) নেতৃত্বে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে সাতজনকেই গুলি করে হত্যা করেন সোয়াত সদস্যরা। এ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন শরতের তুফান’।

প্রসিকিউশন আরও জানায়, হত্যাযজ্ঞ শেষেই ক্ষান্ত হয়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সাতজনের মরদেহ নিতে এলে পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও তদন্ত করা হবে বলে স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আর এ ভয়ে কেউই সাহস করেননি। এর মধ্যে চারজনের পরিচয় এখনও অজানা। বাকি তিনজন হলেন- মো. ইবরাহীম, ফরিদুল ইসলাম আকাশ ও সাইফুর রহমান। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দেন ইবরাহীমের বাবা।

মূলত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বলপূর্বক গুম করে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন প্রসিকিউটর তামিম। এ সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আবেদন করেন।

এদিকে, ডিসচার্জ চেয়ে শুনানির জন্য সময় চান আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এর মধ্যে আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ জানান, তারা প্রসিকিউশন থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেরিতে পেয়েছেন। এজন্য প্রস্তুতি নিতে সময় প্রার্থনা করেন। তবে প্রসিকিউশন থেকে কোনো আপত্তি না জানানোয় আগামী ১০ আগস্ট আসামিপক্ষের শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

অন্য আসামিরা হলেন- তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তৎকালীন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক, তৎকালীন এসবি প্রধান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তৎকালীন কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, তৎকালীন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম, বগুড়ার তৎকালীন পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, গাজীপুরের তৎকালীন পুলিশ সুপার ও ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, বগুড়ার তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল এবং তৎকালীন সিটিটিসির সহকারী পুলিশ কমিশনার (টিম লিডার, সোয়াট) এসএম জাহাঙ্গীর হাছান।

বর্তমানে এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন শহীদুল হক ও আসাদুজ্জামান মিয়া। তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি এই ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। এরপর অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল-১।




জেআইসিতে গুম-নির্যাতন: শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের মামলায় পেছাল সাক্ষ্যগ্রহণ

জেআইসিতে গুম-নির্যাতন: শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের মামলায় পেছাল সাক্ষ্যগ্রহণ
ছবি সংগৃহীত।

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ এক দিন পিছিয়েছে। সাক্ষী অসুস্থ থাকায় বুধবার (১২ আগস্ট) সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে সময় চান প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী। তিনি বলেন, এ মামলায় আজ মঙ্গলবার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু সাক্ষী অসুস্থ থাকায় সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। পরে আবেদনটি মঞ্জুর করে আগামীকাল বুধবার দিন ঠিক করেন আদালত।

এর আগে, ২২ জুলাই ষষ্ঠ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া হেফাজতে ইসলামের কর্মী তাজুল ইসলাম সুমনের জেরা সম্পন্ন হয়। গত ১৮ জুন তার সাক্ষ্য রেকর্ড করেন ট্রাইব্যুনাল। জবানবন্দিতে তিনি গুম-নির্যাতনসহ দীর্ঘ আট বছর কারাগারে থাকার বীভৎস বর্ণনা তুলে ধরেন। শুধুমাত্র হেফাজতে ইসলামের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে মিথ্যা মামলায় এত বছর আটকে রাখার জন্য শেখ হাসিনাসহ গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচার চেয়েছেন এ যুবক।
এ মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন তিনজন। তারা হলেন- ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। তাদের আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

পলাতক ১০ আসামির মধ্যে পাঁচজনই বিভিন্ন সময়ে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তারা হলেন- লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।

বাকি আসামিরা হলেন- শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।

২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর এ মামলায় ১৩ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দেওয়া অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-১। পরে ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।
 




আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু

আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু
ছবি সংগৃহীত।

মাগুরার বহুল আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) আবেদন ও আসামির আপিল শুনানি শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

মামলার প্রধান আসামি শিশু আছিয়ার বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে ২০২৫ সালের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। একই রায়ে মামলার অপর তিন আসামি— আছিয়ার বোনের জামাই সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

পরে ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ মারা যায় শিশুটি।

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের হওয়া মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য ২০২৬ সালের ১০ জুন বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।




তারেক রহমানকেও আয়নাঘরে বন্দি রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

তারেক রহমানকেও আয়নাঘরে বন্দি রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর
ছবি সংগৃহীত।

ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডিজিএফআই সদর দপ্তরে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারের (জেআইসি) যে কোনো একটি সেলে বন্দি রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আমরা চাইবো ভবিষ্যতে আর কেউ যেন বিনা বিচারে বন্দি না থাকেন।কাউকে যেন এমন করে বিনা বিচারে আটক না রাখা হয়, সরকারের কাছে আমার এই দাবি।

শনিবার (৮ আগস্ট) ডিজিএফআইয়ের জেআইসি সেল নামক গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিগত সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম করেছিল। সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যে ‘আয়নাঘর’ নামের এই টর্চার সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ভিন্নমতের অনেক ব্যক্তিকে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর এসব টর্চার সেলে আটকে রাখা হয়।

তিনি বলেন,ওয়ান ইলেভেনের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জেআইসি সেলে বন্দি রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল।

আমিনুল ইসলাম বলেন, এসব টর্চার সেলের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তাদের বিচারের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ঘটনায় আরও যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
এসময় তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর জেআইসি সেলের অনেক আলামত নষ্ট করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গা দেওয়াল দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে এবং অসংখ্য তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, যে কোনো বিচারকের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের আইনগত বৈধতা রয়েছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই পরিদর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জেআইসি পরিদর্শন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং সেখানে থাকা আলামত ও তথ্য-প্রমাণ সম্পর্কে ধারণা নেওয়া ন্যায়বিচারের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।