আনোয়ারা হাসপাতালের জেনারেটরের জ্বালানিসংকট নিরসনে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ২০০ লিটার তেল! কর্তৃপক্ষের অস্বীকার
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন

আনোয়ারা হাসপাতালের জেনারেটরের জ্বালানিসংকট নিরসনে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ২০০ লিটার তেল! কর্তৃপক্ষের অস্বীকার

আনোয়ারা হাসপাতালের জেনারেটরের জ্বালানিসংকট নিরসনে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ২০০ লিটার তেল! কর্তৃপক্ষের অস্বীকার
আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর তেলের গাড়ি

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ-বিভ্রাট, তেলসংকটে হাসপাতালের জেনারেটর অলস পড়ে থাকা ও গরমে রোগীদের ভোগান্তি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা এবং ফেসবুকে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনার পর বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ২০০ লিটার জ্বালানি (ডিজেল) নিয়ে একটি ভ্যানগাড়ি আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাজির হয়। পরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপির একান্ত সচিব রিদোয়ানুল করিম চৌধুরী সায়েম সাংবাদিকদের খুদে বার্তায় এই তেল সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের পক্ষে পাঠানো হয়েছে বলে জানান। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘অজ্ঞাত এক ব্যক্তি একটি ভ্যানে করে কিছু তেল হাসপাতালে রেখে গেছেন। নাম-পরিচয় না জানায় আমরা ওই তেল এখনো গ্রহণ করিনি।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৫ লাখ টাকায় ১০ কেভি ক্ষমতার একটি জেনারেটর সরবরাহ করে। পরে ২০২৪ সালে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি ৩০ কেভি ক্ষমতার আরও একটি জেনারেটর দেন হাসপাতালে। তবে জ্বালানি তেলের বরাদ্দ না থাকায় কোনো জেনারেটরই চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

সম্প্রতি সারা দেশে তীব্র বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের কারণে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ে। হাসপাতালে দুটি জেনারেটর থাকলেও জ্বালানিসংকটের কারণে এসব জেনারেটর চালানো সম্ভব হয় না। এ নিয়ে ফেসবুক ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ২০০ লিটার জ্বালানি তেল নিয়ে একটি ভ্যান হাসপাতালে আসে। পরে এক যুবক ওই তেল হাসপাতালের কর্মকর্তাদের দিয়ে চলে যান।

এর কিছুক্ষণ পর সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপির একান্ত সচিব রিদোয়ানুল করিম চৌধুরী সায়েম সাংবাদিকদের মুঠোফোনে খুদে বার্তায় জানান, ‘সম্প্রতি হাসপাতালে বিদ্যুৎ-বিভ্রাট ও রোগীদের ভোগান্তির বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও ফেসবুকে প্রচার হলেও কেউ এগিয়ে না আসায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ রোগীদের কথা চিন্তা করে জরুরি ভিত্তিতে জেনারেটর চালানোর জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে ২০০ লিটার জ্বালানি তেল পাঠিয়েছেন। এসব তেল দিয়ে ১০ থেকে ১২ দিন পর্যন্ত জেনারেটর চালানো সম্ভব হবে। এ ছাড়া যদি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জ্বালানি তেলের প্রয়োজন হয়, আমরা তা সরবরাহ করব।’ তিনি আরও জানান, ‘মানবতার জন্য রাজনীতি লাগে না, মানবতা সকল দল-মতের ঊর্ধ্বে।’

তবে এ বিষয়ে বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘দুপুরে একটি ভ্যানে করে কিছু তেল হাসপাতালে রেখে গেছে। তেল সরবরাহকারীদের নাম-পরিচয় না দেওয়ায় বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এ ছাড়া বর্তমান সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম সাহেবও তেলসংকটের বিষয়টি সমাধান করবেন বলে জানিয়েছেন।’




বাঁশখালীতে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে দুজন গ্রেপ্তার

বাঁশখালীতে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে দুজন গ্রেপ্তার
বাঁশখালী থেকে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে আটক মোহাম্মদ আলী ও তফজল আলী সোহেল।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে দুজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে দুটি ট্রাক, ফিশিং বোট ও সিমেন্ট।

তাছাড়া উপজেলার খানখানাবাদ ও ছনুয়াসহ বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে নিয়মিতই মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে সিমেন্ট পাচার করে সেই দেশ থেকে ইয়াবা চালানের নিরাপদ রুট হিসেবে বাঁশখালীকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের চৌধুরীঘাট এলাকা থেকে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৪১০ বস্তা সিমেন্টসহ দুটি ট্রাক এবং দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। জব্দ করা সিমেন্টের মধ্যে চৌধুরীঘাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩৪ ব্যাগ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার মো. হোসেনের ছেলে মো. আলী (২৭) এবং পটিয়া উপজেলার কালারপুল চাপড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল আলিমের ছেলে তফজল আলী সোহেল (৩৭)।

বাঁশখালী থানা-পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের চৌধুরীঘাট এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিযান চালায়। এ সময় খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড চৌধুরীঘাট এলাকায় বাংলাদেশি পণ্য (সিমেন্ট) ট্রাকে করে ঘটনাস্থলে এনে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে সাগর ও নদীপথে মিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা কালে মোহাম্মদ আলী ও তফজল আলী সোহেল নামের দুজনকে হাতেনাতে আটক করে। অভিযানকালে তাঁদের হেফাজত থেকে ১টি ফিশিং ট্রলার ও দুটি ট্রাকসহ ৩৪ ব্যাগ ডায়মন্ড সিমেন্ট জব্দ করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সর্বমোট ৪১০ ব্যাগ সিমেন্ট উদ্ধার করে পুলিশ।

বাঁশখালী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোহাম্মদ আরিফ জানান, এ ঘটনায় আটক দুজনসহ অজ্ঞাতনামা সাত-আট জনের বিরুদ্ধে বাঁশখালী থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫বি/২৫ডি ধারায় একটি মামলা (নম্বর-৪৩, তারিখ- ৩০/০৯/২০২৬) রুজু করা হয়েছে।




তৃণমূল পর্যায়ে এনসিপিকে সংগঠিত করতে কাজ করছি: সাজ্জাদ হোসাইন

তৃণমূল পর্যায়ে এনসিপিকে সংগঠিত করতে কাজ করছি: সাজ্জাদ হোসাইন
ছবি সংগৃহীত।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মানুষের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার উপযোগী একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসাইন।

১ অক্টোবর সকালে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশের মানুষের অধিকার, প্রত্যাশা ও কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে এনসিপি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়, নতুন কর্মী সম্পৃক্তকরণ, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এনসিপি জনগণের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছে। তরুণ সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি অংশগ্রহণমূলক ও জনমুখী রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করার জন্য ধারাবাহিকভাবে সাংগঠনিক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হবে। জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরি করতে তাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন।

সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, “এনসিপিকে একটি সমৃদ্ধ, শক্তিশালী ও জনকল্যাণমুখী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সমাজের সচেতন নাগরিক, তরুণ প্রজন্ম এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ইতিবাচক সহযোগিতা আমরা প্রত্যাশা করি।”

তিনি জানান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসূচি জোরদার করা হবে। সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব তৈরি, কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত করে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, মানুষের কল্যাণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করাই হবে তাঁদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।




ইভটিজিং মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাদীর ওপর হামলা, আহত ২

ইভটিজিং মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাদীর ওপর হামলা, আহত ২
আহত রুবেল ও তার পিতা তমিজ উদ্দিন

আনোয়ারায় ১২ বছরের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের মামলায় গ্রেপ্তার আসামি জামিনে এসে আবারও বাদীর পরিবারের ওপর দুফা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে মামলার বাদী মোহাম্মদ রুবেল (৩৮) ও তার পিতা তমিজ উদ্দিন (৬০) গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বুধবার বিকেলে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের হেটিখাইন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই রাতে এক কিশোরীর চাচার দোকানের সামনে উত্ত্যক্ত করার ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন তার চাচা মোহাম্মদ রুবেল। এর জেরে অভিযুক্তরা ওই কিশোরীর চাচার দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং ঘটনার পর দিন কিশোরীর বাড়িতেও হামলা করে। এতে নারী-পুরুষসহ পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ওই এলাকার অভিযুক্ত রোকনকে (২৫) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। সম্প্রতি রোকন জামিনে বেরিয়ে এসে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। বুধবার বিকেলে রোকন দলবল নিয়ে মামলার বাদীকে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে কুপিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁদের ওপর আবারও হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।

আহত বৃদ্ধ তমিজ উদ্দিন (৬০) বলেন, ‘বিকেলে রোকন ও শিবলু দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার ছেলেকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। এ সময় আমরা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ আসে। অভিযুক্তরা পুলিশের সামনেই আমাকে হামলা করে পালিয়ে যায়।’

আহত মোহাম্মদ রুবেলের বড় ভাই মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, ‘অভিযুক্তরা জেল থেকে বেরিয়ে ইভটিজিংয়ের মামলা তুলে নিতে বারবার চাপ সৃষ্টিসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। মামলা তুলে না নেওয়ায় তারা আমার পরিবারের ওপর দুই দফায় হামলা করে। এতে আমার ভাই ও বাবা গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় আরেকটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়ালি উল্লাহ বলেন, গুরুতর আহত দুই ব্যক্তিকে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আমরা অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’