আনোয়ারায় পরিবারতন্ত্রের অবসান চাই: এনসিপি নেতা জোবাইরুল আলম

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব জোবাইরুল আলম মানিক বলেছেন, স্বাধীনতার পর থেকে আনোয়ারাকে দুটি পরিবার শাসন করে আসছে। ফলে দেখা যায়, ৩০-৪০ বছর বাবার পেছনে রাজনীতি করার পরও কোনো কর্মীকে আবার সেই নেতার ছেলের পেছনেই রাজনীতি করতে হয়। এনসিপি এই পরিবারতন্ত্রের অবসান চায়; গণতন্ত্রের আড়ালে পরিবারতন্ত্র এনসিপি চায় না। এনসিপি বিশ্বাস করে—যোগ্যতা থাকলে একজন কৃষকের ছেলেও আগামীতে এমপি কিংবা প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তরুণেরা প্রার্থী হবে। সেন্টারে প্রভাব খাটানো কিংবা কেন্দ্র দখলের চিন্তা থাকলে তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। এনসিপি থাকতে কেন্দ্র দখল করে ভোট নেওয়া চলবে না।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলায় এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও দলে যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আনোয়ারা উপজেলা এনসিপির সাবেক যুগ্ম সমন্বয়কারী দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব রিদুওয়ানুল করিম হৃদয়ের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক প্রকৌশলী কাইয়ুমুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাঈদ মোহাম্মদ ইফতিখার, দক্ষিণ জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিকুর রহমান চৌধুরী মিশকাত ও যুগ্ম সদস্যসচিব জিয়াউর করিম।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে দক্ষিণ জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ও সিফাত চৌধুরী, সহ-সংগঠনিক সম্পাদক মো. আকাশ নূর, এ কে এম মুরশেদ ও শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, দপ্তর সম্পাদক ইরফান মাহমুদ আল সাইদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক জহির উদ্দিন চৌধুরী হিমেল, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মো. শাহেদুল আলম, নারীবিষয়ক সম্পাদক ডালিয়া বড়ুয়া, সহ-নারীবিষয়ক সম্পাদক জোবাইদা হক তানজুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আনোয়ারা-কর্ণফুলীর দুই শতাধিক ছাত্র ও যুবক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জাতীয় ছাত্রশক্তিতে যোগদান করেন।











