আমজাদিয়া মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের শপথগ্রহণ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন

আমজাদিয়া মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের শপথগ্রহণ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন

আমজাদিয়া মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের শপথগ্রহণ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন
ছবি সংগৃহীত।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আমজাদিয়া রফিকুল উলুম কামিল মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির শপথগ্রহণ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় মাদ্রাসার হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও প্রাক্তন ছাত্র ড. এনামুল হকের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদায়ী সভাপতি মাওলানা কাজী মোহাম্মদ ইয়াকুব স্বাগত বক্তব্য রাখেন। পরে নবনির্বাচিত সভাপতি আশরাফুল এহসান শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আসহাব উদ্দিন আসাদ।

অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা আ ক ম সাদেক হোসেন, সদস্য হাফেজ মাওলানা বশির আহমদ, মাওলানা ফয়েজ উল্লাহ নূরী, মাওলানা আমির হোছাইন, মাওলানা আব্দুল মোনাফ, আবুল হোসেন আনসারি, মাওলানা আমিনুজ্জামান এবং বেলাল উদ্দিন বক্তব্য রাখেন। বক্তারা প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের শপথগ্রহণ করানো হয় এবং বিদায়ী কমিটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নতুন কমিটির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, আমজাদিয়া রফিকুল উলুম কামিল মাদ্রাসা প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষা, সমাজসেবা এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদ:

  • সভাপতি: আশরাফুল এহসান

  • সহ-সভাপতি-১: কাজী মোহাম্মদ ইয়াকুব

  • সহ-সভাপতি-২: মাস্টার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

  • সহ-সভাপতি-৩: রিদওয়ানুল হক সজীব চৌধুরী

  • সাধারণ সম্পাদক: আসহাব উদ্দিন আসাদ

  • যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: সাইফুল ইসলাম (মুন্না)

  • সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. আরমান

  • অর্থ সম্পাদক: জমির উদ্দিন নকীব

  • সহ-অর্থ সম্পাদক: কাইসারুল ইসলাম

  • দপ্তর সম্পাদক: মাওলানা আব্দুল হাকিম

  • প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: আব্দুল্লাহ আল মামুন

  • ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম

  • ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক: মারজানুল জান্নাত

  • সমাজকল্যাণ সম্পাদক: রাশেদুল ইসলাম

  • পাঠাগার সম্পাদক: সাদ্দাম হোসেন

  • তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক: আবু সাদেক

  • শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক: আবু হুরাইরা

  • সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক: আব্দুর রহিম

  • কার্যনির্বাহী সদস্য: শাহাদত হোসেন, জমির উদ্দিন, হুমায়ূন কবির, তারেকুল ইসলাম ও তৌহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠান শেষে নতুন কমিটির সফলতা কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।