ইরানে কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলায় সামরিক তৎপরতার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ইরানকে সরাসরি সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যদি আবারও বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন বা হত্যার ঘটনা ঘটে, তবে তেহরানের ওপর ‘খুব শক্ত আঘাত’ হানা হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
গত রোববার (৪ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে রাষ্ট্রপতি বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ানে’ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ট্রাম্প বলেন, “অতীতের মতো যদি ইরানে আবারও মানুষ হত্যা শুরু হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কঠোর প্রতিক্রিয়া আসবে।”
ট্রাম্পের এই উসকানিমূলক বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ সোমবার সকালে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তেহরান জানায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং যুক্তরাষ্ট্রের কট্টরপন্থি কর্মকর্তাদের বক্তব্য মূলত সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইহুদিবাদী সত্তা’ ইরানের জাতীয় ঐক্যে ফাটল ধরানোর জন্য যেকোনো সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হস্তক্ষেপের প্রচেষ্টাকে ‘ঔপনিবেশিক মানসিকতা’ বলে অভিহিত করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “ওয়াশিংটন এখন গণতন্ত্রের দোহাই ছেড়ে খোলাখুলিভাবেই বলছে তাদের আসল উদ্দেশ্য ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ কবজা করা।” তিনি স্পষ্ট করেন যে, তেহরান ও কারাকাসের সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থ ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে অটুট থাকবে।












