এক ঘন্টার মধ্যে সাঙ্গু অনলাইন থেকে নিউজ মুছে ফেলার আল্টিমেটাম
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন

এক ঘন্টার মধ্যে সাঙ্গু অনলাইন থেকে নিউজ মুছে ফেলার আল্টিমেটাম

এক ঘন্টার মধ্যে সাঙ্গু অনলাইন থেকে নিউজ মুছে ফেলার আল্টিমেটাম
উপকূলীয় বনবিভাগের সদর রেঞ্জ অফিসার রাশেদুল ইসলাম।

দৈনিক সাঙ্গু অনলাইনে  চট্টগ্রাম উপকূলীয় বনবিভাগের অনিয়ম: প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় চরম ক্ষেপেছে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বনবিভাগের কর্মকর্তারা। আজ সন্ধ্যায় দৈনিক সাঙ্গুর বিশেষ প্রতিনিধি নুর উদ্দিনের ফোনে কল করে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বনবিভাগের সদর রেঞ্জ অফিসার রাশেদুল ইসলাম বলেন এক ঘন্টার মধ্যে অনলাইন থেকে সংবাদ মুছে না দিলে দল বল নিয়ে তিনি সাঙ্গু অফিসে এসে হামলা করবেন। তিনি বলেন কি পাইছেন  আপনার বার বার সংবাদ প্রকাশ করবেন আমরা চুপ করে থাকবো। 
উল্লেখ আজ সকালে দৈনিক সাঙ্গু অনলাইনে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বনবিভাগের অনিয়ম: প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি হুবহু পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। 
চট্টগ্রাম উপকূলীয় বনবিভাগের কর্মকাণ্ড নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প, বিশেষ করে উপকূলীয় বন সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাত এবং পরিবেশ নীতিমালা লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগে তোলপাড় চলছে । অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন  উপকূলীয় বন সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের ৬১ ভাগ আত্মসাৎ করেছেন। এ খাতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্ধের  বেশির ভাগই আমÍসাতের কারণে প্রকল্পে ভবিষত নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।  এদিকে লুটপাটের পর বিভাগীয় বনকর্মকর্তা  বেলায়েত হোসেন আমেরিকা চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। বিশস্ত সুত্রে জানা গেছে তিনি আমেরিকা স্থায়ী হতে চাকরীতে ইসতফা দেওয়ার আবেদন করেছেন। 
একাধিক সরকারি ও বেসরকারি অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উপকূলীয় বন সুরক্ষা ও বৃক্ষরোপণ প্রকল্পগুলোর প্রায় ৬১ শতাংশ অর্থ আত্মসাৎ বা অপব্যয়ে হারিয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ বন রক্ষার নামে কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে বিল পরিশোধ হলেও বাস্তবে অধিকাংশ জায়গায় গাছ নেই, কিংবা রোপণকৃত চারা নষ্ট হয়ে গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বাঁশখালী, সীতাকুণ্ড, আনোয়ারা ও মিরসরাই অঞ্চলে বনভূমি দখল, অবৈধ কাঠচুরি ও মাছচাষের নামে বনভূমি ধ্বংস চলছে বছরের পর বছর। অনেক জায়গায় রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহল ও স্থানীয় কিছু বনকর্মীর যোগসাজশে এসব দখল কার্যক্রম গড়ে উঠেছে।
বনবিভাগের অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বনকর্মী বলেন, “উর্ধ্বতন মহলের অনুমতি ছাড়া মাঠপর্যায়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। অনেক সময় লিখিত অভিযোগ গেলেও তা নথির স্তূপে চাপা পড়ে থাকে।”
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শফিউল আজম বলেন, “বন সংরক্ষণের নামে অনেক প্রকল্প নেয়া হয়, কিন্তু টেকসই মনিটরিং বা জবাবদিহি না থাকায় সেগুলোর প্রভাব মাঠে দেখা যায় না। বন রক্ষার জন্য স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।”
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতিমধ্যে বন অধিদপ্তরের কয়েকটি প্রকল্পে অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে এবং কয়েকজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, বাস্তব চিত্র ভিন্ন। এখনো অনেক বনভূমি দখল হয়ে যাচ্ছে, কাঠ পাচারকারীরা রাতের অন্ধকারে সক্রিয়। তারা অভিযোগ করেন, সঠিক তদারকি না থাকলে উপকূলীয় বনভূমি অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে।
পরিবেশ আন্দোলনকর্মীরা বলছেন, বন ধ্বংস বন্ধে প্রয়োজন দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, শক্ত আইন প্রয়োগ ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ। অন্যথায়, উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাকৃতিক ঢাল একদিন সম্পূর্ণ হারিয়ে যাবে।
এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও)কে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেনি।  

 




দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসী হামলায় মিরসরাইয়ের যুবক নিহত

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসী হামলায় মিরসরাইয়ের যুবক নিহত
ছবি সংগৃহীত।

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মিরসরাইয়ের আবু ছালেক চৌধুরী টিপু নামে এক প্রবাসী নিহত হয়েছেন। 

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটুরিয়া কুমাথলাঙ্গা শহরে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনি নিহত হন। 

তিনি মীরসরাই উপজেলার ১৫ নং ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়াড়র্ের তছি সরকারবাড়ীর মৃত আবু তাহের চৌধুরীর সেঝ ছেলে। তিনি ২ ছেলে ও ১ মেয়ের জনক ছিলেন। 

নিহত টিপুর ভাতিজা রাব্বি চৌধুরী তুর্জয় বলেন, শুক্রবার বিকেলে আমার চাচ্চুকে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটুরিয়া কুমাথলাঙ্গা শহরে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসীরা কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। গুলি চাচ্চুর মাথা ও হাতে লাগে। এসময় তিনি ঘটনাস্থলে নিহত হন। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় বিয়ে করেছেন। সেখানে তাঁর স্ত্রী, ২ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। চাচ্চু প্রায় ২৫ বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় আছেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালে দেশে এসেছিলেন। লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় মীরসরাই এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।  

তিনি আরো বলেন, ২০০৬ সালে আমার ছোট চাচ্চু আবু সায়েম চৌধুরীকেও দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করেছিলো। ছোট চাচ্চুর আজ সেঝ চাচ্চুও চলে গেলেন।




ব্যালেট বক্সে যারা হাত দিবে তা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলা হবে- অধ্যাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া

ব্যালেট বক্সে যারা হাত দিবে তা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলা হবে- অধ্যাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া বলেছেন, ‘আমরা ভোটকেন্দ্র দখল করতে যাব না। যারা ভোটকেন্দ্র দখল করতে যাবেন তারা পরিবার থেকে বিদায় নিয়ে যাবেন। মা-বোন থেকে, ছেলে-মেয়ে থেকে শেষ সালাম নিয়ে যাবেন। আমরা কাউকে আঘাত করবো না, ব্যালেট বক্সে যারা হাত দিবে; তা রাখতে দিব না। শরীর থেকে হাত আলাদা করে ফেলা হবে। 

তিনি বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মীরসরাই আসনে ১০ দলীয় ঐক্য সমর্থীত ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট ছাইফুর রহমানের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে পৌর সদরের উষা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সমাবেশে প্রধান বক্তা জামায়াতে ইসলামী মনোনিত প্রার্থী এডভোকেট ছাইফুর রহমান বলেন, ‘অনেক কষ্টের বিনিময়ে আমাদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক অর্জন করেছি। আপনারা জানেন এ দাঁড়িপাল্লা ছিল আমাদের দলের এমন এক প্রতীক, যেটা মানুষের কাছে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এদেশের মানুষ দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে মুখিয়ে রয়েছে। আমরা বিজয়ের কাছাকাছি পৌঁছ গেছি,  এখন শুধু সময়ের বাকি।’

বাংলাদেশ শিক্ষক ফেডারেশন চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি অধ্যক্ষ মো. নুরের নবীর সভাপতিত্বে ও জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতের আমীর নুরুল হুদা হামিদীর সঞ্চালনায় বিশেষ বক্তা ছিলেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের এ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি অধ্যাপক ফজলুল করিম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি, মোহাম্মদ ইউসুফ বিন আবু বকর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন, মীরসরাই উপজেলা জামায়াতের আমীর নুরুল কবির, সাবেক আমীর নুরুল করিম, এনসিপি নেতা অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম, খেলাফত মজলিস নেতা মফিজুল ইসলাম সিদ্দিকী, মীরসরাই উপজেলা শিবিরের সভাপতি মো. সাকিব হোসাইন।  

এর আগে দিনের শুরুতে প্রচার-প্রচারনার প্রথমদিন বাবার কবর জেয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গণসংযোগে নামেন জামায়াতের প্রার্থী এডভোকেট ছাইফুর রহমান। দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রোগ্রাম করেন।




মীরসরাইয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন

মীরসরাইয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন
ছবি সংগৃহীত।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মীরসরাই আসনে বিএনপি মনোনিত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল আমিনের ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারনা উপলক্ষে ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) উপজেলার বারইয়ারহাটে নির্বাচনী কার্যালয়ে মীরসরাই উপজেলা ওলামা দলের উদ্যোগে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি মনোনিত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল আমিন।

জামালপুর মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মকসুদ আহম্মদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা ওলামা দলের যুগ্ম সম্পাদক এইচএম খায়ের উদ্দিন মাসুকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও মীরসরাই আসনে নির্বাচন পরিচলনা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা নুরুল আমিন, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, জেটেব কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফখরুল আলম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা জমির উদ্দিন নূরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা ডা. আকতার উদ্দিন, মাওলানা রাশেদ পারভেজ, উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সালাহ উদ্দিন।

প্রধান অতিথি বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিন বলেন, আলহামদুল্লিাহ, আনুষ্ঠানিক প্রচারনা শুরু করেছি। প্রথমদিন ধানের শীষের পক্ষে গণ জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের দলকে ক্ষমতায় আনতে মুখিয়ে আছে। আগামী ১২ ফেব্রæয়ারি ধানের শীষ বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন, একটি দল বিএনপিকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আপনারা অপপ্রচারে কান দেবেন না। ধানের শীষকে ভোট দিয়ে উন্নত দেশ গড়ার সুযোগ করে দিন।

এর আগে প্রচারনার প্রথম দিন উপজেলার ওচমানপুরে পিতা মরহুম মাওলানা আবুল খায়েরের কবর জেয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক গণসংযোগ শুরু করেছেন। সকালে উপজেলার ওচমানপুর ইউনিয়নে গণসংযোগ করার পর দুপুরে ওলামা দলের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে বারইয়ারহাট পৌরসভায় ও বিকেলে ধুম ইউনিয়নে প্রচার-প্রচারনা করেন।