এক লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

এক লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এক লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

এক লাখের বেশি নতুন শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক এবং বিভিন্ন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক-প্রভাষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

আজ (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর ইন্টার কন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউনেস্কো আয়োজিত ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ এডুকেশন সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্র্যান্ট অ্যান্ড মাল্টিপ্লায়ার গ্র্যান্ট ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমার কাছে আরও একটি সুসংবাদ রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষকের নিয়োগের বিষয়ে আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেছে। বিভাগটি আমাদের আপিল গ্রহণ করেছে এবং আমরা এখন ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করতে পারব।

তিনি বলেন, এর সঙ্গে আরও প্রায় ৭০ হাজার জন (এমপিওভুক্ত শিক্ষক-প্রভাষক) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এটি আমাদের জন্য একটি বড় খবর।

পাবলিক পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন নিয়ে পরিবর্তনের কথাও উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজ সকালে আমাদের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আমাদের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করার কথা ছিল, কিন্তু সম্ভবত আমাদের সহকর্মীরা মনে করেন যে আমাদের সেখানে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই কারণেই সবাই এই কক্ষে বসে আছি। আগে এমনটা হতো না। অনেক বড় পরিবর্তন এসেছে।

উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রায় ৫ লাখ ৪৪ হাজার শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি হলেও তারা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না। সাধারণ ধারায় প্রায় ৩৩ শতাংশ, কারিগরি শিক্ষায় ৫৪ শতাংশ এবং মাদ্রাসা শিক্ষায় ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। যখন আমরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলছি, তখন এটি আমাদের জন্য ভালো খবর নয়।

শিক্ষা খাতে বরাদ্দের অর্থের অপচয় বরদাশত করা হবে না বলেও সতর্ক করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০০১ সালে আমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং এই সব প্রকল্প সম্পর্কে আমার অভিজ্ঞতা ছিল। পূর্ববর্তী সরকার প্রচুর ঋণ এবং অনুদান নিয়েছিল, কিন্তু তা সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়নি।

দেশে মানসম্মত শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সম্ভবত আমরা মানসম্মত শিক্ষায় পিছিয়ে পড়েছি। আমি বিশ্বাস করি সরকারের একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করা উচিত। শিক্ষা পরিচালিত হবে প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে। আমরা এখানে সহায়ক হিসেবে কাজ করছি, যাতে তারা শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।




শিক্ষক নিয়োগ ইস্যুর আন্দোলন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী: ‘চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে দৌড়াচ্ছে, কানে হাত দিয়ে দেখছে না’

শিক্ষক নিয়োগ ইস্যুর আন্দোলন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী: ‘চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে দৌড়াচ্ছে, কানে হাত দিয়ে দেখছে না’
ছবি সংগৃহীত।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগ ব্যবস্থাপনা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে—এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সমালোচনা করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, “চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে দৌড়াচ্ছে, কানে হাত দিয়ে দেখছে না কানটি রয়েছে কি না। একটি সভার সিদ্ধান্তের (রেজোলিউশন) আলোচনার অংশবিশেষ কেটে প্রচার করা হয়েছে। বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। মন্ত্রীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার কথা থাকলেও সেই অংশ বাদ দিয়ে খবর প্রকাশ করা হয়েছে।”

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বার্ক) মিলনায়তনে ‘সমৃদ্ধ অর্থনীতির বিনির্মাণে শিক্ষা: দক্ষতা, ভাষাগত সক্ষমতা ও বৈশ্বিক গতিশীলতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমি বুঝতে পারছি না। গতকাল রাতে শুনলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল হচ্ছে। একটি মিটিংয়ের সিদ্ধান্তের আলোচনার জায়গাটি কেটে কোনো এক গুপ্ত ব্যক্তি মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট অংশটি দেখিয়েছে। কিন্তু তার নিচে যে অংশ রয়েছে—মন্ত্রী সেটি দেখবেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন, তারপর সেটির প্রজ্ঞাপন জারি হবে। সেই বিষয়টি কিন্তু ওই প্রজ্ঞাপন বা চিঠির মধ্যেই রয়েছে। সেটুকু বাদ দিয়ে পত্রিকায় ছাপিয়ে দিল, আর তা নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মিছিল শুরু করে দিল।”

সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে তা আলোচনার টেবিলে আলোচনা করা হবে। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত হয়ে আমার কাছে আসবে। সেই খসড়া সিদ্ধান্তই কি মন্ত্রীর সিদ্ধান্ত? এটি কি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত? এটি কি প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত? এটি কি দলীয় সিদ্ধান্ত? একবারও ভেবে দেখল না! চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে দৌড়াচ্ছে, কিন্তু কানে হাত দিয়ে দেখছে না নিজের কানটি আছে কি না।”

এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “২০০৪ সালে আমি নিজে শিক্ষকদের মর্যাদা দেওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে অনুরোধ করে এই এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার এসে এনটিআরসিএ থেকে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া শুরু করে। তারা ১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ দিতে পারছে না, কারণ তাদের বয়স পার হয়ে গেছে। আমি রাস্তায় গাড়ি দিয়ে যাওয়ার সময় তারা আমার গাড়ির নিচে এসে মাথা দিয়ে দেয়—তাদের বয়স নেই। ১৮তম নিবন্ধনে প্রায় ১ লাখ শিক্ষককে এনটিআরসিএর লাইসেন্স ও সনদ দিয়েছে, কিন্তু চাকরি দেয়নি। তাদেরও বয়স পার হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে ৭৭ হাজার পদ শূন্য হয়ে রয়েছে।”

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “তারা যেভাবে নিয়োগগুলো দিয়েছিল—নোয়াখালীর শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কুষ্টিয়ায়, রংপুরের শিক্ষককে খাগড়াছড়িতে, আর খাগড়াছড়ির শিক্ষককে লালমনিরহাটে। এই বদলি প্রক্রিয়া যে কতটা জটিল কাজ!”

৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “৯ হাজার শিক্ষককে নিয়োগ দিতে হবে। ৭৭ হাজার থেকে ৯ হাজার চলে গেলে বাকিদের আবার নথি বের করতে হবে এবং তাদের পরীক্ষা নিতে হবে।”

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির সুযোগ থাকবে না জানিয়ে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “একজন ছাত্র যখন শিক্ষকের সনদ পাবে, তাকে নিয়োগ দিতেই হবে। এখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি চলবে না।”




চট্টগ্রাম বোর্ডে শতভাগ পাস ২১ বিদ্যালয়ে, ৮টিতে কেউ পাস করেনি

চট্টগ্রাম বোর্ডে শতভাগ পাস ২১ বিদ্যালয়ে, ৮টিতে কেউ পাস করেনি
ছবি সংগৃহীত।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে থাকা ২১টি বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী পাস করেছে। বিপরীতে আটটি বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী ফলাফল ঘোষণা করেন।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ হাজার ২১৮টি বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে শূন্য থেকে ১০ শতাংশ পাস করেছে এমন বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১০টি। ১১ থেকে ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে ৪৬৮টি বিদ্যালয়ে। আর ৫১ থেকে ৯৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে ৬৯৩টি বিদ্যালয়ে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২১৮টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন। তাদের মধ্যে মোট পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। 
এর আগে ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। ২০২৪ সালে ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৮ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ৮৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল।

এবার বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৪ হাজার ১২৩ জন এবং ছাত্রী ৫ হাজার ২৭৫ জন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে।

এদিকে তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে বান্দরবান। এ জেলায় পাসের হার ৬৩ দশমিক ১২ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং রাঙামাটিতে ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগরে পাসের হার ৮১ দশমিক ০৩ শতাংশ, মহানগর বাদে চট্টগ্রাম জেলায় ৭১ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং মহানগরসহ চট্টগ্রাম জেলায় ৭৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। কক্সবাজার জেলায় পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।




পাসের হারে ৩ পার্বত্য জেলায় এগিয়ে বান্দরবান

পাসের হারে ৩ পার্বত্য জেলায় এগিয়ে বান্দরবান
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ঘোষিত ফলাফলে তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে বান্দরবান।

এ জেলায় ৬৩ দশমিক ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এছাড়া খাগড়াছড়ি জেলায় ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং রাঙামাটি জেলায় ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী ফলাফল ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার চট্টগ্রাম মহানগরে পাসের হার ৮১ দশমিক ০৩ শতাংশ। এছাড়া মহানগর বাদে চট্টগ্রাম জেলার পাসের হার ৭১ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং মহানগরসহ জেলার পাসের হার ৭৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। এর বাইরে বোর্ডের অধীন কক্সবাজার জেলার পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

ফলাফলে দেখা গেছে, এবার সব মিলিয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৮ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ৮৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। এর আগে ২০২৫ সালে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৮৪৩, ২০২৪ সালে ১০ হাজার ৮২৩, ২০২৩ সালে ১১ হাজার ৪৫০ এবং ২০২২ সালে ১৮ হাজার ৬৬৪ জন।

এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২১৮টি কেন্দ্রে ১ হাজার ২১৮টি বিদ্যালয়ের ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন। এবার ছাত্রদের পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৬০ দশমিক ০৩ শতাংশ। এছাড়া জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ১২৩ জন ছাত্র এবং ৫ হাজার ২৭৫ জন ছাত্রী।

ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২১টি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে, আটটি বিদ্যালয় থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি। এছাড়া শূন্য থেকে ১০ শতাংশ পাস করেছে এমন বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১০টি, ১১ থেকে ৫০ শতাংশ পাস করেছে ৪৬৮টি এবং ৫১ থেকে ৯৯ শতাংশ পাস করেছে ৬৯৩টি বিদ্যালয়।