কক্সবাজার সৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাল মডার্ণ এডুকেশন সেন্টার
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন

কক্সবাজার সৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাল মডার্ণ এডুকেশন সেন্টার

কক্সবাজার সৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাল মডার্ণ এডুকেশন সেন্টার
ছবি সংগৃহীত।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি রক্ষায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জাপানি ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র ‘মডার্ণ এডুকেশন সেন্টার’। আজ রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে পর্যটন নগরীর সুগন্ধা পয়েন্টে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সৈকতের বালিয়াড়ি থেকে অন্তত ২০ ব্যাগ প্লাস্টিক বর্জ্য ও বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা সংগ্রহ করেন। পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১০০ শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

অভিযান উদ্বোধনকালে মডার্ণ এডুকেশন সেন্টারের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আমরা জাপানকে একটি পরিচ্ছন্ন দেশ হিসেবে জানি। শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে আমরা প্রিয় মাতৃভূমিকেও ঠিক তেমনি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কক্সবাজারের মতো দেশের সকল পর্যটন কেন্দ্রে এমন উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন।”

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা অধ্যাপক জসিম উদ্দীন বলেন, “সৈকত আমাদের জাতীয় সম্পদ। নিজেদের প্রয়োজনে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই সম্পদকে আবর্জনাযুক্ত রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

কর্মসূচিতে উপস্থিত কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ ও গণমাধ্যম) ইমাম খাইর পর্যটকদের নিরাপত্তায় স্থানীয় প্রশাসনের আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করে বলেন, সমুদ্রের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বালিয়াড়ির পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আরও অংশ নেন মডার্ণ এডুকেশন সেন্টারের উপদেষ্টা অধ্যাপক রুহুল আমিন, পরিচালক আনোয়ার হোসাইন এবং ব্যবস্থাপক সাইদুর রহমান। অনুষ্ঠান শেষে পর্যটকদের যত্রতত্র আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলার আহ্বান জানানো হয়।




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।