কক্সবাজারে যুবদলের ২ নেতার ওপর এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ
কক্সবাজার শহরে যুবদলের দুই নেতার ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করেছে মোটরসাইকেল আরোহী একদল দুর্বৃত্ত।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় শহরের বাইপাস উত্তরণ আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, লারপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম (৩৫) ও মোহাম্মদ ফারুক (৩৪)। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ছমি উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি মোটরসাইকেলে করে কক্সবাজার শহরের কলাতলী মোড় থেকে বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিল যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ফারুক। তারা বাইপাস সড়কের কাটা পাহাড় এলাকায় গেলে পেছন থেকে হেলমেট পরা দুই মোটরসাইকেল আরোহী পিছু নেয়। একপর্যায়ে তারা কাছাকাছি গিয়ে প্রথমে পেছন থেকে গুলি করে। লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়ে। এতে দুজনই গুলিবিদ্ধসহ মারাত্মক আহত হন হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সাইফুলের আপন ভাই সাইদুল ও চাচাতো ভাই কায়সারকে ব্যাডমিন্টন খেলায় বাগ্বিতণ্ডা জেরে হত্যা করা হয়েছিল। হত্যায় জড়িতরা সাইফুলের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত, তারা সাইফুলের ওপর গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে, ধারণা এলাকাবাসীর।
কক্সবাজার পৌর যুবদলের সভাপতি আজিজুল হক সোহেল বলেন, সাইফুল ও ফারুক দুজনই সক্রিয়ভাবে যুবদলের রাজনীতিতে জড়িত। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে অনতিবিলম্বে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
সদর মডেল থানার ওসি ছমি উদ্দিন বলেন, প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, যুবদলের দুই নেতার ওপর গুলি বর্ষণের খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতালে ছুটে যায় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। তাৎক্ষণিক তারা শহরের বিক্ষোভ মিছিল করেছে। অনতিবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি দিয়েছে নেতৃবৃন্দ।
সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর নড়ে চড়ে বসেছে জেলা পুলিশ। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান। এ সময় তিনি সন্ত্রাসী ঘটনায় জড়িত সকলকে দ্রুত সনাক্ত করে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।










