চকরিয়া থানার বিশেষ ব্লকরেইড অভিযান ও ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

চকরিয়া থানার বিশেষ ব্লকরেইড অভিযান ও ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন

চকরিয়া থানার বিশেষ ব্লকরেইড অভিযান ও ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন
ছবি সংগৃহীত।

চকরিয়া থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনির হোসেনের সরাসরি নেতৃত্বে মানিকপুর–সুরাজপুর ইউনিয়নে বিশেষ ব্লকরেইড অভিযান পরিচালনা করেছে থানা পুলিশ। অভিযানে একাধিক চিহ্নিত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর ২০২৫) মানিকপুর–সুরাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সংশ্লিষ্ট বিট অফিসারসহ চকরিয়া থানা পুলিশের একাধিক টিম অংশ নেয়। অভিযানকালে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, চোর-ডাকাত, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালানো হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, অভিযানের সময় ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে একাধিক অপরাধীকে আটক করা হয়। অভিযানের ফলে এলাকায় অপরাধীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এলাকাবাসী চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনির হোসেনের নেতৃত্বাধীন এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে সাধুবাদ জানান। তাঁরা বলেন, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আসবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তাঁরা।

এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, "মানিকপুর–সুরাজপুর ইউনিয়নের জনগণ যেন নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে, সে লক্ষ্যেই আমাদের অভিযান। অপরাধ দমনে চকরিয়া থানা পুলিশের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে।"

এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মানিকপুর–সুরাজপুর ইউনিয়নের চারটি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করে চকরিয়া থানা পুলিশ। পরিদর্শনকালে ভোটকেন্দ্রগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আশপাশের পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।

পুলিশ জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে চকরিয়া থানা পুলিশের সার্বিক প্রস্তুতি ও তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।