চকরিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, মারধরে আহত ৩, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন

চকরিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, মারধরে আহত ৩, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

চকরিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, মারধরে আহত ৩, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নে একটি হিন্দু ধর্মাবলম্বী পাড়ায় (হিন্দুপাড়া) গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দল অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। এ সময় ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের হামলায় গৃহকর্তাসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রবিবার (১ নভেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড হিন্দুপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত ফকির চাঁদ দের ছেলে নারায়ণ কান্তি দের (৪৫) বসতবাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। ১০-১২ জনের একটি মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।

ভুক্তভোগী নারায়ণ কান্তি দে জানান, ডাকাতরা ঘরে ঢুকেই সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। এ সময় বাধা দিতে গেলে ডাকাত দল ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে আমি, আমার বড়ভাই বাঁশি মোহন দে (৪৮) ও আমার বড়ভাইয়ের ছেলে প্রশান্ত দে (১৯) গুরুতর আহত হন। ডাকাতরা আলমারি ও ওয়ারড্রব ভেঙে ৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩ লাখ টাকা লুট করে পালিয়ে যায়।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান দ্রুত পুলিশের একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত তথ্য নিয়েছেন।

বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ছালেকুজ্জামান বলেন, “আমাদের বরইতলী ইউনিয়নের হিন্দু পল্লীতে যে দুর্ধর্ষ ডাকাতি ও হামলার ঘটনা ঘটেছে, আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের জন্য আমি প্রশাসনের জোরালো দাবি জানাচ্ছি। ভুক্তভোগী সনাতন সম্প্রদায়ের পাশে আমরা আছি এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এটি একটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ঘটনা। আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। ডাকাতদের চিহ্নিত করতে এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারসহ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম ইতিমধ্যে অভিযান শুরু করেছে।

এদিকে এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। থানায় একটি ডাকাতি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানায় ভুক্তভোগী সনাতনী পরিবার।




এক অফিসে প্রায় ৩ বছর, বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা খালেদা বেগম

এক অফিসে প্রায় ৩ বছর, বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা খালেদা বেগম
ছবি সংগৃহীত।

একই কর্মস্থলে দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ধরে কর্মরত থেকে নানা অনিয়ম ও বেপরোয়া আচরণের অভিযোগ উঠেছে এক ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং নিজের পদবিকে ‘কর্মকুত্তা’ বলে ব্যঙ্গ করার কারণে ইতিপূর্বে তাঁকে সতর্ক করেছিলেন তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রূপায়ন দেব। একের পর এক এমন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ জনগণ।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত তহশিলদার খালেদা বেগমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ভূমি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি, কাজের দীর্ঘসূত্রতা এবং নিয়মবহির্ভূত অর্থ আদায়ের অভিযোগ তুলছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় ও সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, ভূমি অফিসে নামজারি, খাজনা প্রদান, ভূমি উন্নয়ন কর ও খতিয়ানসহ বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ চরম বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করার পরও কখনো কাগজপত্রের ঘাটতি, আবার কখনো নানা অজুহাতে সেবাপ্রার্থীদের দিনের পর দিন অফিসে ঘোরানোর অভিযোগ রয়েছে।

নুরুল করিম নামের এক ভুক্তভোগীর দাবি, সাধারণ মানুষ সরকারি নির্ধারিত ফি দিয়ে সেবা নিতে গেলেও অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চাপ তৈরি করা হয়।

স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, এই ভূমি অফিসকে কেন্দ্র করে একটি দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে। তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন সেবা দ্রুত করে দেওয়ার কথা বলে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে। অভিযোগ রয়েছে, অফিসের কিছু কার্যক্রমে ওই চক্রের প্রকাশ্য প্রভাব রয়েছে। ভূমি অফিসে সেবার প্রতিটি ধাপ, সরকারি ফি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা প্রকাশ্যে টানিয়ে দিলে এ ধরনের হয়রানি অনেকাংশে কমবে।

চিরিংগা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত তহশিলদার) খালেদা বেগম বলেন, “এসব অভিযোগ সত্য নয়, বরং এগুলো আমার বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।”

চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিউল আলম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভূমি অফিসে সেবাপ্রত্যাশীদের হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।




কক্সবাজারে ৩৫ টির বেশি দেশের অংশগ্ৰহণে দুইটি আন্তর্জাতিক আইইইই সম্মেলন

কক্সবাজারে ৩৫ টির বেশি দেশের অংশগ্ৰহণে দুইটি আন্তর্জাতিক আইইইই সম্মেলন
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৩৫টির বেশি দেশের অংশগ্ৰহণে বিইউবিটির আয়োজনে দুটি আন্তর্জাতিক আইইইই সম্মেলন। শহরের একটি তারকা হোটেলের কনফারেন্স হলে ১ নভেম্বর অনলাইনে টেকনিক্যাল সেশনের মধ্য দিয়ে তিনদিন ব্যাপী এই সম্মেলন শুরু হয়।

১১তম আইইইই এশিয়া-প্যাসিফিক কনফারেন্স অন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং-আইইইই সিএসডিই এবং ১২তম আইইইই ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন সাসটেইনেবল টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-আইইই আই-কোস্ট সম্মেলনে 
পাঁচটি কিনোট-টক, ৮৬টি অনলাইন টেকনিক্যাল সেশন, ২১টি অন-সাইট সেশন এবং যৌথ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান রয়েছে।

সম্মেলনে আলোচকরা হলেন, আইইইই ফেলো অধ্যাপক ড. ইয়াং শিয়াং, অধ্যাপক ড. ইউই-নাম হুহ, অধ্যাপক ড. ওয়াং লিমসুন, এসিএম ফেলো অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান এবং অধ্যাপক ড. শামস রহমান।

তাঁদের উপস্থাপনায় উদীয়মান প্রযুক্তি, গবেষণার চ্যালেঞ্জ এবং কম্পিউটিং ও টেকসই প্রকৌশলের অগ্ৰগতি সম্পর্কে আলোচনা ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।

সম্মেলন দুটিতে মোট ৫৫৪টি নিবন্ধিত গবেষণাপত্র উপস্থাপিত হচ্ছে। এর মধ্যে আইইইই আই-কোস্ট ২০২৬-এ ২১৭টি এবং আইইইই সিএসডিই ২০২৬-এ ৩৩৭টি গবেষণাপত্র রয়েছে। গবেষণাপত্রগুলোর বিষয়বস্তুর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডেটা সায়েনস, কৃত্ৰিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানি, স্মার্ট কৃষি, ইন্টারনেট অব থিংস, সাইবার নিরাপত্তা, শিল্প অটোমেশন ও রোবোটিক্স।

অংশগ্ৰহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্রৰ, যুক্তরাজ্য, চীন, ইন্দোনেশিয়া, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারত, ফিজি, রুয়ান্ডা, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, জাপান, আফগানিস্তান, ইউক্রেন, মরিশাস ও পাকিস্তানসহ প্রায় ৩৫টি দেশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভাসিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ নাফে আস-সাবের।

বিশেষ অতিথি হিসেবে রয়েছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) অধ্যাপক এবং আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ার অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমান এবং চ্যাপ্টারের চেয়ার-ইলেক্ট এবং উভয় সম্মেলনের পুরস্কার কমিটির চেয়ার অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিইউবিটির উপাচার্য এবং উভয় সম্মেলনের পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলী।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এম সোহেল রহমান আইইইই সিএসডিই ২০২৬-এর জেনারেল চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ আইইইই আই-কোস্টের জেনারেল চেয়ার হিসেবে রয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক কনফারেন্স দুটির উপদেষ্টা প্যানেলের সদস্য এবং ড. মুহাম্মদ আমিনুর রহমান উভয় সম্মেলনের অৰ্গানাইজিং চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আইইইই সিএসডিই-এর জেনারেল কো-চেয়ার এবং আইইইই আই-কোস্টে-এর টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম কমিটির (টিপিসি) চেয়ার অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব জানান, কক্সবাজার ও বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের নীল-অর্থনীতির উন্নয়নে আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা জোরদার করা সম্মেলন দুটির অন্যতম লক্ষ্য। এ আয়োজন একাডেমিক গবেষণার সঙ্গে বাস্তব প্রয়োগের সংযোগ স্থাপন এবং কক্সবাজারের টেকসই উন্নয়নে প্ৰযুক্তিনি্ভর সমাধানকে উৎসাহিত করছে। পাশাপাশি অংশগ্ৰহণকারীদের পেশাগত যোগাযোগ গড়ে তোলা ও ভবিষ্যৎ যৌথ গবেষণার সুযোগ অনুসন্ধানের ক্ষেত্ৰ তৈরি করছে।

সহযোগী সংস্থা ও পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে রয়েছে বিইউবিটি, আইইইই, আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টার, আইইইই সিস্টেমস কাউন্সিল, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, বিডিএআই এবং মার্কো রোবোটিক্স বিডি।

আগামী ৩ নভেম্বর যৌথ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক এই সম্মেলন দুটি সমাপ্ত হবে।




চকরিয়ায় ১০টার পর অফিসে আসেন ভূমি কর্মকর্তা, প্রশ্ন করায় সাংবাদিকের সঙ্গে তর্ক

চকরিয়ায় ১০টার পর অফিসে আসেন ভূমি কর্মকর্তা, প্রশ্ন করায় সাংবাদিকের সঙ্গে তর্ক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নিয়মিত দেরিতে উপস্থিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত তহসিলদার খালেদা বেগমের বিরুদ্ধে। প্রতিদিন সকাল ১০টার পর অফিসে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি অনুসন্ধানে চিরিংগা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান দৈনিক সাঙ্গুর চকরিয়া প্রতিনিধি এইচ এম রুহুল কাদের। এ সময় খালেদা বেগমের কাছে প্রতিদিন সকাল ১০টার পর অফিসে আসার কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। উল্টো সাংবাদিককে প্রশ্ন করেন, “কেন প্রশ্ন করবেন?” তিনি বলেন, “১০টায় আসব নাকি কয়টায় আসব, সেটা আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দেখবে।” এ নিয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে তিনি তর্কে জড়িয়ে পড়েন।

স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, ভূমি অফিসে সময়মতো কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকায় প্রয়োজনীয় সেবা পেতে তাঁদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিউল আলম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”