চকরিয়ায় বিএনপি নেতা মামুনের অর্থায়নে টানা চতুর্থ দফায় ত্রাণ বিতরণ
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন

চকরিয়ায় বিএনপি নেতা মামুনের অর্থায়নে টানা চতুর্থ দফায় ত্রাণ বিতরণ

চকরিয়ায় বিএনপি নেতা মামুনের অর্থায়নে টানা চতুর্থ দফায় ত্রাণ বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে টানা ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মামুনুর রশীদ মামুন।

গত রবিবার শুরু হওয়া ১০ দিনব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৪ জুলাই) চতুর্থ দিনের মতো ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখাব উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম মেম্বার, ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আয়ুবসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মামুনুর রশীদ মামুন জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় শুধু খাদ্যসংকটই নয়, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কৃষিজমিসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে তিনি নিজস্ব তহবিল থেকে এই ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ত্রাণগ্রহীতা ও স্থানীয়রা জানান, অতীতে দীর্ঘ সময় ধরে এ ধরনের বৃহৎ পরিসরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ কোনো জনপ্রতিনিধি বা বিত্তবান ব্যক্তির কাছ থেকে দেখা যায়নি। তারা জানান, জনপ্রতিনিধি না হয়েও মামুনুর রশীদ মামুন দিন-রাত পরিশ্রম করে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয়রা আরও বলেন, সমাজের অন্যান্য সচ্ছল ও বিত্তবান ব্যক্তিরাও যেন দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে এগিয়ে আসেন, সেটিই এখন সময়ের দাবি।




দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা

দাখিলে ১২৯০ নম্বর পেয়ে জেলার শীর্ষে কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার তাসনিয়া জাহান মুনতাহা
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ১৪০০ নম্বরের মধ্যে ১২৯০ পেয়ে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কৃতী শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান মুনতাহা কক্সবাজার শহরের আলীর জাহাল পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার মো. শাহ আলম ও সাজেদা আক্তার সাজুর মেয়ে।

মুনতাহার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ধারাবাহিকতা:

তাসনিয়া জাহান মুনতাহা এই মাদ্রাসার একজন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থী। সে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি বার্ষিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এসেছে। পুরো শিক্ষাজীবনে সে কখনো তৃতীয় স্থান লাভ করেনি।

সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও সনদের তালিকা:

পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তাসনিয়া জাহান মুনতাহার অর্জন এবং সনদের সংখ্যা অসামান্য।




ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায় দাখিলে চমক, পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ
ছবি সংগৃহীত।

দাখিল পরীক্ষায় চমক দেখাল ইসলামিয়া মহিলা কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসা, কক্সবাজার।

১০ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন এবং সাধারণ বিভাগে ১ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৮৪ পেয়ে রেকর্ড গড়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ওয়ার্দা রিহাব। একই বিভাগের তাহমিদা তবচ্ছুম সাওদা গোল্ডেন জিপিএ-৫-সহ কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩৬।

ফলাফল শিটে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯ জন ও সাধারণ বিভাগ থেকে ২৮ জনসহ মোট ৩৭ জন পরীক্ষার্থী ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। তা ছাড়া ১৭ জন এ-, ১৫ জন বি, ৭ জন সি এবং ৫ জন এফ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাসের হার ৯৪.২৫ শতাংশ।

এদিকে জিপিএ-৫-সহ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদী। তিনি কৃতী ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।




রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

রামুতে দুই মাসের সন্তানকে হত্যার অভিযোগে মা আটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুতে মায়ের হাতে দুই মাসের শিশুপুত্র জবাই হয়ে নির্মমভাবে খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদারপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশুর নাম রায়ান আহমেদ (বয়স: ২ মাস)। সে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আব্দুল মালেকের সন্তান। শিশুর বাবার বাড়ি রাজারকুল সিকদারপাড়ায় হলেও ঘটনাটি ঘটেছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারের (২৩) বাবার বাড়ি চৌকিদারপাড়ায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামু থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা রোমানা আক্তারকে আটক করে।

এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পরিবারের তথ্যমতে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং পূর্বে তাকে চিকিৎসকও দেখানো হয়েছে।

সকালে শিশুটিকে নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত রোমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, "পরিবার মানসিক সমস্যার কথা বললেও প্রাথমিকভাবে আমরা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে এবং চিকিৎসাগত পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে।