জ্বালানি তেল: আছে এক মাসের রিজার্ভ, বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন

জ্বালানি তেল: আছে এক মাসের রিজার্ভ, বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের

জ্বালানি তেল: আছে এক মাসের রিজার্ভ, বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের
ছবি সংগৃহীত।

জ্বালানি তেলের মজুদ পর্যাপ্ত রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গনি বলেছেন, মজুদ আরও বড় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

সন্ধ্যায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ব্রিফিং করেন।

সকালে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে একটা বৈঠক হয়েছে, যেখানে অর্থমন্ত্রী, জ্বালানি মন্ত্রী ছিলেন।

আন্তর্জাতিক যে ক্রাইসিসটা আমরা জানি। সরকার আসলে কী করছে, প্রধানমন্ত্রী আসলে কী বলছেন--- প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি রেগুলার করার জন্য সরকারের যত সামর্থ্য আছে, সমস্ত কিছু সেগুলোর যাচাই করেছেন, দেখেছেন। কীভাবে চলছে। কাজ কী কী অগ্রসর হয়েছে।
মন্ত্রণালয় কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং আমাদের কী অবস্থায় আছে।
প্রধানমন্ত্রী, সরকারের সক্ষমতা এবং কার্যক্রমগুলো যাচাই করেছেন।

তিনি বলেন, আমি জাস্ট সংক্ষেপে এটুকু বলতে পারি যে, আমাদের এর আগে জেনারেলি ১৫ দিনের একটা রিজার্ভ থাকে। এখন পর্যন্ত রিজার্ভ সাফিসিয়েন্ট রয়েছে এবং, যেগুলা, প্যানিক বাইং হচ্ছে অনেকটা।

আমার চোখেও পড়েছে। প্যানিক বাইং ইচ্ছা করে করতেছে কিনা, এইগুলো তো অতিরিক্ত কিনলে তো নষ্টই হবে বলে মনে হয়, তেল-টেলগুলা। এগুলো হচ্ছে কিছু। সেইটা হয়তো আর কয়েক দিন পরে কেটে যাবে। মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরত আসলে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকার, খুব শিগগিরই, যে প্ল্যান নেওয়া হয়েছে, তাতে এ  রিজার্ভটা আরও বড় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যাতে আমাদের জ্বালানি...।

তিনি বলেন, আমাদের মূলত ধাক্কাটা আসে জ্বালানির ক্ষেত্রে ও সারের ক্ষেত্রে। এ জ্বালানির ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থাটা, নেওয়া হচ্ছে।

আমাদের কতদিনের মজুদ আছে -- প্রশ্নে তিনি বলেন, এক মাসের মতো আছে।

জেট ফুয়েলের দাম বেড়েছে, মানুষ প্যানিক হচ্ছে যে, তেলের দাম বাড়তে পারে--- এ বিষয়ে তিনি বলেন, না, না, জেট ফুয়েলের দাম, সব কিছুরই তো বাইরে দাম বেড়েছে, তাই না? এখন জেট ফুয়েলের দাম যদি আমরা দেখি, এটার কতগুলো ব্যাপার আছে। না হলে, এখানে তো অন্য দেশের এয়ারলাইন্স আসবে। আসে না বাংলাদেশে? তারা তেল ফুরিয়ে গেলে কী করে? বোম্বে থেকে তেল নিয়ে আসে, টাকা তো ভরে, এখান থেকে। তখন আমরা লসে পড়ে যাই। বুঝতে পারছেন কথাটা? সে জন্য বিমান তো ব্যবসা, আন্তর্জাতিক যে রেট আছে, সেই রেটে চলছে।

এক মাসের মজুদ কোন কোন তেলের আছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব তেলেরই আছে। এটা একটা প্রপর্শন আছে। আমার কাছে হিসাব ডিটেইলস চাবেন না। আমি দিতে পারবো।

দুই কার্গো এলএনজি কেনার কথা- এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের কার্গোগুলো কীভাবে হচ্ছে, যেগুলো মিস করছি আমরা, এগুলো স্পট মার্কেট থেকে কিনতে হয়। এটা যখন আসে, সিদ্ধান্তটা দিতে হয় তাদেরকে ১০ ঘণ্টার মধ্যে। ফলে এগুলো, ঝট করে মিটিংটা করতে হয়। এ সময় তো বেশি সময় পাই না এর জন্য।

আমরা পাইপ লাইনে আনছি কিনা-তিনি বলেন, অবশ্যই, অবশ্যই, সেগুলো সবই যাচাই করেছেন। তা না হলে ইয়ে বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।




চাকরি যাচ্ছে বিপ্লব কুমারসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার, শিগগিরই প্রজ্ঞাপন

চাকরি যাচ্ছে বিপ্লব কুমারসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার, শিগগিরই প্রজ্ঞাপন
ছবি সংগৃহীত।

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বরখাস্ত হতে যাওয়া পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা হলেন— বিপ্লব কুমার সরকার, মো. গোলাম রুহানী, সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রাজন কুমার দাস ও মো. ইকবাল হোসাইন।

সংশ্লিষ্ট নথির তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ কর্মকর্তার মধ্যে ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার সাময়িক বরখাস্ত হয়ে বরিশালে রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত রয়েছেন। মো. গোলাম রুহানী (সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই) বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত ও পলাতক। সুদীপ কুমার চক্রবর্তী সাময়িক বরখাস্ত হয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত রয়েছেন। রাজন কুমার দাস সাময়িক বরখাস্ত ও পলাতক। মো. ইকবাল হোসাইন সাময়িক বরখাস্ত হয়ে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত রয়েছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকা এবং পলায়নের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার গুরুদণ্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।




২৭ আগস্ট বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

২৭ আগস্ট বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন
ছবি সংগৃহীত।

আগামী ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-১-এর পরিচালক মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি আগামী ২৭ আগস্ট বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন। এটি চলতি সংসদের তৃতীয় অধিবেশন হতে যাচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রপতি বলেছেন, "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আমি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, হাফিজ উদ্দিন আহমদ ২৭ আগস্ট বিকেল ৩টায় ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় (২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩য়) অধিবেশন আহ্বান করছি।’’




অতীতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা

অতীতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা
ছবি সংগৃহীত।

অতীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও একটি নির্দিষ্ট সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নে জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া ব্রিফিং এবং সরকারের প্রকাশ্য বক্তব্য থেকে বাংলাদেশ বিষয়টি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে ভারতের কাছে উপস্থাপন করেছে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের দিক থেকে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন তথ্য উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তার বক্তব্যের পর বাংলাদেশের দেওয়া বিবৃতিতেও বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছিল।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে ওই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই– এমন বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও বাংলাদেশের দৃষ্টিতে বিষয়টির সঙ্গে ভারতের কোনো না কোনো পর্যায়ের সংশ্লিষ্টতা বা সমর্থনের প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সরকারের সঙ্গে নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে হওয়া উচিত। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক নতুনভাবে বিন্যাস বা ‘রিঅ্যালাইনমেন্ট’-এর প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা।