তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে টেকনাফ বিএনপির উচ্ছ্বাস, উজ্জীবিত তৃণমূল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবরে সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফেও দলটির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা ও উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দলের শীর্ষ নেতার এই প্রত্যাবর্তনে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সব স্তরে এক নতুন রাজনৈতিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। টেকনাফ বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, তারেক রহমানের সরাসরি উপস্থিতিতে দলের সাংগঠনিক শক্তি যেমন সুসংহত হবে, তেমনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন করে গতি সঞ্চার হবে।
সরেজমিনে বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার টেকনাফ সদর, বাহারছড়া, হ্নীলা, সাবরাং ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক ইউনিটের নেতা-কর্মীরা ঢাকায় আয়োজিত বিশাল সমাবেশে যোগ দিতে ইতিপূর্বেই রাজধানী অভিমুখে রওয়ানা দিয়েছেন। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ধানের শীষের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী ইতোমধ্যে সমাবেশস্থলে যোগ দিয়েছেন। অনেক নেতা-কর্মী দুই-এক দিন আগেই ঢাকায় পৌঁছালেও অবশিষ্টরা বুধবার সকাল থেকেই রওয়ানা হতে শুরু করেছেন। প্রিয় নেতার ফেরার আনন্দ উদ্যাপন করতে টেকনাফের প্রতিটি ইউনিয়ন ও পাড়া-মহল্লায় আনন্দ মিছিল করছেন নেতা-কর্মীরা।
তৃণমূলের একাধিক নেতা জানান, তারেক রহমান তাদের প্রধান অনুপ্রেরণা এবং তার দেশে ফেরার মধ্য দিয়ে দলের ভেতরকার সাময়িক স্থবিরতা পুরোপুরি কেটে যাবে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর মতে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। এটি একদিকে যেমন নেতা-কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও দলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে। নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, এই প্রত্যাবর্তন আগামী দিনের রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সদস্য বদিউর রহমান জানান, তারেক রহমানের আগমনের খবরে গ্রামের প্রবীণরা যেমন উচ্ছ্বসিত, তেমনি তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও ব্যাপক উল্লাস বইছে। বর্তমানে সাধারণ মানুষের মুখে মুখেও প্রিয় নেতার প্রত্যাবর্তনের খবর আলোচিত হচ্ছে।
টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, তারেক রহমানের আগমনে আজ পুরো বাংলাদেশ আনন্দিত। বর্তমানে রাজধানী ঢাকামুখী মানুষের জনস্রোত তৈরি হয়েছে। তারেক রহমান কেবল একজন নেতা নন, তিনি বাংলাদেশের কোটি মানুষের আস্থার প্রতীক। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তার এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন হবে স্বৈরাচারমুক্ত নতুন বাংলাদেশের এক নতুন অধ্যায়। তিনি আরও যোগ করেন, নেতার আগমনে দলের সাংগঠনিক ভিত যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি জাতীয় রাজনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। টেকনাফ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাদের প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।










