নাইক্ষ্যংছড়ি শাহ-সুজা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ দুই সেতু, বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন

নাইক্ষ্যংছড়ি শাহ-সুজা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ দুই সেতু, বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ

নাইক্ষ্যংছড়ি শাহ-সুজা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ দুই সেতু, বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর ইউনিয়নের সঙ্গে রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের যোগাযোগের ঐতিহাসিক শাহ-সুজা সড়কের জারুলিয়াছড়ি খাল ও জামছড়ি খালের ওপর নির্মিত দুই সেতু বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

সেতুর রেলিং ভেঙে যাওয়া, বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেতুদ্বয়ের বেহাল অবস্থার কারণে যেকোনো সময় যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রায় দেড় যুগ আগে জারুলিয়াছড়ি খালে নির্মিত হয় সেতুগুলো। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে ত্রাণ অধিদপ্তরের আওতায় এটি নির্মাণ করা হয়েছিল। অন্যদিকে জামছড়ি খালের সেতুটি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত হয়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত সেতু দুটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা হয়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয় শিক্ষক মো. ছুরত আলম বলেন, “জামছড়ি খালের সেতু দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। সেতুটি অত্যন্ত সরু হওয়ায় টমটম ও সিএনজি ছাড়া বড় কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। সড়কের দুই পাশ প্রশস্ত হলেও সেতুর প্রস্থ কম হওয়ায় যোগাযোগব্যবস্থায় ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। তাই দ্রুত নতুন ও প্রশস্ত সেতু নির্মাণ প্রয়োজন।” এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী প্রকৌশলী পারভেজ বলেন, সেতুগুলো পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

অন্যদিকে জারুলিয়াছড়ি খালের সেতুটির অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। সেতুর রেলিং ভেঙে গেছে এবং একটি অংশ দেবে যাওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনকে জানানো হলে তিনি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

এলাকাবাসী আরও জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প সড়ক। এ সড়কের আশপাশে রয়েছে বিপুল পরিমাণ রাবার বাগান, চা-বাগান, আশারতলী, জারুলিয়াছড়ি ও জামছড়ি এলাকার জনবসতি এবং বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা।

স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত এলাকার বিজিবির বিভিন্ন বিওপিতে দায়িত্ব পালনকারী বিজিবি সদস্যরাও নিয়মিত এ সড়ক ব্যবহার করে থাকেন। ফলে সেতু দুটি শুধু সাধারণ জনগণের নয়, নিরাপত্তা ও সীমান্ত যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সচেতন নাগরিক সমাজের মতে, জনগুরুত্বপূর্ণ এই দুই সেতুর দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা হলে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা আরও উন্নত হবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারিত হবে এবং সীমান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।