পটিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও সিএনজিসহ ডাকাত দলের সদস্য গ্রেপ্তার

পটিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও সিএনজি অটোরিকশাসহ আন্তজেলা ডাকাত দলের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় সিএনজির ভেতর থেকে দুটি রামদা, একটি ছুরি ও একটি লোহার সাবল উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে পটিয়া থানার পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. সোহাগ (২৪)। তিনি ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানার ওসমানগঞ্জ এলাকার নুরুল ইসলাম মাঝির ছেলে।
বর্তমানে তিনি পটিয়ার জিরি ইউনিয়নের ফকিরা মসজিদ এলাকার কবির সওদাগরের বাড়িতে বসবাস করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, পটিয়া থানা এলাকায় রাত্রিকালীন মোবাইল-১০ ডিউটিতে থাকা এসআই (নিঃ) মো. মাহমুদুল হাসান, পিপিএম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, শান্তিরহাট বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ওপর কয়েকজন ডাকাত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে সিএনজি অটোরিকশাসহ অবস্থান করছে।
পরে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হকের তত্ত্বাবধানে এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) যুযুসু যশ চাকমার নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মো. কামরুল হাছান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। মঙ্গলবার রাতে কুসুমপুরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের থানা মহিরা এলাকার শান্তিরহাট বাজারে আল মক্কা ফার্নিচার মাঠের সামনে মহাসড়ক থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সোহাগকে একটি সিএনজিসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় সিএনজির ভেতর থেকে ৯১ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার ও ৯১ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের দুটি কাঠের বাটযুক্ত রামদা, ৪৭ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের একটি কাঠের বাটযুক্ত ছুরি এবং ১০৪ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের একটি লোহার সাবল উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এ ঘটনায় জড়িত আরও চারজন এবং অজ্ঞাতপরিচয় ৪-৫ জন একটি পৃথক সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় পটিয়া থানায় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মামলা নম্বর-১৫, ধারা ৩৯৯/৪০২ পেনাল কোডে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার সোহাগকে বিধি অনুযায়ী আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।











