বাঁশখালীতে সাবেক দুই এমপি প্রার্থী হলে পাল্টে যাবে সমীকরণ

বাঁশখালীতে রাজনীতির মাঠে সাবেক দুই এমপিকে নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। তারা প্রার্থী হলে ভোটের হিসাব নিকাশ ও সমীকরণ পাল্টে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে তারা এখন অবস্থান স্পষ্ট না করলেও তফসিল ঘোষণার পর জানা যাবে আসলে তারা দুইজন প্রার্থী হচ্ছেন কিনা। তাদের নিয়ে সমর্থকরা প্রতিনিয়ত ফেসবুক সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা চালাচ্ছেন, আলোচনা আড্ডায় উঠে আসছে তাদের বিগত দিনের ভালো মন্দ। আলোচিত দুই সাবেক এমপি হলেন সাবেক চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী ও সদ্য সাবেক স্বতন্ত্র এমপি মুজিবুর রহমান সিআইপি।
চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনে বর্তমানে প্রেক্ষাপটে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মূল লড়াইটা হওয়ার সম্ভাবনা হলেও ওই দুই সাবেক এমপি প্রার্থী হলে লড়াই জমে উঠতে পারে হাড্ডা হাড্ডি। এমনটাই মনে করছেন সাধারণ ভোটার ও বিশ্লেষকরা।
এই বিষয়ে সাবেক সিটি মেয়র ও সাবেক ৩ বারের এমপি মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সমর্থকরা তাকে নির্বাচন করতে প্রতিনিয়ত অনুরোধ করছেন। এই বিষয়ে তফসিল ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানাবেন।
সদ্য সাবেক স্বতন্ত্র এমপি মুজিবুর রহমান সিআইপি জানান, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত এখনো নেননি। তবে তফসিল ঘোষণার পর পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠী তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে প্রতিনিয়ত অনুরোধ করে যাচ্ছেন।
বাঁশখালীতে বর্তমানে ৮ জন প্রার্থী তৎপরতা চালাচ্ছেন। এর মধ্যে বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা ও জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম প্রতিদিন সভা সমাবেশ উঠান বৈঠক ঘরোয়া বৈঠকসহ নানা সামাজিক কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে নিজ নিজ নির্বাচনী মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছেন। মূলত; বাঁশখালীর মূল লড়াইটা হবে এই দুই প্রার্থীর মধ্যে। আর সাবেক দুই এমপি শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হলে লড়াই হচ্ছে ৪ জনের মধ্যে হাড্ডা হাড্ডি।
এর বাইরে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লেয়াকত আলী স্বতন্ত্র নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনিও প্রতিনিয়ত সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনি তৎপরতা চালাচ্ছেন। অপরদিকে বিএনপির কাছে আসনটি পেতে লবিং তদবির অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নির্বাচনি তৎপরতা চালাচ্ছেন এলডিপির প্রার্থী সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট কফিল উদ্দিন চৌধুরী। পাশাপাশি প্রচারণায় মাঠে আছেন, ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ ফরিদ আহমদ আনসারী, নেজামে ইসলাম পার্টির মাওলানা মুছা বিন ইজহার, এনসিপির মীর আরশাদুল হক ও সুন্নি জোটের মহিউল আলম চৌধুরী।











